Занимаюсь столяркой несколько лет и недавно наткнулся на заметку, которая расставила всё по полкам. Главное, что я вынес: хорошее изделие держится на трёх опорах — правильной древесине с контролем влажности, осмысленных соединениях и спокойной точности на каждом шаге.
Про влажность для меня было откровением. Я раньше брал доски «как есть», а потом удивлялся, почему столешницу ведёт. Оказалось, нужен материал с влажностью 8–12%, заготовкам надо отлежаться на прокладках 5–10 дней, а в мастерской держать 45–55% влажности. Торец, годовые кольца и косослой расскажут о доске больше, чем красивые фото.
По соединениям всё встало на места: клей склеивает не пустоту, а точные сопряжения — шип-паз, «ласточкин хвост», вставной шип. Саморез лишь вспомогательный фиксатор. Отдельно запомнил: не перетягивать струбцины, иначе клей выдавится и шов через год «пошевелится».
Ну и точность — это базовая плоскость, один измерительный инструмент на весь узел и разметка ножом, а не карандашом. В отделке — шлифовка по лесенке 80→220 и масло, если хочется сохранить живое дерево. Скучные правила, зато работают годами.
৭৫তম ওকাওয়া কাঠশিল্প উৎসব ফুকুওকা প্রিফেকচারের ওকাওয়া শহরে ১০ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এটি উৎসব নির্বাহী কমিটি আয়োজন করে এবং প্রতি বছর প্রায় এই সময়েই হয়।
অনুষ্ঠানস্থলের মধ্যে ওকাওয়া সাংগিয়ো কাইকান রয়েছে, যেখানে শহরের ভেতর ও বাইরের কারিগরদের তৈরি প্রায় ১০,০০০ আসবাবপত্র প্রদর্শন ও বিক্রি করা হবে। ওকাওয়া সাংগিয়ো কাইকানে প্রায় ১৩০টি আসবাবপত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য কোম্পানি টেবিল, সোফা, বিছানা ইত্যাদি বিশেষ দামে প্রদর্শন করছে।
আমার সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে কর্মশালাটি। শিশু-লালন সহায়তা কেন্দ্র «মোক্কালান্ড» ও অন্যান্য জায়গায় আসবাব ও ফিটিংসের কারিগরদের পরামর্শে আপনি নিজেই কুমিকো কোস্টার বা একটি চেয়ার বানাতে পারবেন। কারিগরের হাতে কীভাবে কাঠ একসঙ্গে জোড়া লাগে, তা শেখা আসবাব না কিনতে চাইলেও মজার মনে হবে।
পৌরসভা ভবন, ওকাওয়া চুও পার্কের মাঠ ও অন্যান্য জায়গায় মোট প্রায় ১,৮০০টি বিনামূল্যের পার্কিং স্থান রয়েছে, এবং অনুষ্ঠানস্থল থেকে নিশিতেৎসু ইয়ানাগাওয়া স্টেশনের মতো জায়গাগুলোর মধ্যে শাটল বাস চলাচল করে। জিজ্ঞাসার জন্য নির্বাহী কমিটির সচিবালয়ে ০৯৪৪-৮৭-২১০১ নম্বরে যোগাযোগ করুন। কমিটি দর্শনার্থীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে, বলেছে এটি এমন অনুষ্ঠান যেখানে আসবাব ক্রেতা ও অক্রেতা উভয়েই আনন্দ পেতে পারেন।
সান্তা ফে প্রদেশের এসপেরানসার কাঠমিস্ত্রি এনরিক মেহরিংয়ের কথা নিয়ে একটি প্রতিবেদন পড়লাম, যিনি পোপ চতুর্দশ লিওর জন্য একটি আর্মচেয়ার তৈরিতে সময়ের সঙ্গে দৌড়াচ্ছেন। ৮ নভেম্বর আর্জেন্টিনায় পোপের সফরের সময় লুহান ব্যাসিলিকার উপাসনায় এটি ব্যবহৃত হবে।
অর্ডারটি লুহানের কিছু বন্ধুর মাধ্যমে এসেছিল এবং প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তিনি এটি তৈরি শুরু করেন। তাঁর হাতে রেফারেন্স ছিল মাত্র একটি ছবি এবং কিছু মাপ; ছবিটি ছিল কেবল উদাহরণ, দেখার জন্য যে তিনি অনুরূপ কিছু বানাতে পারেন কি না। “কাজ করতে করতেই বানিয়েছি, যা করেছি তার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে উঠেছে”, তিনি বলেন। আমার মনে হয়, দক্ষ কারিগর কীভাবে কাজ করেন, এটি তার সুন্দর বর্ণনা: নকশায় যা বলা নেই, তা মুহূর্তেই সমাধান করা।
আসবাবটির উচ্চতা ১.২৫ মিটার, গুয়াতামবো ও পারাইসো কাঠে তৈরি এবং হাতে বানানো নর্ডিক শৈলীর। এটি সাদা করডুরয় দিয়ে মোড়ানো হবে এবং সোনালি বিবরণে সাজানো হবে। কাঠামো ইতিমধ্যে প্রস্তুত; বার্নিশ, গদি ও শেষ বিবরণগুলো বাকি, এবং এনরিক বিশ্বাস করেন তিনি সময়মতো শেষ করতে পারবেন।
এনরিক সাধারণত চেয়ার, আর্মচেয়ার ও টেবিল নকশা ও তৈরি করেন, তাই কাজটি তাঁর জন্য বিশেষ জটিল ছিল না। সবচেয়ে বেশি আবেগ জাগায় তাঁর এই ভাবনা যে এসপেরানসায় তৈরি একটি জিনিস এই সফরের স্মারক হিসেবে আর্জেন্টিনায় থেকে যাবে। তিনি যে কোম্পানিতে কাজ করেন, তার ইতিহাসও ৭৪ বছরের।
এ বছর পিয়েরলুইজি ঘিয়ান্দার জন্মের একশো বছর পূর্ণ হচ্ছে। ১৯২৬ সালে বোভিজিও মাসিয়াগোতে জন্ম নেওয়া এই কাঠমিস্ত্রি ২০১৫ সালে প্রয়াত হন, আর সবাই তাঁকে «কাঠের কবি» হিসেবে মনে রাখে। Il Giorno জানাচ্ছে, তাঁর শহর কীভাবে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।
কাঠের কাজ নিয়ে তাঁর ভাবনা আমাকে মুগ্ধ করেছে: তিনি পেরেকের বদলে জোড় লাগিয়ে কাজ করতেন, কারণ তাঁর মতে কাঠকে «আঘাত» করা উচিত নয়। তিনি গাই আউলেন্তি, চিনি বোয়েরি, জিয়ানফ্রাঙ্কো ফ্রাতিনি, এত্তোরে সোত্তসাস ও ভিকো মাজিস্ত্রেত্তির মতো বড় নকশাকারদের সঙ্গে, পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ফ্যাশন হাউসের সঙ্গে কাজ করেছেন।
এই অনুষ্ঠানটি Ville Aperte in Brianza কর্মসূচির অংশ। রাত ৯টায়, ভিয়া লেওনার্দো দা ভিঞ্চি ৬ নম্বরের নাগরিক কেন্দ্রে, শতবর্ষ স্মারক বই «Il Ghianda 100»-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান হবে; বইটি APA Confartigianato Imprese Milano, Monza e Brianza-র সহায়তায় প্রকাশিত। পরদিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ও ১১টায়, কন্যাদের দান করা এবং আলদা মেরিনি পৌরগ্রন্থাগারে সংরক্ষিত পিয়েরলুইজি ঘিয়ান্দা তহবিলে নির্দেশিত পরিদর্শন হবে; আয়োজন করছে Baule Verde APS। বিকাল ৪টায় ৬ থেকে ১০ বছরের শিশুদের জন্য «একটি গাছ বানানোর জন্য» নামে একটি শিল্প কর্মশালা হবে।
হস্তশিল্প যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এটি সুন্দর একটি মনে করিয়ে দেওয়া: ভালোভাবে তৈরি আসবাবের পেছনে থাকে উপাদানের প্রতি সম্মান আর বছরের পর বছরের ধৈর্য।
ক্রাসনোয়ার্স্কের কাঠশিল্পী সেমিওন ক্লিউচান্টসেভের গল্পটি পড়ে আমি এখানে বলতে চাইলাম। তিনি তাইমির অঞ্চলের নোসোক গ্রামে জন্মান, ১৮ বছর বয়সে ক্রাসনোয়ার্স্কে আসেন এবং শৈল্পিক উপকরণ প্রক্রিয়াকরণের প্রকৌশলী হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন। সামরিক সেবার পরে তিনি দীর্ঘদিন কাজ খুঁজে পাননি; এরপর ইউনিভার্সিয়াডের জন্য ভাস্কর্য ঘষতে সাহায্য করেন, এবং এক বছর পরে নিজের কাজ শুরু করে একটি কর্মশালার এক কোণ ভাড়া নেন। তাঁর প্রথম বিনিয়োগকারী ছিলেন তাঁর বাবা, যিনি যন্ত্রপাতির জন্য তাঁকে ৫০ হাজার রুবল দেন।
শুরুতে সেমিওন চারার জন্য বাক্স আর রেস্তোরাঁর জন্য থালাবাসন বানাতেন, পরে আসবাব; মহামারী শুরু হতেই অর্ডার বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় সাত বছর আগে তিনি কাঠের পাখির প্রথম নমুনা তৈরি করেন, যার জন্য তাঁর ভাষ্যমতে কর্মশালায় চার দিন গেছে। ডানা নড়াচড়া করা দ্বিতীয় পাখিটি একটি যন্ত্র নির্মাতার আয়োজিত কারিগরি প্রতিযোগিতায় জেতে, পুরস্কার ছিল একটি যন্ত্র। ২০২০ সালে তিনি কাচা নদীর তীরে ইউদিন স্কোয়ারে একটি শিল্পকর্ম তৈরি করেন: গাছে ঝোলানো ৬০টি পাখি।
এখন তাঁর ব্র্যান্ড জ্যাস্ট্রুগ আসবাব থেকে খেলনার দিকে যাচ্ছে। নয় মাস আগে সেমিওনের একটি মেয়ে হয়েছে, আর শিশুদের জন্য «ভেসনিয়ানকা» নামে একটি পাখি তৈরি হয়েছে, যা বিছানার ওপর ঝোলানো হয়। স্ত্রী ভিক্টোরিয়া ব্যবসা ও গ্রাহক সামলান; তাঁর ভাষ্যমতে বিয়ের পর আয় বেড়েছে।
কারিগরের চিন্তাটি আমার কাছে কাছের মনে হয়: গাছটি ৯০ বছর ধরে বেড়েছে, তাই তা দিয়ে তৈরি জিনিসও অন্তত ততদিন টেকা উচিত। যে মানুষ দামি টেবিল বানাতেন আর অল্পে চলতেন, তিনি এমন কাজ খুঁজে পেয়েছেন যেখানে হস্তশিল্প আর পরিবার একসঙ্গে চলে, এটা দেখতে ভালো লাগে।
সাংহাইয়ের WorldSkills নিয়ে পড়তে গিয়ে ওস্তরোবোটনিয়ার ফিনিশ ক্যাবিনেটমেকার আলেকসান্ডার হাগম্যানের কথা আমার চোখে পড়ল। ৪৮তম এই প্রতিযোগিতা ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এবং ৬৪টি পেশাগত ক্ষেত্রে ৭০টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ১,৪০০ তরুণ অংশ নেয়। ফিনল্যান্ড ২৩ জন প্রতিযোগী পাঠিয়ে একটি স্বর্ণ ও আটটি Medal of Excellence নিয়ে ফিরে আসে।
হাগম্যান ইয়াকোবস্টাডের Optima-তে শিক্ষা নেন এবং এখন নিকার্লেবির DetailWorks-এ কাজ করেন। ক্যাবিনেটমেকিং বিভাগে জোড়ের মান, নকশা বোঝার দক্ষতা, উপকরণ নির্বাচন এবং আসবাবের ফিনিশ, কার্যকারিতা ও শৈলী বিচার করা হয়। তিনি এর আগে ফিনিশ চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ জিতেছিলেন এবং ২০২৫ সালে ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম হয়েছিলেন। প্রতিযোগিতার দুই বছরেরও বেশি আগে প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল একক অনুশীলন, দলগত প্রশিক্ষণ, শিবির এবং ভিলমানস্ট্রান্দে একটি পূর্ণাঙ্গ মহড়া।
কাজটি ছিল একটি ঐতিহ্যবাহী চীনা চা-আলমারি, যার খুলে নেওয়া যায় এমন পরিবেশন ট্রে ছিল এবং ঘোড়ার বছর উদযাপন করতে পাতলা ভেনিয়ারে লেজার-কাটা একটি ঘোড়া দিয়ে সাজানো ছিল। প্রতিযোগিতা শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা পরে কাল্পনিক ক্লায়েন্ট একটি অতিরিক্ত অনুরোধ করেন: ট্রের জন্য একটি সংরক্ষণ বাক্স, তাই পরিকল্পনা মুহূর্তের মধ্যে বদলাতে হয়।
তিনি ২৫ জনের মধ্যে পঞ্চম হন, ব্রোঞ্জ থেকে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে, এবং একটি Medal of Excellence পান। স্বর্ণ পান জার্মানির টোবিয়াস কেলৎস (৭৩১ পয়েন্ট), রুপা তাইপের চি শেং চেন (৭৩০) এবং ব্রোঞ্জ দক্ষিণ টাইরোলের ইয়োনাস ভেন্টার (৭২৭)। ফরাসি বিশেষজ্ঞ তাঁকে ফ্রান্সে চাকরির প্রস্তাবও দেন। আমার মনে হয়, মাত্র কয়েক পয়েন্টের ব্যবধানে পদক-স্থান ঠিক হওয়া পেশাটির মানের কথা অনেক কিছু বলে।
পরবর্তী WorldSkills ২০২৭ সালে ডাসেলডর্ফে অনুষ্ঠিত হবে।
Merkur অনলাইনে একটি চমৎকার গেজেলেনস্টুক (কারিগরি সমাপনী কাজ) চোখে পড়ল: মিউনিখের ২১ বছর বয়সী ফিন হপম্যান তাঁর ওক কাঠের ডেস্ক জমা দিয়েছেন। কয়েক বছর ধরে ব্রুক শপার্কাসের হাউপৎস্ট্রাসে শাখায় শিক্ষানবিশ কাঠমিস্ত্রিদের কাজ এক মাসের জন্য প্রদর্শিত হয়, এবং হপম্যান এইমাত্র নিজের কাজটি সেখানে নিয়ে গেছেন।
এই পেশায় আসার পথ সোজা ছিল না: রিয়ালশুলে পাসের পর তিনি THW-তে এক বছর ফেডারেল স্বেচ্ছাসেবী সেবায় যুক্ত ছিলেন, FOS-এ পড়েছেন, এক বছর আইটি খাতে কাজ করেছেন, এরপর ছাদ-মিস্ত্রি (Zimmerer) হিসেবে প্রশিক্ষণ শুরু করেন। শেষে তিনি আসবাব কাঠমিস্ত্রির (Schreiner) পেশায় যান, এবং বলেন এ সিদ্ধান্তে আজও তিনি অনুতপ্ত নন।
তিনি জার্মেরিংয়ের Lindinger Holztechnik GmbH-তে প্রশিক্ষণ নেন। সেখানে তিনি মেলার স্ট্যান্ড তৈরির পাশাপাশি নিরেট ওক কাঠের বাথরুম আসবাবও তৈরি করেছেন। গেজেলেনস্টুকের জন্যও তিনি ওক বেছে নেন: ডেস্কটি কালোত্তীর্ণ হওয়া চাই, কিন্তু হাতের কাজে কঠিনও হওয়া চাই। এটি বিক্রি হবে না; এটি তাঁর শিক্ষানবিশ জীবনের কথা মনে করিয়ে দেবে।
তাঁর কর্মক্ষেত্র তাঁকে নিজেদের কাছেই রেখেছে। মাস্টার স্কুলে তাড়াহুড়ো না করে তিনি আগে প্রায় পাঁচ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান। নিরাপদ চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয় বলে তিনি এই পেশার প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে চান। আমার ভালো লাগে যে তিনি তাঁর সমাপনী কাজটি রেখে দিচ্ছেন: বাজারের জন্য নয়, নিজের স্মৃতির জন্য বানানো একটি আসবাব।
সম্প্রতি ৪৮তম ওয়ার্ল্ডস্কিলস প্রতিযোগিতার সূক্ষ্ম কাঠশিল্প বিষয়ক একটি প্রতিবেদন পড়লাম, এবং তা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। গুয়াংঝো লাইট ইন্ডাস্ট্রি টেকনিশিয়ান কলেজের প্রতিযোগী ওউ জুয়ান স্বর্ণপদক জিতেছেন এবং চীনা দলকে এই বিষয়ে “টানা তিনবার” জয়ে সহায়তা করেছেন।
সূক্ষ্ম কাঠশিল্প একটি অন্ধ প্রতিযোগিতা: প্রতিযোগীরা শুরুর মাত্র ৪৫ মিনিট আগে আনুষ্ঠানিক নকশা হাতে পান। এবার প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ ত্রিমাত্রিক মডিউল-কাজ চালু হয়েছে: একটি কাঠের বাড়ির সিঁড়ি তৈরি করতে হয়েছে, যেখানে সোজা জোড়, ডভটেল ও ভেতরের জোড়, এই তিন ধরনের জোড় ব্যবহার করতে হয়েছে। প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিক নকশায় মাপের ত্রুটি ধরা পড়ে, ফলে সব প্রতিযোগীর সময় শূন্য করে আবার শুরু করতে হয়। ওউ প্রথমে ভেবেছিলেন তিনি নিজে ভুল এঁকেছেন, তাতে তাঁর মন বিচলিত হয়েছিল; কিন্তু নিশ্চিত হওয়ার পর যে ভুল তাঁর নয়, তিনি আবার স্থির হন।
তিনি ৪ দিন ২২ ঘণ্টায় সব মডিউল শেষ করেন। তাঁর কাজটি হাতল সহ নিরেট কাঠের সিঁড়ি, যেখানে পেরেক বা স্ক্রু ছাড়াই শুধু জোড়ের সাহায্যে সবকিছু ধরে রাখা হয়েছে। স্কোরিং অনুযায়ী পূর্ণ নম্বর পেতে সিঁড়ির জোড়ের ফাঁক ০.২ মিমির মধ্যে রাখতে হতো, যা প্রায় দুটি A4 কাগজের পুরুত্বের সমান। বিচারের সময় বাইরের অনেক জোড় ০.২ মিমির মধ্যেই ছিল, এবং কিছু জায়গায় ফিলার গেজও ঢুকল না।
তিনি ২০২১ সালে কাঠশিল্প দলে যোগ দেন, করাত, রাঁদা ও বাটালি দিয়ে শুরু করেন এবং প্রায় এক বছর মৌলিক বিষয়গুলো অনুশীলন করেন। সিঁড়ি ছিল তাঁর দুর্বল দিক, কারণ এতে শক্তিশালী স্থানিক চিন্তা এবং কোণ ও ত্রিকোণমিতির অনেক হিসাব লাগে। তাঁর প্রশিক্ষক হুয়াং বোলিন ৪৭তম প্রতিযোগিতায় সূক্ষ্ম কাঠশিল্পে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন, এবং তিনি বলেছেন এবারের বিষয় সম্পূর্ণ গোপন ছিল এবং কঠিনতা স্পষ্টভাবে বেড়েছে।
আমার সবচেয়ে ভালো লাগে এই খুঁটিনাটি: যত নিখুঁতই হোক না কেন, কাজটি তৈরি হয় সবচেয়ে মৌলিক কাজ, করাত চালানো, রাঁদা দেওয়া ও বাটালি চালানো, এসব দিয়ে ধাপে ধাপে। ওউ বলেছেন, তিনি কাঠশিল্প নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাবেন এবং তাঁর অভিজ্ঞতা তরুণদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন।
আইওয়ার আমানা কলোনিজে ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার পঞ্চম বার্ষিক Handworks কাঠের কাজের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং KCRG-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী গরমও মানুষকে দূরে রাখতে পারেনি। দর্শনার্থী ও বিক্রেতারা সবাই ঠান্ডা থাকার উপায় খুঁজে নিয়েছিলেন।
ওহায়োর ক্লিভল্যান্ডের কাঠের পণ্যের বিক্রেতা নেট হোমোলকা বলেন, আইওয়ার গরমের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁর একটু সময় লেগেছে। তাই তিনি পানীয় জলকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন এবং যাকে তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পানির বোতল বলেন, তা সঙ্গে এনেছিলেন। তিনি আরও যোগ করেন, বিক্রেতাদের ছায়াযুক্ত তাঁবু না থাকলে তিনি এয়ার কন্ডিশনের খোঁজে চলে যেতেন।
আইওয়ায় বাস করা সোনিয়া পার্সন্স দিনের সবচেয়ে গরম সময় এড়াতে পরিবারের সঙ্গে ভোরেই এসেছিলেন। ফেস্ট হলে তাঁরা অনুষ্ঠানসূচিকে পাখার মতো ব্যবহার করেছেন, আর তিনি বলেন, সন্তানদের জন্য হাতে-কলমে কাঠের কাজের অভিজ্ঞতাকে তিনি মূল্যবান মনে করেন।
এই ছোট গল্পে আমার ভালো লাগে এর সাধারণত্ব: একটি কারুশিল্প মেলা, একটি গরম শনিবার, আর তবুও কাছ থেকে যন্ত্রপাতি ও কাঠের কাজ দেখতে আসা মানুষজন। এতে বোঝা যায়, আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও হাতে তৈরি কাঠের কাজের প্রতি সত্যিকারের আগ্রহ আছে।
Popular Woodworking একটি পুরোনো Stanley নং ২২০ ব্লক প্ল্যানারকে আবার চালু করার সিরিজ শুরু করেছে, এবং প্রথম পর্বটি এমন একটি ধাপের ব্যবহারিক আলোচনা, যা অনেকেই এড়িয়ে যান: তলাকে সমতল করা।
লেখক Yoav Liberman লেখার কয়েক সপ্তাহ আগে প্ল্যানারটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন। সামনের কাঠের হাতল এবং ডাই-কাস্ট অ্যালুমিনিয়ামের লিভার ক্যাপ দেখে মনে হয় এটি ১৯৬০ বা ১৯৭০-এর দশকের। এতে সামনে-পেছনে গভীরতা সমন্বয় আছে, কিন্তু পাশের সমন্বয় লিভার নেই, এবং বছরের পর বছর যত্নহীন ব্যবহারে তলাটি বেশ বাঁকা হয়ে গিয়েছিল। তিনি কিছু পটভূমিও দেন: নং ২২০-এর বেড কোণ ২০ ডিগ্রি এবং এতে সমন্বয়যোগ্য থ্রোট প্লেট নেই; নং ৯ ১/২-এরও একই বেড কোণ, তবে সমন্বয়যোগ্য থ্রোট ও পাশের সমন্বয় আছে; এবং নং ৬০ ১/২-এর বেড কোণ ১২ ডিগ্রি, একই প্রিমিয়াম সুবিধাসহ।
পদ্ধতিটি সহজ। জানালা বা অন্য পরোক্ষ আলোর বিপরীতে স্ট্রেটএজ দিয়ে তলা পরীক্ষা করুন। তারপর ব্লেড লাগিয়ে ধারটি পুরোপুরি ভিতরে টেনে নিন এবং লিভার ক্যাপ স্বাভাবিক কাজের টানে আঁটুন, কারণ খালি বডি ল্যাপ করলে পরে ক্যাপ আঁটার সময় ঢালাই লোহা বেঁকে আকৃতি বদলে যেতে পারে। পানি দিয়ে ১২০ গ্রিটের ডায়মন্ড পাথরে ল্যাপ করুন, প্ল্যানারটি বারবার উল্টান এবং স্ক্র্যাচের প্যাটার্ন দেখতে তলা মুছুন। এরপর ২২০ গ্রিটের দিকে যান এবং দ্বিমুখী পাথরের ৩৬০ গ্রিটের দিকে শেষ করুন।
তাঁর বাস্তবসম্মত লক্ষ্যটি আমার ভালো লেগেছে। ডগা, গোড়ালি এবং মুখের ঠিক সামনে ও পেছনের তলগুলো একই সমতলে থাকা দরকার, আর অন্য জায়গার ছোট নিচু অংশগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয়; তাই প্রায় ৯৫ শতাংশ তল সমানভাবে ল্যাপ হলে তিনি থেমে যান। ডায়মন্ড পাথর ছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, গ্রানাইট প্লেটে বা টেবিল-করাতের ডানায় আটকানো ভেজা-শুকনো স্যান্ডপেপারও কাজ করতে পারে।
ধার ও থ্রোট নিয়ে ২য় পর্বটি এখনো আসেনি, আমি তার অপেক্ষায় থাকব।
দামিয়েটায় আসবাব উৎপাদন নিয়ে একটি দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পড়লাম, এবং সবচেয়ে বেশি যা আমাকে নাড়া দিল তা হলো, কারিগরেরা দাদুদের কাছ থেকে যে হস্তশিল্প উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছেন, তা কীভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পব্যবস্থায় রূপ নিচ্ছে। দামিয়েটা ফার্নিচার সিটি নীল নদের ব-দ্বীপের শাতা এলাকায় অবস্থিত, যেখানে আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সড়ক পোর্ট সাঈদ–দামিয়েটা সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। এটি প্রায় ৩৩১ ফেদ্দান জমি জুড়ে বিস্তৃত এবং মধ্যপ্রাচ্যের আসবাব ও সংশ্লিষ্ট শিল্পে বিশেষায়িত প্রথম ও বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল হিসেবে বর্ণিত।
শহরে ৫৪টি হ্যাঙ্গার আছে, যেগুলোতে প্রায় ১,৩৪৮টি কারখানা ও কর্মশালা রয়েছে, এ ছাড়া একটি আসবাব প্রযুক্তি কেন্দ্র, ছোট কারিগরদের সেবা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় কর্মশালা, দোকান, প্রশাসনিক অফিস, একটি ব্যাংক, একটি থানা, একটি অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র এবং একটি চিকিৎসা ক্লিনিক। ধারণাটি হলো, কারিগর তার প্রয়োজনের প্রায় সবকিছু এক জায়গায় পাবেন, কর্মশালা থেকে বিপণন পর্যন্ত।
স্থানগুলোর আয়তন প্রতিটি আকারের জন্য উপযুক্ত করে ঠিক করা। ১,০০০ থেকে ১০,০০০ বর্গমিটারের ৭৫টি বিশেষায়িত কারখানা আছে, আর একটি ছোট কর্মশালা ১০০ থেকে ১৫০ বর্গমিটারের। ছোট ও মাঝারি কর্মশালা প্রায় ৭২.১ ফেদ্দান, বড় কারখানা প্রায় ৫০ ফেদ্দান, প্রদর্শনী কমপ্লেক্স প্রায় ২০.৯ ফেদ্দান এবং আঠা, রং, স্পঞ্জ ও আনুষঙ্গিক জিনিস নিয়ে সহায়ক শিল্প কমপ্লেক্স প্রায় ৯.৭৬ ফেদ্দান জায়গা দখল করে আছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দৃষ্টিভঙ্গি পরিকল্পনামন্ত্রী আহমেদ রোস্তমের উপস্থাপিত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনার দলিলের ওপর ভিত্তি করে, যা পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ অনুমোদন করেছে। লক্ষ্য হলো সম্প্রসারণ ও রপ্তানি, এবং ‘দামিয়েটা ফার্নিচার’-কে একটি পরিচিত নাম থেকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম একটি মিশরীয় ব্র্যান্ডে রূপান্তর করা। ঐতিহ্যবাহী কাঠের কাজ এমন মনোযোগ পাচ্ছে দেখে ভালো লাগছে, আর আশা করি এই উন্নয়নের কেন্দ্রে হাতের দক্ষতা অটুট থাকবে।