ছুরি ও ফলার সংস্কার
মরচে তোলা, ধার দেওয়া ও নতুন হাতল। নিজের দেশের আইন মেনে চলুন।
ফোরাম পরিচালক:
এখনও কোনো পরিচালক নেই
· পরিচালক নির্বাচন
Uzun zamandır körelmiş ve paslanmış bıçakları toplayıp yeniliyorum; geçen gün okuduğum bir rehber bu işin püf noktalarını çok güzel özetlemiş. Önce bıçağın durumuna bakıp hangi bölümün onarılacağını belirlemek gerekiyor: pas mı, körleşme mi, yoksa kabza mı?
Pas temizliğinde hafif paslanmalar için sirke, limon suyu veya karbonat iş görüyor. Derin paslarda ise tel fırça, zımpara ya da pas sökücü kimyasal lazım; ama kimyasal kullanırken çeliğe zarar vermemeye dikkat etmek şart. İşin sonunda mutlaka yağlamak gerekiyor ki pas geri dönmesin.
Bileme için biley taşı ya da seramik çubuk kullanıyorum, açıyı sabit tutmak en kritik nokta. Kırık veya çatlak kabzayı da ahşap, deri ya da micarta ile yenileyebiliyorsunuz; güvenlik için eldiven şart.
Bence en önemli şey sabır. Acele etmek hata getiriyor; düzenli bakım ve doğru ekipmanla eski bir bıçak gerçekten ilk günkü haline dönebiliyor.
Kaynak: Taktik Çakı
বাড়ি না ছেড়েই রান্নাঘরের ছুরির ধার ফিরিয়ে আনার একটি উপায়ের কথা লেখা একটি প্রতিবেদন পড়লাম। খাবার নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন আলেহান্দ্রো গুতিয়েরেস, যিনি ইনস্টাগ্রামে "Yo soy chef en casa" নামে পরিচিত। তাঁর মতে, যেকোনো হার্ডওয়্যার দোকানে পাওয়া সস্তা দুই-পিঠের একটি শানপাথরই যথেষ্ট।
পদ্ধতিটি সহজ। প্রথমে ইস্পাত যেন বেশি গরম না হয়, সেজন্য পাথরটি প্রায় ২০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়, আর নিচে একটি ভেজা কাপড় দিতে হয় যাতে সেটি না সরে। এরপর ছুরি প্রায় ২০ ডিগ্রি কোণে ধরতে হয়। তিনি এভাবে ব্যাখ্যা করেন: ৯০ ডিগ্রির অর্ধেক ৪৫, তার অর্ধেক ২২.৫। খসখসে দিক দিয়ে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত সমান চাপে ফলা টেনে নিতে হয়, এবং দুই দিকেই সমান সংখ্যক টান দিতে হয়। শেষে মসৃণ, ভেজা দিকে অর্ধেক সময় ধার দিয়ে সারতে হয়।
কত ঘন ঘন ধার দিতে হবে, তা ক্ষয়ের ওপর নির্ভর করে। খুব ক্ষয়ে যাওয়া ফলার জন্য তিনি এক মাস ধরে সপ্তাহে দুবার, প্রতিবার দশ মিনিট করে ধার দেওয়ার পরামর্শ দেন। ধার ফিরে এলে প্রতি দুই মাসে একবার যথেষ্ট। এরপর ধাতব গুঁড়ো সরাতে ফলাটি পানি ও সাবান দিয়ে ধুতে হবে।
তিনি আরও বলেছেন কী ছুরির ধার নষ্ট করে: ডিশওয়াশারে ছুরি ধোয়া, কাচ বা মার্বেলের কাটিং বোর্ডে কাটা, আর ছুরিগুলো দেরাজে এলোমেলোভাবে রেখে দেওয়া যেখানে সেগুলো একে অপরের সঙ্গে ঠোকাঠুকি করে। ধার দেওয়া যে দামি যন্ত্রের চেয়ে নিয়মিততার ওপর বেশি নির্ভর করে, এই কথাটি মনে করিয়ে দেওয়ার মতো একটি ভালো লেখা।
সূত্র: adn Noticias
Anka Haber-এর একটি প্রতিবেদন আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে: সিনোপে ৮০ বছর বয়সী ছুরি-কারিগর Cengiz Özekes প্রায় ১৩০ বছরের ছুরি তৈরির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন এবং তা তাঁর ছেলে Kazım Özekes-কে হস্তান্তর করছেন।
পারিবারিক এই পেশা ১৮৯০-এর দশকে তাঁর দাদা Hüseyin Usta দিয়ে শুরু হয়। Özekes-এর কথায়, অটোমান আমলে Hüseyin Usta ছুরি বানানোর পাশাপাশি বন্দুক মেরামতের মতো কাজও করতেন। পরে তাঁর বাবা Kazım Usta ও চাচা Ali Usta কাজ চালিয়ে যান। ১৯৫৫ সালে আমেরিকানরা সিনোপে আসার পর এই পেশা নতুন পর্যায়ে পৌঁছায়, এবং Cengiz Usta ও তাঁর বড় ভাই উৎপাদনে আধুনিকায়ন আনেন। আজ Cengiz Usta তৃতীয় প্রজন্ম, আর তাঁর ছেলে Kazım চতুর্থ প্রজন্ম।
কারিগর বলেন, হস্তশিল্পের প্রতি আগ্রহ কমেছে, শিক্ষানবিশির যুগ শেষ হয়েছে, আর সুদূর প্রাচ্য থেকে আসা পণ্যের কারণে বিক্রি কমেছে। তবু তিনি বলেন, “আমরা এই পেশায় হৃদয় দিয়েছি”, আর হস্তশিল্পের অনুরাগীরা এখনও তাঁকে খুঁজে নেন।
এটি এমন একটি গল্প যা মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি ফলার পেছনে রয়েছে প্রজন্মের পর প্রজন্মের জমানো পরিশ্রম। আশা করি এমন কারিগরদের নিয়ে আরও গল্প সামনে আসবে।
সূত্র: Anka Haber
Faca Fest-এর তৃতীয় আসর Campos dos Goytacazes (RJ)-এর Usina do Queimado-তে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং J3News-এর মতে এটি রিও ডি জানেইরো রাজ্যের প্রধান ছুরি মেলায় পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রদর্শক, পেশাদার ও সংগ্রাহকরা এতে যোগ দেন।
আয়োজনের ধরন বড় জাতীয় মেলাগুলোর মতো ছিল: বিশেষজ্ঞ বিচারকদের দ্বারা প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন ও ছুরি প্রতিযোগিতা, পাশাপাশি লাইভ ফোরজিং প্রদর্শনী। আয়োজক Olympio Guimarães ও Ricardo Lobo বলেন, পরিবার, প্রবীণ এবং ইস্পাত গড়ার শিল্পের অনুরাগী সবাইকে স্বাগত জানিয়ে স্থানটি তাঁদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে।
প্রবেশ ছিল বিনামূল্যে। শনিবার অনুষ্ঠান মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এবং রবিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। বিশেষ নিদর্শনের পাশাপাশি ছিল কাঠকয়লার আগুনে বারবিকিউ, সংগীত পরিবেশনা ও খোলা জায়গায় বিনোদনের ব্যবস্থা।
ছুরি যে তার নিজস্ব গণ্ডির বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে, তা দেখে ভালো লাগছে। চুল্লি চালু হতে দেখা এবং ব্লেড যিনি বানান তাঁর সঙ্গে কথা বলা হস্তশিল্পের মূল্য বোঝার দারুণ উপায়।
সূত্র: J3News
Báo Cao Bằng পত্রিকা লুয়ং ভ্যান খিয়েম (জন্ম ১৯৮৯)-এর ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তিনি কামারদের গ্রাম ফুক সেনে জন্মে বড় হয়েছেন, যা এখন কোয়াং উয়েন কমিউনের পাচ রাং হামলেটের অংশ। তিনি ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যবাহী কামারের কাজ করছেন।
ফুক সেন বছরজুড়ে লাল আগুনে জ্বলা চুল্লি এবং হাতে তৈরি ছুরি ও কাঁচির জন্য পরিচিত, যা এখানকার নুং আন জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক জীবনের অংশ। কামার পরিবারে বেড়ে ওঠায় ছোটবেলা থেকেই তিনি হাতুড়ির শব্দ, নেহাই ও আগুনের তাপের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। তাঁর প্রথম পাঠ ছিল হাতুড়ি ধরা, আগুন জ্বালানো এবং ইস্পাত শক্ত করা, কিন্তু সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল ধৈর্য ও সূক্ষ্মতা।
তিনি স্থানীয় ও বাইরের তরুণদের এই কাজ শেখাতেও সক্রিয়, এবং তাঁর অনেক শিক্ষার্থী পরে নিজেদের চুল্লি খুলেছেন।
২০১৯ সালে সাতজন সদস্য নিয়ে Phúc Sen Hà Khiêm ছুরি সমবায় গড়ে ওঠে, যা স্থানীয় প্রায় ২০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান করে। ২০২৪ সালে এর পণ্য তিন তারকার OCOP সনদ পায়; ২০২৫ সালে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পার্বত্য ও জাতিগত সংখ্যালঘু অঞ্চলের আদর্শ সমবায় হিসেবে একে বেছে নেয়; আর ২০২৬ সালে প্রাদেশিক গণকমিটির চেয়ারম্যান খিয়েমকে প্রশংসাপত্র দেন।
তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিই আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে: কামারের কাজ ধরে রাখা শুধু জীবিকার জন্য নয়, জন্মভূমির আত্মার একটি অংশ রক্ষার জন্য। চুল্লি জ্বলতে থাকলে তিনি শেখাতে থাকবেন, যাতে ফুক সেনের হাতুড়ির শব্দ কখনো না থামে, এমনটাই তাঁর কথা।
সূত্র: Báo Cao Bằng
কামুচিয়ার ৩৩ বছর বয়সী ছুরি-শানওয়ালা ড্যানিয়েলে নোভেল্লির গল্পটি Corriere di Arezzo পত্রিকায় পড়ে আমি একই সঙ্গে হেসেছি এবং ভেবেছি। তিনি এমন একটি পেশা করছেন যা বিলুপ্তির পথে: ২৩ বছর বয়সে ঘটনাচক্রে শুরু করার পর থেকে দশ বছর ধরে তিনি নিজের ওয়ার্কশপে এবং গ্রাহকদের বাড়িতে গিয়ে ছুরি শানাচ্ছেন।
ছুরি ছাড়াও তিনি পুরোনো কাস্তে, ব্যান্ড-করাতের ফলা এবং স্লাইসারের চাকতি শানান, কারণ তাঁর মতে, বাড়িতে যা উদ্ধার করা যায় তা কেউ ফেলে দেয় না। তিনি একটি সজ্জিত ভ্যান কিনেছেন এবং আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে যে কোনো ধরনের ফলা শানাতে পারেন, নিজের ডিজাইন করা কোণে। শিল্প-যন্ত্র মেরামত করেন এমন বাবাকে সাহায্য করতে করতে ভুল করে এবং "চোখে চুরি করে" তিনি নিজে নিজে শিখেছেন।
তাঁর গ্রাহকদের মধ্যে তরুণ থেকে নব্বইয়ের ঊর্ধ্বে বৃদ্ধ সবাই আছেন, যাঁরা কাস্তে নিয়ে আসেন কারণ ঘাস কাটতে আর পারেন না। তাঁর পরামর্শ সহজ: দশটি বাজে ছুরির চেয়ে চার-পাঁচটি সত্যিকারের ভালো ছুরি ভালো, এবং প্রায় সব সময়ই নতুন কেনার চেয়ে আবার শানানো বেশি লাভজনক।
এখন শানওয়ালার ডাক শোনা নিজেই একটি খবর, কারণ এমন মানুষ প্রায় আর নেই। ড্যানিয়েলে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ পছন্দ করেন এবং কেউ ফেলে দিত এমন জিনিস আবার ব্যবহারে ফিরিয়ে আনেন। ভালোভাবে শানানো ফলা যে সারা জীবন টিকতে পারে, এটি তার একটি সুন্দর মনে করিয়ে দেওয়া।
সূত্র: Corriere di Arezzo
৫৯তম ছুরি উৎসব গিফু প্রিফেকচারের সেকি শহরে ১০ ও ১১ তারিখে দুই দিন ধরে চলবে। আয়োজক সেকি ছুরি উৎসব নির্বাহী কমিটি। ছুরির যত্ন ও পুনরুদ্ধারে যাঁদের আগ্রহ আছে, তাঁদের জন্য এটি দেখার মতো অনেক কিছুতে ভরা একটি উৎসব বলে মনে হয়েছে।
