চা ও চা-অনুষ্ঠান

কারাঙ্গানিয়ারের কেমুনিং চা চাষি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাজার পেলেন

মধ্য জাভার কারাঙ্গানিয়ার জেলার নগারগোসো এলাকার কেমুনিং গ্রামের চা ব্যবসায়ী একো ওরিয়ান্তো নিয়ে এএনটিএআরএ একটি প্রতিবেদন লিখেছে। ২০১২ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন, কারণ তিনি কেমুনিং চায়ের সম্ভাবনা দেখতে পান, যা তখন পর্যটকদের কাছে তেমন পরিচিত ছিল না।

তাঁর শুরুর মূলধন ছিল প্রায় ৮০ লাখ রুপিয়া; সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, যার কিছু তিনি নিজেই বানিয়েছিলেন। প্রথম দিকে মাসিক লাভ ছিল মাত্র প্রায় ৩ লাখ রুপিয়া, আর মাসে প্রায় ৫০ কিলোগ্রাম উৎপাদন সব সময় বিক্রি হতো না। এখন তাঁর ব্যবসা ২৬ জন চাষির সঙ্গে প্রায় পাঁচ হেক্টর জমিতে মাসে ৫ থেকে ৬ টন চা প্রক্রিয়া করে, এবং তাজা কুঁড়ির জন্য প্রতি কিলোগ্রামে অন্তত ৫,০০০ রুপিয়া দেয়।

তাঁর পণ্য শুধু সাধারণ চায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সবুজ, কালো, সাদা, জুঁই, আদা, লেমনগ্রাস, ফল, মশলা ও ম্যাচা চা-ও তৈরি হয়। কফির মতো স্বাদের “রাকো” চাও আছে, যা তাঁর ভাষায় আগের কফি বাগানের জমিতে উৎপন্ন হয়। মাসিক আয় ২০২৩ সালের প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ রুপিয়া থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ২৫ থেকে ৩০ কোটি রুপিয়া হয়েছে, এবং পুনর্বিক্রেতার সংখ্যা ২৩৫ থেকে বেড়ে প্রায় ৬২০ হয়েছে। সুরাবায়ার একটি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার পর তিনি বোয়োলালির ক্রেতাদের সঙ্গে পরিচিত হন, যারা এখন প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ পণ্যের অর্ডার দেয়। এই ব্যবসাটি ইন্দোনেশিয়া ব্যাংকের সহায়তাপ্রাপ্ত একটি ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগ।

সবচেয়ে বেশি মনে দাগ কেটেছে তাঁর এই কথাটি যে লাভ শুধু তাঁর নিজের জন্য নয়। এমন গল্প মনে করিয়ে দেয়, এক কাপ স্থানীয় চা অনেক কৃষক পরিবারের জীবিকা হতে পারে।

সূত্র: ANTARA News

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন