喝茶喝了这么多年,我一直把「茶艺」和「茶道」混着用,直到最近读了一篇讲两者区别的文章,才真正分清楚。原来这一字之差,差的是形与神,也差出了两种完全不同的喝茶境界。
文章里讲得很清楚:茶艺重在「艺」,是看得见、学得会的技艺。从温杯烫盏到悬壶高冲,从盖碗三才到品茗闻香,每一步都能通过系统训练掌握,追求的是审美上的享受。茶道则重在「道」,是借茶修心的哲学,讲究「和敬清寂」「禅茶一味」,追求的是精神层面的提升。简单说,茶艺是形而下的技术,茶道是形而上的法则。
文章引用了茶文化学者王玲在《中国茶文化》里的一句话,我印象特别深:茶艺是茶文化的外在形式,茶道才是精神与本质。她还打了个比方——没有茶道的茶艺就像没有灵魂的躯壳,没有茶艺的茶道是空中楼阁。想想还真是这样。日本茶道虽然极重仪式,核心却是「和敬清寂」四个字;潮汕工夫茶的二十一式背后,也藏着「关公巡城」「韩信点兵」里的平等精神。
我自己慢慢也悟出来了:茶艺如舟,茶道如海,舟无海则无方向,海无舟则难抵达。想提升生活美感的,可以先从学茶艺入手,练练盖碗、控控水温、摆摆茶席;追求精神共鸣的,不妨读读陆羽《茶经》里的「精行俭德」,或者静坐时慢慢体会一杯茶的滋味。
说到底,喝茶的最高境界,是用艺载道、艺道兼修。下次泡茶的时候,不妨也问问自己:今天这杯茶,是艺,是道,还是艺与道的共鸣?
来源:百家号
সবাই "মহা সিল্ক রোড" নিয়ে কথা বলে, কিন্তু সাইবেরিয়ার নিজস্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ ছিল - "চা-এর পথ"। আর এই পথের কেন্দ্র ছিল কিয়াক্টা, মঙ্গোলিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন একটি ছোট শহর। সম্প্রতি আমি এই শহর সম্পর্কে একটি বিস্তারিত নিবন্ধ পড়েছি, যার মূল বিষয়গুলো আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
কিয়াক্টা শহরটি ১৭২৭ সালে একটি সীমান্ত ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু খুব শীঘ্রই এটি সাম্রাজ্যের প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র হয়ে ওঠে। রাশিয়ার প্রায় সমস্ত বাণিজ্য, বিশেষ করে চা, এই শহরের মাধ্যমে চীনে যেত। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, রাশিয়ার এশীয় দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য লেনদেনের ৬৭% এই শহরের মাধ্যমে সম্পন্ন হতো। সেরা সময়ে, এই শহরটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৮-৯% আয় নিয়ে আসত। কার্ল মার্ক্সের হিসাব অনুযায়ী, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে কিয়াক্টায় প্রতি বছর প্রায় ১.৭৫ মিলিয়ন বাক্স চা বিক্রি হতো।
কিয়াক্টার চা কেন ব্রিটিশ চায়ের চেয়ে বেশি মূল্যবান ছিল? এর কারণ ছিল পরিবহন ব্যবস্থা। ব্রিটিশ জাহাজগুলো সমুদ্রপথে চা পরিবহন করত, যার ফলে অনেক সময় চা ভিজে যেত এবং তাতে বাজে গন্ধ লেগে যেত। কিয়াক্টার চা মূলত স্থলপথে পরিবহন করা হতো। ইউরোপে এই চায়ের বিশুদ্ধ স্বাদ এবং সুন্দর রংয়ের জন্য এটি প্রশংসিত ছিল, এবং এর দামও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চায়ের চেয়ে কম ছিল। এটিকে নকল করা থেকে বাঁচাতে বিশেষ ধরনের লেবেল ব্যবহার করা হতো।
কিয়াক্টার বণিকরা - ট্রাপেজনিকভ, মেদভেদনিকভ, বাসনিন, মোলচানোভ, লুশনিকভ, সাবাশনিকভ, স্টারцев এবং অন্যান্য - বিশাল সম্পদ অর্জন করেছিলেন, কিন্তু তারা শুধু প্রাসাদ এবং "ওয়ার্থ" কোম্পানির পোশাকই রেখে যাননি। তাদের অর্থে স্কুল, মহিলা গ gymnasium, বাস্তব училище, প্রথম পাবলিক লাইব্রেরি এবং সাইবেরিয়ার প্রথম সংবাদপত্র "কিয়াক্টা লিসটোক" প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বণিক আলেক্সি স্টারцев তার প্রাসাদটি রাশিয়ান ভৌগোলিক সোসাইটির একটি শাখাকে দান করেন, যার ফলস্বরূপ কিয়াক্টা আঞ্চলিক জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সাইবেরিয়ার প্রাচীনতম জাদুঘরগুলির মধ্যে অন্যতম।
উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এর পতন শুরু হয়: ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খালের উদ্বোধন এবং পরবর্তীতে ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথের নির্মাণ কিয়াক্টার গুরুত্ব হ্রাস করে, কারণ চা অন্যান্য পথে যেতে শুরু করে। বর্তমানে এটি একটি সাধারণ সীমান্ত শহর, তবে আমার এমন একটি ধারণার প্রতি আকর্ষণ রয়েছে যা নিবন্ধের শেষে উল্লেখ করা হয়েছে: যখনই আপনি চা পান করবেন, কিয়াক্টার কথা মনে করুন।
উৎস: সিбирস্কি। নিউজ।
ছবি: Пётр Милевский / Wikimedia Commons · Public domain
ম্যাচা ও সবুজ চা যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর মনোযোগ পাচ্ছে, সাদা চা এখনো তুলনামূলকভাবে অপ্রকাশিতই রয়ে গেছে। জার্মান টি অ্যান্ড হার্বাল টি অ্যাসোসিয়েশন মনে করে এর পরিবর্তন হতে পারে, ২০২৬ সালের ৯ মার্চের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী।
সাদা চা চা গাছ Camellia sinensis-এর কচি কুঁড়ি ও পাতা থেকে তৈরি হয় এবং প্রায় কোনো প্রক্রিয়াকরণ ছাড়াই প্রস্তুত হয়। পাতাগুলো ছায়াযুক্ত, ভালোভাবে বাতাস চলাচলের জায়গায় ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা ধরে ম্লান করা হয়, তারপর রোদে বা কম তাপমাত্রায় শুকানো হয়। এতে কুঁড়ির রূপালি লোম অক্ষুণ্ণ থাকে, আর সুবাস মৃদু, সামান্য মিষ্টি থেকে ফুলেল হয়। সাদা চা মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশ হালকাভাবে গাঁজানো হয়, সবুজ চায়ের চেয়ে কম ট্যানিন ও ক্যাফেইন থাকে এবং ক্যাটেচিন ও পলিফেনলের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
অ্যাসোসিয়েশন সাধারণত ৭০ থেকে ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম পানিতে ভেজানোর পরামর্শ দেয়। নতুনদের জন্য পাই মু তান (ফুলেল, ফুজিয়ান প্রদেশের), একটু জোরালো শৌ মেই এবং বিশেষ জাত সিলভার নিডলস-এর কথা বলা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের ক্যারা শাপের বলেন, এই সংযত কোমলতা সাধারণত কালো বা সবুজ চা পান করেন এমন মানুষের কাছে এক বিস্ময় হবে।
কিছু চা প্রথম চুমুকে নয়, দ্বিতীয় চুমুকে মন জয় করে, এই ভাবনাটি আমার ভালো লাগে। যারা ধীরে ধীরে সূক্ষ্ম সুবাসের সঙ্গে পরিচিত হতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো শুরু।
সূত্র: Deutscher Tee & Kräutertee Verband
মধ্য জাভার কারাঙ্গানিয়ার জেলার নগারগোসো এলাকার কেমুনিং গ্রামের চা ব্যবসায়ী একো ওরিয়ান্তো নিয়ে এএনটিএআরএ একটি প্রতিবেদন লিখেছে। ২০১২ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন, কারণ তিনি কেমুনিং চায়ের সম্ভাবনা দেখতে পান, যা তখন পর্যটকদের কাছে তেমন পরিচিত ছিল না।
তাঁর শুরুর মূলধন ছিল প্রায় ৮০ লাখ রুপিয়া; সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, যার কিছু তিনি নিজেই বানিয়েছিলেন। প্রথম দিকে মাসিক লাভ ছিল মাত্র প্রায় ৩ লাখ রুপিয়া, আর মাসে প্রায় ৫০ কিলোগ্রাম উৎপাদন সব সময় বিক্রি হতো না। এখন তাঁর ব্যবসা ২৬ জন চাষির সঙ্গে প্রায় পাঁচ হেক্টর জমিতে মাসে ৫ থেকে ৬ টন চা প্রক্রিয়া করে, এবং তাজা কুঁড়ির জন্য প্রতি কিলোগ্রামে অন্তত ৫,০০০ রুপিয়া দেয়।
তাঁর পণ্য শুধু সাধারণ চায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সবুজ, কালো, সাদা, জুঁই, আদা, লেমনগ্রাস, ফল, মশলা ও ম্যাচা চা-ও তৈরি হয়। কফির মতো স্বাদের “রাকো” চাও আছে, যা তাঁর ভাষায় আগের কফি বাগানের জমিতে উৎপন্ন হয়। মাসিক আয় ২০২৩ সালের প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ রুপিয়া থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ২৫ থেকে ৩০ কোটি রুপিয়া হয়েছে, এবং পুনর্বিক্রেতার সংখ্যা ২৩৫ থেকে বেড়ে প্রায় ৬২০ হয়েছে। সুরাবায়ার একটি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার পর তিনি বোয়োলালির ক্রেতাদের সঙ্গে পরিচিত হন, যারা এখন প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ পণ্যের অর্ডার দেয়। এই ব্যবসাটি ইন্দোনেশিয়া ব্যাংকের সহায়তাপ্রাপ্ত একটি ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগ।
সবচেয়ে বেশি মনে দাগ কেটেছে তাঁর এই কথাটি যে লাভ শুধু তাঁর নিজের জন্য নয়। এমন গল্প মনে করিয়ে দেয়, এক কাপ স্থানীয় চা অনেক কৃষক পরিবারের জীবিকা হতে পারে।
সূত্র: ANTARA News
সিএনএ-র ৫ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানতো কাউন্টির মিংজিয়ান টাউনশিপে চা পাতার ক্রয়মূল্য সাম্প্রতিক সর্বনিম্ন স্তরে নেমেছে, অথচ উৎপাদন ও উপকরণের খরচ বাড়তেই আছে। এতে চা চাষি ও পুরো সরবরাহ শৃঙ্খল চাপে পড়েছে।
নানতো কাউন্টির প্রধান হসু শু-হুয়া বলেন, তিনি চাষিদের উদ্বেগ কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা চেয়েছেন। তিনি জানান, মন্ত্রণালয় আগে জানিয়েছিল যে ভর্তুকির একটি অংশ চাষিরা এবং একটি অংশ চা ব্যবসায়ীরা পাবেন। তিনি আইনপ্রণেতাদের কাছেও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা চেয়েছেন এবং বলেছেন, যেকোনো ভর্তুকিতে কাউন্টি সহযোগিতা করবে এবং মিংজিয়ান কৃষক সমিতির সঙ্গে বিপণন ও ক্রয় নিয়ে কাজ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মূল ভূখণ্ড চীনের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি কমে গেছে, আর কাউন্টি অন্য শহরে বিক্রয়ের নতুন পথ তৈরি করছে।
কাউন্টি প্রধান পদের অপর প্রার্থী ওয়েন শিহ-চেং বেশি ভর্তুকির পক্ষে। তিনি চান খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রতি ক্যাটিতে ভর্তুকি বাড়িয়ে ৩ নতুন তাইওয়ানি ডলার করুক, অর্থাৎ প্রতি কিলোগ্রামে প্রায় ৫ ডলার। তিনি বলেন, মিংজিয়ান টাউনশিপের মেয়রের সঙ্গে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে বারবার বিষয়টি তুলেছেন।
এই খবর আমাকে ভাবিয়েছে যে চা পান করার সময় আমরা শুধু পানীয় ও সুবাস দেখি, কিন্তু এর পেছনে থাকে দামের ওঠানামা নিয়ে চাষিদের উদ্বেগ। শেষ পর্যন্ত ভর্তুকি যেভাবেই ঠিক হোক, আমি আশা করি চা চাষিরা ন্যায্য আয় পাবেন, যাতে তাইওয়ানের চা তার মান ধরে রাখতে পারে।
সূত্র: CNA
আবহাওয়া ঠান্ডা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হ্যাম্পশায়ারভিত্তিক Ahmad Tea শরতের কয়েকটি মিশ্রণ প্রচার করছে: Chai Spice, Cinnamon Haze, Vanilla, Cinnamon & Apple, Blackcurrant Burst এবং Rooibos & Cinnamon। শিরোনামে পাঁচটি চায়ের কথা বলা হয়েছে, তবে তালিকায় আসলে ছয়টির নাম আছে।
যুক্তিটি হলো, ঠান্ডা আবহাওয়ায় উষ্ণ মসলা, পাকা ফল ও মিষ্টি সুবাস বেশি সমৃদ্ধ ও তৃপ্তিদায়ক মনে হয়। কোম্পানি জোর দিয়ে বলেছে যে যোগ করা স্বাদ চায়ের উপর প্রাধান্য না পেয়ে তাকে পরিপূরক করা উচিত, যাতে ভালো কেনিয়ান ও অন্যান্য পূর্ব আফ্রিকান কালো চায়ের সতেজ চরিত্র বজায় থাকে।
খাবারের সঙ্গে জোড়ার পরামর্শও আছে। মসলাযুক্ত চা ওটমিল, বেক করা ফল ও কেকের সঙ্গে ভালো যায়, ভ্যানিলা পুডিং ও মিষ্টি বেকারির সঙ্গে, ফলের মিশ্রণ ভারী খাবারের স্বাদ হালকা করে, আর শক্তিশালী কালো চা ভরপেটের সকালের খাবারের সঙ্গে মানানসই। Rooibos & Cinnamon-এ ক্যাফেইন নেই, তাই রাতের জন্য এটি ভালো পছন্দ।
লেখাটিতে আরও বলা হয়েছে যে ঘ্রাণ ও স্বাদ স্মৃতি ও ঋতুর সঙ্গে জড়িত, সম্ভবত সেই কারণেই অক্টোবরে দারুচিনি, ভ্যানিলা ও আপেল এত আরামদায়ক লাগে। স্বাদযুক্ত মিশ্রণ সবার কাছে গুরুতর চা বলে মনে হয় না, তবে ভারসাম্যের বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে। সন্ধ্যা গাঢ় হলে এখানকার চা-প্রেমীরা এই জোড়াগুলোর কোনটি বেছে নেন, তা জানতে আগ্রহ হচ্ছে।
সূত্র: Tea & Coffee Trade Journal
Lidl GB Way To Go! Tea বাজারে এনেছে, যাকে কোম্পানি যুক্তরাজ্যের প্রথম চা বলে বর্ণনা করেছে যা সরাসরি কেনিয়ার চা চাষিদের জীবনধারণযোগ্য আয়ের ফাঁক কমাতে কাজ করবে। সেপ্টেম্বরের শেষে দোকানে এটি আসে, Fairtrade Fortnight-এর সঙ্গে মিল রেখে।
ধারণাটি সহজ। চাষিরা এখনও Fairtrade-এর ন্যূনতম মূল্য ও Fairtrade প্রিমিয়াম পান, এবং তার উপরে প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত একটি অঙ্ক কেনিয়ার কেরিচোর ক্ষুদ্র চাষিদের কাছে যায়। Lidl Fairtrade-এর সঙ্গে কাজ করে এই চায়ের জন্য একটি Living Income Reference Price হিসাব করেছে। Fairtrade বলছে, বর্তমানে কেনিয়ার পাঁচজন চা চাষির মধ্যে মাত্র একজন প্রতি মাসে প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর মতো আয় করেন।
পণ্যটি একটি সিঙ্গেল অরিজিন কেনিয়ান চা, ৮০ ব্যাগের দাম ১.৯৯ পাউন্ড। ব্যাগগুলো ১০০% উদ্ভিজ্জ আঁশ দিয়ে তৈরি, যা জৈব-বিঘটনযোগ্য এবং কম্পোস্ট করা যায়। Lidl আরও জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের ব্ল্যাক, গ্রিন ও রুইবোস চা এখন Rainforest Alliance বা Fairtrade-এর সনদপ্রাপ্ত, এবং কেনিয়ার চায়ের উপর মানবাধিকার প্রভাব মূল্যায়ন করা যুক্তরাজ্যের প্রথম খুচরা বিক্রেতা তারাই।
একটি সস্তা চায়ের কাপ কত হাত ঘুরে আসে, তা আমরা সহজেই ভুলে যাই। আমার ভালো লেগেছে যে এই লঞ্চ ন্যায্য মজুরির প্রশ্নে শুধু প্যাকেটের একটি লোগো না দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়েছে।
সূত্র: Tea & Coffee Trade Journal
নানতো বিশ্ব চা মেলা ৩ অক্টোবর উদ্বোধন হয়েছে এবং ১১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে, মোট নয় দিন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি ও খাদ্য সংস্থা অনুষ্ঠানস্থলে একটি "জৈব চা বিষয়ক প্যাভিলিয়ন" তৈরি করেছে, যাতে দর্শনার্থীরা চা পান করেই তাইওয়ানের ভূপ্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে জানতে পারেন।
সংস্থাটি ২০১৯ সাল থেকে তাইওয়ানের জৈব চায়ের ব্র্যান্ড গড়ে তোলায় সহায়তা করছে, আর ২০২২ সাল থেকে জৈব কৃষি উন্নয়নের জন্য ৎসু চি ফাউন্ডেশনের হাতে দায়িত্ব দিয়েছে, যাতে সারা দ্বীপের জৈব চা চাষি ও ব্র্যান্ডগুলোকে "অর্গানিক আইল্যান্ড টি" নামে এক মঞ্চে আনা যায়। এ বছর ১৬টি কাউন্টি ও শহর থেকে ১০৬ জন জৈব চা চাষি প্রদর্শনী করছেন, যা তাইওয়ানের সব জৈব চা চাষির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। চায়ের ধরনের মধ্যে রয়েছে সবুজ, হলুদ, সাদা, বাওজং, উলং, ওরিয়েন্টাল বিউটি, লাল উলং ও কালো চা।
এ বছরের থিম "সালোকসংশ্লেষ গবেষণা", যা চা গাছের সালোকসংশ্লেষের সঙ্গে চা ও পরিবেশের সহাবস্থানের সম্পর্ক খতিয়ে দেখে এবং স্থানভিত্তিক প্রদর্শনী, চা পান ও আন্তঃক্রিয়াশীল অভিজ্ঞতা একত্র করে। প্যাভিলিয়নে "আইল্যান্ড টি শোকেস" কোর্সে ১০৬টি অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ড পরিচিত করানো হয় এবং "সালোকসংশ্লেষ গবেষণা: চা নিয়ে আন্তঃশাখা পরীক্ষা" শীর্ষক স্যালন ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন ২৮টি চাষি দল স্থানে চায়ের টেবিলে নিজেরা অতিথিদের চা পরিবেশন করেন। মন্ত্রণালয়ের চা ও পানীয় ফসল গবেষণা ইনস্টিটিউট "তাইওয়ান চা সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট" স্থাপন করেছে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী চা শিল্প, এআই-এর মাধ্যমে চা নির্বাচন ও চায়ের সুগন্ধের অভিজ্ঞতা একত্র করা হয়েছে।
সবচেয়ে আগ্রহজনক লেগেছে, চাষিরা নিজেরাই স্থানে চা পরিবেশন করছেন। যারা চা উৎপাদন করেন, তাদের সরাসরি কথা শোনা শুধু প্রদর্শনী দেখার চেয়ে অনেক বেশি স্মরণীয়। নানতো যাওয়ার সুযোগ হলে তাইওয়ানের চায়ের বৈচিত্র্যময় স্বাদ চেনার এটি একটি ভালো সুযোগ।
সূত্র: CNA
সরকারি চা প্রতিষ্ঠান ÇAYKUR (Çay İşletmeleri Genel Müdürlüğü) ২০২৬ সালের ২৮ আগস্টের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তৃতীয় ফ্লাশের তাজা চা-পাতা কেনার অভিযান ১ সেপ্টেম্বর শুরু হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৮ জুলাই শুরু হওয়া দ্বিতীয় ফ্লাশের কেনাকাটা ২৮ আগস্ট শেষ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, দেরিতে পাকা অঞ্চলগুলোর কথা মাথায় রেখে দ্বিতীয় ফ্লাশের কেনার সময়সূচি তারা আরও দীর্ঘ সময়ে ছড়িয়ে দিয়েছিল। উৎপাদকদের তৃতীয় ফ্লাশেও একই যত্ন নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া তারা বলছে, পুরো সংগ্রহ মৌসুমজুড়ে বিজ্ঞপ্তি দিতে থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সেগুলো অনুসরণ করতে হবে।
লেখায় এমন আশাও প্রকাশ করা হয়েছে যে তৃতীয় ফ্লাশ ভালো গেলে ২০২৬ সাল সত্যিকারের লাভজনক বছর হবে। লেখায় দামের কোনো তথ্য নেই।
চা-প্রেমী হিসেবে আমার ভালো লাগে জেনে যে প্রতিটি কাপের পেছনে এমন একটি সূচি আর অনেক পরিশ্রম রয়েছে। কৃষ্ণসাগর উপকূলের বৃষ্টিভেজা ঢালে বছরে কয়েকবার তোলা হয় বলে চা আমাদের কাছে নিছক দৈনন্দিন অভ্যাসের চেয়ে বেশি কিছু, একটি সংস্কৃতি হয়ে ওঠে। আপনারা চা কোন কেটলিতে, কতটা গাঢ় করে খেতে পছন্দ করেন?
সূত্র: ÇAYKUR
ম্যাচা শুধু বাটা সবুজ চা-পাতা নয়। ANTARA-এর একটি পর্যালোচনা অনুযায়ী, এটি জাপানের ঐতিহ্যবাহী চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি, যাতে অত্যন্ত নির্ভুলতা দরকার, এবং প্রতিটি ধাপ এর রং, ঘ্রাণ ও স্বাভাবিক উমামি স্বাদকে প্রভাবিত করে।
প্রথম ধাপ ছায়াদান। ফসল তোলার প্রায় তিন থেকে চার সপ্তাহ আগে চা-গাছগুলোকে জাল বা খড়ের মাদুর (কানসো) দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, যা সূর্যের আলোর ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ আটকায়। কম আলোয় ক্লোরোফিল বাড়ে, ফলে সবুজ রং গাঢ় হয় এবং এল-থিয়ানিনের মাত্রাও বাড়ে। দ্বিতীয় ধাপ তোলা: প্রথম ফসল (শিনচা) থেকে সবচেয়ে কচি কুঁড়ি তোলা হয়, কারণ সেগুলো পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সবচেয়ে সমৃদ্ধ।
তৃতীয় ধাপ ভাপ দেওয়া: তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড ভাপ দেওয়া হয়, যাতে এনজাইমের জারণ থেমে যায় এবং রং ঠিক থাকে। চতুর্থ ধাপ পাতা না পাকিয়ে শুকানো, এরপর ডাঁটা ও মোটা আঁশ বাছাই করে সরিয়ে ফেলা; এর ফল তেনচা নামে পরিচিত। পঞ্চম ধাপ গ্রানাইট পাথরের চাকিতে (ইশি-উসু) তেনচা ধীরে ধীরে পেষা, যেখানে ঘণ্টায় মাত্র ৩০ থেকে ৪০ গ্রাম তৈরি হয়, যাতে ঘর্ষণের তাপে ঘ্রাণ নষ্ট না হয়।
লেখাটি ব্যাখ্যা করে যে কেন অনুষ্ঠানের ম্যাচা রান্নার ম্যাচা থেকে আলাদা, সেটি আমার ভালো লেগেছে: পুরোটাই নির্ভর করে ছায়াদানের যত্ন ও তেনচার বিশুদ্ধতার ওপর। প্রক্রিয়াটি জানলে ম্যাচার উঁচু দাম আরও যুক্তিসংগত মনে হয়।
সূত্র: ANTARA News
শিজুওকা টি কমার্শিয়াল ইন্ডাস্ট্রি কোঅপারেটিভ ৮ অক্টোবর ঘোষণা করেছে যে তারা ৩১ অক্টোবর «চালোউইন» আয়োজন করবে। চা আর হ্যালোউইনের মিশেলে এই অনুষ্ঠান হবে শিজুওকা শহরের কেয়াকি স্ট্রিটে।
আয়োজকরা বলছেন, রাস্তাটিকে জমজমাট করতে তারা অনেক আয়োজন রেখেছেন এবং চায়ের স্টলও প্রচুর থাকবে। ঘোষণার পাতায় নির্দিষ্ট কর্মসূচি বা সময়ের কথা উল্লেখ নেই; বিস্তারিত মাৎসুজাকায়া শিজুওকা দোকানের ইভেন্ট পাতায় দেওয়া আছে বলে জানা যাচ্ছে। সমবায়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই দিনে চালোউইনের একটি মিউজিক ভিডিওও প্রকাশ করা হয়েছে।
যোগাযোগ: শিজুওকা টি কমার্শিয়াল ইন্ডাস্ট্রি কোঅপারেটিভ (শিজুওকা টি হলের একতলা, ফোন 054-271-1955)।
চা বললেই সাধারণত একটা শান্ত ছবি মনে আসে, তাই হ্যালোউইনের পোশাক পরে চা উপভোগ করাটা আমার কাছে নতুন মনে হয়েছে। আমার মনে হয় এটি তরুণ আর পরিবারগুলোর জন্য চায়ের সঙ্গে সহজে পরিচিত হওয়ার একটি ভালো উপায় হতে পারে, চায়ের দেশ শিজুওকার জন্য একটি বুদ্ধিদীপ্ত উদ্যোগ। আরও বিস্তারিত জানা গেলে আমি নিশ্চয়ই খেয়াল রাখব।
সূত্র: শিজুওকা টি কমার্শিয়াল ইন্ডাস্ট্রি কোঅপারেটিভ
ইতো এন ৫ অক্টোবর তাদের ম্যাচা পানীয় ব্র্যান্ড «matcha LOVE»-এর দুটি নতুন পণ্য সারা দেশে ছেড়েছে: «ম্যাচা কফি ল্যাটে» ও «ম্যাচা মঁ-ব্লাঁ ল্যাটে»।
ম্যাচা কফি ল্যাটে ২৮০ মিলির বোতলাকৃতি ক্যানে পাওয়া যাচ্ছে, দাম ২৭০ ইয়েন (কর সহ)। এতে ১০০% দেশি ম্যাচা ও কফি ব্যবহার করা হয়েছে, জনপ্রিয় «ডার্টি ম্যাচা»-এর আদলে তৈরি, তবে এতে এসপ্রেসো নেই। ম্যাচা মঁ-ব্লাঁ ল্যাটে ১৭০ গ্রামের চওড়া-মুখের ক্যানে পাওয়া যাচ্ছে, দাম ১৯৪ ইয়েন (কর সহ)। এটিও ১০০% দেশি ম্যাচায় তৈরি, এবং বলা হচ্ছে এর স্বাদ ভাজা চেস্টনাটের মতো মিষ্টি। দুটিই গরম বা ঠান্ডা, যেভাবে খুশি পান করা যায়।
এছাড়া মার্চে চালু হওয়া ম্যাচা বেরি ল্যাটে ও ম্যাচা আলমন্ড ল্যাটেকে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে, যাতে এগুলি গরম ও ঠান্ডা দুই ভাবেই পরিবেশন করা যায়। ৫ অক্টোবর থেকেই এগুলি ২৭০ ইয়েনে (কর সহ) বিক্রি হচ্ছে। niko and ... COFFEE-এর সঙ্গে একটি যৌথ পণ্যও আছে, যা ১০ থেকে ১২ অক্টোবর শিনাগাওয়ার «UNI9UE PARK MARCHE'26»-এ মাত্র তিন দিনের জন্য পাওয়া যাবে; সেখানে ম্যাচা কফি স্মুদি ৬৮০ ইয়েনে (কর সহ) বিক্রি হবে।
এগুলো চায়ের অনুষ্ঠানের চা থেকে একটু দূরের পণ্য, তবে ম্যাচা কীভাবে এত দৈনন্দিন পানীয় হয়ে উঠল, সেটি দেখে আমার মজা লাগছে। আমার মনে হয় এই শরতে অনেকেই গরম সংস্করণটি চেখে দেখতে চাইবেন।
সূত্র: ইতো এন