কেন্দ্রবিন্দু হলো হোনমাচি স্ট্রিটের “ছুরির বড় ছাড়ের বাজার”, যা দুই দিনই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা। এখানে ৩৪টি স্টল আছে, যার মধ্যে রয়েছে Inoguchi Cutlery Works, Kai, Magoroku Cutlery ও Minoseki Cutlery, যেগুলো সেকির ছুরি-প্রস্তুতকারক।
যত্নের দিক থেকে “রান্নাঘরের ছুরির শার্পনিং কর্নার” দেখার মতো। Seki Terrace ছুরি কর্মশালা / গিফু সেকি ছুরি ভবনে (4-12-1 হেইওয়াডোরি, সেকি) দুই দিনই সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত শার্পনিং সেবা চলবে। যেসব রান্নাঘরের ছুরির ধার কমে গেছে, সেগুলো নিয়ে যাওয়ার সুযোগ মনে রাখার মতো।
তলোয়ার-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানও আছে। সেকি কামার ঐতিহ্য ভবনে জাপানি তলোয়ারের ঐতিহ্যবাহী নির্মাণ এবং পালিশ ও ফিটিংয়ের কৌশল জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। নির্মাণ প্রদর্শনী শুরু হবে ১০:৩০, ১৩:০০ ও ১৫:০০-তে, আর পালিশ ও ফিটিং ১১:০০, ১৩:৩০ ও ১৫:৩০-এ। সমসাময়িক নতুন তলোয়ারের প্রদর্শনী এবং “তলোয়ার পরামর্শ”-ও হবে।
হোনমাচি ২-চোমেতে মঞ্চ অনুষ্ঠানেরও পরিকল্পনা আছে। সরকারি ওয়েবসাইটে ভ্রমণপথ ও দর্শনার্থীদের জন্য নির্দেশনা রয়েছে, তাই যাওয়ার আগে সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়া ভালো।
সূত্র: সেকি ছুরি উৎসব নির্বাহী কমিটি
মালাং শহরের কেদুংকান্দাং এলাকায় এখনও একটি ঐতিহ্যবাহী কামারশালা চালু আছে, যার চুল্লি জ্বলে। TIMES Indonesia-এর মতে, Sunar ও তাঁর ভাইপো Yono পুলিশ থানা Polsek Kedungkandang-এর অফিসের পাশের কারখানায় এখনও হাতে লোহা পেটান। আগে সেখানে প্রায় দশজন কাজ করতেন; এখন মাত্র দুজন আছেন।
কারখানা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার কোনো লিখিত নথি নেই; গল্পের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এর ইতিহাস বয়ে এসেছে। এখন কয়লার আগুন জ্বলন্ত রাখতে বৈদ্যুতিক ব্লোয়ার সাহায্য করে, তবু যন্ত্রপাতির আকার দেওয়ার কাজ বেশিরভাগই হাতে হয়। লোহা আসে পুরোনো জিনিস সংগ্রাহকদের কাছ থেকে, আর ইস্পাতের একটি অংশ আসে পুরোনো যানবাহনের লিফ স্প্রিং থেকে, যেমন বাসের।
উপাদানটি গরম করে বারবার পিটিয়ে কাস্তে (arit) ও ম্যাচেট (parang) বানানো হয়। হাতল তৈরি হয় lamtoro কাঠ দিয়ে এবং হাতে চালানো লেদে কেটে আরামদায়ক করা হয়। দাম প্রায় ১.৫ থেকে ২.৫ লাখ রুপিয়া, আর উৎপাদন হয় অর্ডার অনুযায়ী, দৈনিক লক্ষ্য অনুযায়ী নয়।
Sunar-এর মনোভাব আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি এই পেশায় আছেন সম্পদ বা মর্যাদার জন্য নয়, বরং ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। উত্তরসূরি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমন পেটানো ও হাতল বসানোর দক্ষতা যেন হারিয়ে না যায়, এই আশা করি।
সূত্র: TIMES Indonesia
MDR-এ আমি ফোগ্টল্যান্ডের এক ছুরি-কামার সম্পর্কে জানতে পারি: আলেকজান্ডার ৎসেগুলা, ৬১ বছর বয়সী, হামারব্রুকের বাসিন্দা। তাঁর কামারশালা বাসাবাড়ির পেছনে। সেখানে কামারের আগুন জ্বলে, আর তিনি বারবার কাঁচা ধাতুর টুকরো আগুনে ঢোকান।
টুকরোটি ১,২০০ ডিগ্রি পর্যন্ত গরম করা হয় এবং তারপর আঘাতের পর আঘাতে আকার দেওয়া হয়। প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ ডিগ্রিতে পেটানো হয়, আর তাঁর মতে এটি সব ছুরির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। মাঝে মাঝে তিনি টুকরোটি খাড়া করে দেখেন ফলা সোজা আছে কি না। কতটা নির্ভুল হতে হয়, সে সম্পর্কে তিনি বলেন: দুটি ভুল আঘাতেই টুকরোটি নষ্ট।
ইস্পাত নিয়ে তাঁর স্পষ্ট মত আছে। স্টেইনলেস স্টিলের যত্ন সহজ, তবে মরচে পড়ে এমন ইস্পাত অনেক বেশি ধারালো হয় এবং উৎসাহীদের কাছে এটিই সেরা। তবে মরচে ধরার প্রবণতা থাকা ছুরি প্রতিবার ব্যবহারের পর কাপড় দিয়ে মুছে তেল লাগাতে হয়।
প্রতিবেদনে পুরোনো প্রশ্নটিও আছে: মাশরুম হাতে তুলবেন, নাকি ছুরি দিয়ে কাটবেন? ৎসেগুলার মতে এটি বিশ্বাসের বিষয়। যিনি ছুরি ব্যবহার করেন, তিনি মাটির নিচে কেটে দেন এবং ছাঁচ না ধরার জন্য কাটা জায়গাটি আবার মাটি দিয়ে ঢেকে দেন। তাপমাত্রা, ইস্পাত ও যত্ন নিয়ে তিনি যেভাবে শান্তভাবে কথা বলেন, তা আমার ভালো লেগেছে: শেষ পর্যন্ত একটি ভালো ছুরি হলো হস্তশিল্প ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ।
সূত্র: MDR Sachsen
Knife Informer ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ছুরির যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণের একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে বিষয়টিকে যেভাবে সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে: রুটিন হতে হবে ছুরির ধরন অনুযায়ী, এবং বেশির ভাগ কাজই সহজ। ময়লা শক্ত হওয়ার আগে পরিষ্কার করা, ফলা পুরোপুরি শুকিয়ে নেওয়া, যেসব জায়গায় সুরক্ষা প্রয়োজন সেগুলো রক্ষা করা, আর ছুরি সত্যিই চাইলেই কেবল ধার দেওয়া।
কাজের ক্রমটি মনে রাখার মতো। পকেট ছুরিতে আগে ব্রাশ বা কটন সোয়াব দিয়ে পিভট, লক এলাকা, লাইনার ও ক্লিপের ময়লা সরান। শুধু যদি ছুরিটি তখনও শুকনো মনে হয়, তখনই পিভট তেলের এক ফোঁটা দিন, ছুরিটি কয়েকবার খুলুন-বন্ধ করুন এবং বাড়তি তেল মুছে ফেলুন। পরিষ্কার করার আগে তেল দিলে শুধু বালি যন্ত্রাংশের ভেতরে আটকে যায়। রান্নাঘরের ছুরির ক্ষেত্রে পরামর্শও সমান মৌলিক: হালকা গরম পানি ও মৃদু সাবান দিয়ে হাতে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন, এবং ভালো ছুরি সিংক বা ডিশওয়াশারে রাখবেন না।
ধার দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা তিনটি কাজ আলাদা করেছে, যেগুলো মানুষ প্রায়ই একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলে। হোনিং ক্লান্ত রান্নাঘরের ফলার জন্য, যার তখনও ডগা অক্ষত আছে। শার্পনিং দরকার তখন, যখন ছুরি পিছলে যায়, খাবার চেপে ধরে, বা হোনিংয়ে আর সাড়া দেয় না। স্ট্রপিং আগে করা হয় পকেট ও আউটডোর ছুরির অক্ষত ধারের ওপর। নির্দেশিকা আরও জানায় যে উচ্চ ভ্যানাডিয়ামের পাউডার স্টিল হীরা বা CBN ঘর্ষকে ভালো সাড়া দেয়, এবং সস্তা কার্বাইড পুল-থ্রু শার্পনার অসাবধানে ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করে।
মরিচা সম্পর্কে নির্দেশিকার জোর প্রতিরোধের ওপর, মুছে ফেলার কোনো রেসিপির ওপর নয়: ঘাম, বৃষ্টি, লবণ বা খাবারের অ্যাসিডের পর ফলা শুকিয়ে নিন, এবং সংরক্ষণের আগে লুকানো আর্দ্রতা উবে যেতে দিন। কার্বন স্টিলের প্যাটিনা স্বাভাবিক, কিন্তু সক্রিয় লাল মরিচা স্বাভাবিক নয়। নির্দেশিকা অনুযায়ী কঠোর ঘর্ষক আবরণযুক্ত, এচ করা বা ডামাস্কাস পৃষ্ঠে ব্যবহার করা উচিত নয়, এবং যে প্যাটিনা রাখতে চান তাতেও নয়। গভীর গর্ত দেখা দিলে ছুরিটি ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খাবারের সংস্পর্শে আসা কার্বন স্টিলের জন্য ফুড-গ্রেড মিনারেল অয়েলের পাতলা আস্তরণ সুপারিশ করা হয়েছে, আর স্থির-ফলার ছুরি ভেজা চামড়ার খাপে দীর্ঘ সময় রাখা উচিত নয়।
ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে শুরুর নিরাপত্তা-সতর্কতাটি পুনরুদ্ধারকারীদের জন্য সবচেয়ে কাজের মনে হয়েছে: যে ছুরির লক নির্ভরযোগ্য নয়, ফলায় উল্লম্ব নড়াচড়া আছে, হাতল ফাটা বা ফলা ভাঙা, সেটি ব্যবহার থেকে সরিয়ে রাখতে হবে, আর পরিষ্কার করলে তা ঠিক হবে না। কোনো পুরোনো ছুরির বাইরের চেহারা পালিশ করার আগে এর যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে নেওয়ার জন্য এটি একটি ভালো স্মরণিকা।
সূত্র: Knife Informer
Midi Libre পত্রিকা আলেসের কাছে মোঁতেইয়ে প্রথম ছুরি মেলার খবর দিয়েছে। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, প্লাস ডু পুইতে অবস্থিত টেম্পলে এটি অনুষ্ঠিত হবে। গার, এরো ও ভোক্লিউজ থেকে বারোজন ছুরি-নির্মাতা এতে অংশ নেবেন, যাঁদের সবাই পেশাদার এবং এটাই তাঁদের সরকারি পেশা।
ধারণাটি এসেছে সেদ্রিক কুজাঁর মাথা থেকে, যিনি একজন পেশাদার অগ্নিনির্বাপক কর্মী। মোঁতেইয়ের শিকার সমিতির সঙ্গে মিলে তিনি এটি আয়োজন করেছেন। তাঁর কাছে ছুরি নিজের কাজে কাজে লাগে এমন একটি যন্ত্র, আর রান্না তাঁর খুব প্রিয় হওয়ায় এটি রান্নাঘরের মূল সরঞ্জামও বটে। প্রবন্ধ অনুযায়ী, নিমের কাছে মার্গেরিতে প্রতি বছর যে মেলা হয় তা ছাড়া আলেস অঞ্চলে এই ধরনের কোনো সমাবেশ আগে হয়নি।
মোঁতেইয়ে থাকা ছুরি-নির্মাতা ভাঁসাঁ সালেল যেভাবে তাঁর কাজের কথা বলেন, সেটি আমার ভালো লেগেছে। তিনি প্রকৃত কারুশিল্পের কথা বলেন: হাতলে কাঠ, শিং বা কার্বন ফাইবার ব্যবহার করা হয়, আর ইস্পাতের জন্য ড্যামাস্কাস, মাইক্রোবিড বা পালিশের মতো ফিনিশ। এই কাজের সূক্ষ্মতাকে তিনি স্বর্ণকারের কাজের সঙ্গে তুলনা করেন এবং আক্ষেপ করেন যে এই শিল্প হারিয়ে যাওয়ার পথে।
মেলাটি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি, প্রায়ই একক ধরনের জিনিস প্রদর্শন ও বিক্রির জন্য উৎসর্গ করা ছিল। হাতে তৈরি ফলা ও হাতলের প্রতি যাঁদের আগ্রহ আছে, তাঁদের জন্য যাঁরা এগুলো তৈরি করেন তাঁদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার এটি একটি সুযোগ।
সূত্র: Midi Libre