সাওরডো রুটি কি সত্যিই কম ক্যালরির? একজন পুষ্টিবিদ একটি সাধারণ ভুল ধারণা ভাঙছেন
একটি প্রচলিত ধারণা নিয়ে একটি আকর্ষণীয় লেখা চোখে পড়ল: সাওরডো রুটি খেলে ওজন কম বাড়ে। তাইওয়ানের পুষ্টিবিদ ইয়াং সিহান সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন যে এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।
প্রথমে দুই রুটির পার্থক্যটা দেখা যাক। সাওরডো রুটি আটা ও পানি থেকে তৈরি বন্য ইস্ট ও ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়ার ওপর নির্ভর করে, আর ধীর ও দীর্ঘ গাঁজন এর হালকা টক সুবাস দেয়। সাধারণ সাদা রুটি বাণিজ্যিক দ্রুত-কার্যকর ইস্ট ব্যবহার করে, তাই এর গাঁজন কম সময়ের এবং টেক্সচার নরম ও মিহি হয়। তবে প্রতি ১০০ গ্রামে দুই রুটির ক্যালরি ও চিনি প্রায় একই। সাওরডো খেলে তাই কম ক্যালরি গ্রহণ করা হয় না।
তাহলে এর মূল্য কোথায়? লেখাটিতে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, দীর্ঘ গাঁজনে আটার গ্লুটেনের একটি অংশ ভেঙে যায়, যা পেট ফাঁপা বা রুটি হজমে সমস্যা হলে কারও কাছে সহজ হতে পারে। দ্বিতীয়ত, প্রাকৃতিক গাঁজন ফাইটিক অ্যাসিড ভাঙে, ফলে শরীর আয়রন, জিংক ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। তৃতীয়ত, সাওরডোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থেকে মাঝারি, তাই রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে। উচ্চ-জিআই সাদা রুটির মতো এটি রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়ায়-কমায় না, যার ফলে দ্রুত ক্ষুধা লাগে; তাই এটি বেশিক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় এই দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তিসঙ্গত। সাওরডোকে ডায়েট খাবার হিসেবে না দেখে অন্ত্র ও রক্তে শর্করার জন্য একটি কোমল বিকল্প হিসেবে দেখাই ভালো। যাঁরা নিজেদের স্টার্টার পালন করে নিজের রুটি বানান, তাঁদের জন্য এই বিষয়গুলো দীর্ঘ গাঁজনের একটি ছোট পুরস্কার হতে পারে। মূল লেখায় আরও বলা হয়েছে যে এগুলো লেখকের ব্যক্তিগত মত, পুনঃপ্রকাশকারী গণমাধ্যমের অবস্থান নয়; তাই একটু নমনীয়ভাবে নেওয়াই ভালো।
সূত্র: HK01 (United Daily News থেকে পুনর্মুদ্রিত)
প্রথমে দুই রুটির পার্থক্যটা দেখা যাক। সাওরডো রুটি আটা ও পানি থেকে তৈরি বন্য ইস্ট ও ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়ার ওপর নির্ভর করে, আর ধীর ও দীর্ঘ গাঁজন এর হালকা টক সুবাস দেয়। সাধারণ সাদা রুটি বাণিজ্যিক দ্রুত-কার্যকর ইস্ট ব্যবহার করে, তাই এর গাঁজন কম সময়ের এবং টেক্সচার নরম ও মিহি হয়। তবে প্রতি ১০০ গ্রামে দুই রুটির ক্যালরি ও চিনি প্রায় একই। সাওরডো খেলে তাই কম ক্যালরি গ্রহণ করা হয় না।
তাহলে এর মূল্য কোথায়? লেখাটিতে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, দীর্ঘ গাঁজনে আটার গ্লুটেনের একটি অংশ ভেঙে যায়, যা পেট ফাঁপা বা রুটি হজমে সমস্যা হলে কারও কাছে সহজ হতে পারে। দ্বিতীয়ত, প্রাকৃতিক গাঁজন ফাইটিক অ্যাসিড ভাঙে, ফলে শরীর আয়রন, জিংক ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। তৃতীয়ত, সাওরডোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থেকে মাঝারি, তাই রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে। উচ্চ-জিআই সাদা রুটির মতো এটি রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়ায়-কমায় না, যার ফলে দ্রুত ক্ষুধা লাগে; তাই এটি বেশিক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় এই দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তিসঙ্গত। সাওরডোকে ডায়েট খাবার হিসেবে না দেখে অন্ত্র ও রক্তে শর্করার জন্য একটি কোমল বিকল্প হিসেবে দেখাই ভালো। যাঁরা নিজেদের স্টার্টার পালন করে নিজের রুটি বানান, তাঁদের জন্য এই বিষয়গুলো দীর্ঘ গাঁজনের একটি ছোট পুরস্কার হতে পারে। মূল লেখায় আরও বলা হয়েছে যে এগুলো লেখকের ব্যক্তিগত মত, পুনঃপ্রকাশকারী গণমাধ্যমের অবস্থান নয়; তাই একটু নমনীয়ভাবে নেওয়াই ভালো।
সূত্র: HK01 (United Daily News থেকে পুনর্মুদ্রিত)
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন