চা ও চা-অনুষ্ঠান

ম্যাচা কীভাবে তৈরি হয়? খেত থেকে সবুজ গুঁড়ো পর্যন্ত পাঁচ ধাপ

ম্যাচা শুধু বাটা সবুজ চা-পাতা নয়। ANTARA-এর একটি পর্যালোচনা অনুযায়ী, এটি জাপানের ঐতিহ্যবাহী চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি, যাতে অত্যন্ত নির্ভুলতা দরকার, এবং প্রতিটি ধাপ এর রং, ঘ্রাণ ও স্বাভাবিক উমামি স্বাদকে প্রভাবিত করে।

প্রথম ধাপ ছায়াদান। ফসল তোলার প্রায় তিন থেকে চার সপ্তাহ আগে চা-গাছগুলোকে জাল বা খড়ের মাদুর (কানসো) দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, যা সূর্যের আলোর ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ আটকায়। কম আলোয় ক্লোরোফিল বাড়ে, ফলে সবুজ রং গাঢ় হয় এবং এল-থিয়ানিনের মাত্রাও বাড়ে। দ্বিতীয় ধাপ তোলা: প্রথম ফসল (শিনচা) থেকে সবচেয়ে কচি কুঁড়ি তোলা হয়, কারণ সেগুলো পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সবচেয়ে সমৃদ্ধ।

তৃতীয় ধাপ ভাপ দেওয়া: তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড ভাপ দেওয়া হয়, যাতে এনজাইমের জারণ থেমে যায় এবং রং ঠিক থাকে। চতুর্থ ধাপ পাতা না পাকিয়ে শুকানো, এরপর ডাঁটা ও মোটা আঁশ বাছাই করে সরিয়ে ফেলা; এর ফল তেনচা নামে পরিচিত। পঞ্চম ধাপ গ্রানাইট পাথরের চাকিতে (ইশি-উসু) তেনচা ধীরে ধীরে পেষা, যেখানে ঘণ্টায় মাত্র ৩০ থেকে ৪০ গ্রাম তৈরি হয়, যাতে ঘর্ষণের তাপে ঘ্রাণ নষ্ট না হয়।

লেখাটি ব্যাখ্যা করে যে কেন অনুষ্ঠানের ম্যাচা রান্নার ম্যাচা থেকে আলাদা, সেটি আমার ভালো লেগেছে: পুরোটাই নির্ভর করে ছায়াদানের যত্ন ও তেনচার বিশুদ্ধতার ওপর। প্রক্রিয়াটি জানলে ম্যাচার উঁচু দাম আরও যুক্তিসংগত মনে হয়।

সূত্র: ANTARA News

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন