ফারো দ্বীপপুঞ্জের সমুদ্রতলের সুড়ঙ্গ, যার ভেতরে ফিয়র্ডের নিচে ৭২ মিটারে একটি রাউন্ডঅ্যাবাউট
ভ্রমণের কিছু তথ্য অনেকক্ষণ মাথায় ঘোরে, আর Diario del Viajero-র এই খবরটি তেমনই একটি: ফারো দ্বীপপুঞ্জে সমুদ্রতলের একটি সুড়ঙ্গের ভেতরে একটি রাউন্ডঅ্যাবাউট আছে। সুড়ঙ্গটির নাম Eysturoyartunnilin, যা Streymoy দ্বীপের Tórshavn-কে Eysturoy দ্বীপের Runavík ও Strendur-এর সঙ্গে যুক্ত করে।
সংখ্যাগুলো চমকপ্রদ। সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ১১,২৪০ মিটার এবং এটি তিনটি শাখায় ভাগ হয়েছে: Hvítanes থেকে রাউন্ডঅ্যাবাউট পর্যন্ত ৭,৪৬০ মিটার, Saltnes-এর দিকে ২,১৫৩ মিটার এবং Strendur-এর দিকে ১,৬২৫ মিটার। সবচেয়ে গভীর বিন্দু সমুদ্রপৃষ্ঠের ১৮৭ মিটার নিচে, আর রাউন্ডঅ্যাবাউটটি ফিয়র্ডের পৃষ্ঠের ৭২.৬ মিটার নিচে। প্রস্থচ্ছেদের প্রস্থ ১০.৫ মিটার, দুই লেনের সড়ক ৭ মিটার চওড়া, আর কোনো ঢাল ৫ শতাংশের বেশি নয়।
প্রকল্পটির খরচ ১.৩ বিলিয়ন ডেনিশ ক্রোনার, প্রায় ১৭ কোটি ৪০ লক্ষ ইউরো, যা ফারোর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামো বিনিয়োগ। সুইডিশ নির্মাতা NCC-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, সমুদ্রতলের নিচে দুই দিকের খননকারী দল মেলে ৭ জুন ২০১৯, আর সুড়ঙ্গটি উদ্বোধন হয় ১৯ ডিসেম্বর ২০২০। মাঝখানে Tróndur Patursson-এর প্রায় ৮০ মিটার উঁচু একটি ইস্পাতের ভাস্কর্য সেই প্রাকৃতিক পাথরের স্তম্ভটিকে ঘিরে রেখেছে, যার নামেই রাউন্ডঅ্যাবাউটের নাম।
ভ্রমণকারীর জন্য ব্যবহারিক কথা হলো, এটি চালু থাকা সড়ক, তাই ছবি তোলার জন্য থামা যায় না। নিবন্ধ অনুযায়ী প্রতি যাত্রায় টোল প্রায় ২৩ ইউরো। এর বদলে Tórshavn থেকে Runavík বা Strendur যাওয়ার পথ ৫৫ কিলোমিটার থেকে ১৭ কিলোমিটারে এবং ৬৪ মিনিট থেকে ১৬ মিনিটে নেমে এসেছে, আর Tórshavn থেকে Klaksvík যাওয়ার সময় ৬৮ মিনিট থেকে ৩৬ মিনিট হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিদিন প্রায় ৬,৪০০টি গাড়ি এখান দিয়ে গেছে।
লেখায় একটি মজার তথ্যও আছে: নরওয়ের ২৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ Rogfast সুড়ঙ্গ, যা ২০৩৩ সালের গ্রীষ্মে খোলার পরিকল্পনা রয়েছে, সেটি না খোলা পর্যন্ত এটিই হবে বিশ্বের একমাত্র সমুদ্রতলের সুড়ঙ্গের রাউন্ডঅ্যাবাউট। প্রায় ৫৫ হাজার মানুষের একটি দেশ একটি প্রকল্পে দৈনন্দিন জীবন কতটা বদলে দিয়েছে, সেটি আমার ভালো লাগে।
সূত্র: Diario del Viajero
সংখ্যাগুলো চমকপ্রদ। সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ১১,২৪০ মিটার এবং এটি তিনটি শাখায় ভাগ হয়েছে: Hvítanes থেকে রাউন্ডঅ্যাবাউট পর্যন্ত ৭,৪৬০ মিটার, Saltnes-এর দিকে ২,১৫৩ মিটার এবং Strendur-এর দিকে ১,৬২৫ মিটার। সবচেয়ে গভীর বিন্দু সমুদ্রপৃষ্ঠের ১৮৭ মিটার নিচে, আর রাউন্ডঅ্যাবাউটটি ফিয়র্ডের পৃষ্ঠের ৭২.৬ মিটার নিচে। প্রস্থচ্ছেদের প্রস্থ ১০.৫ মিটার, দুই লেনের সড়ক ৭ মিটার চওড়া, আর কোনো ঢাল ৫ শতাংশের বেশি নয়।
প্রকল্পটির খরচ ১.৩ বিলিয়ন ডেনিশ ক্রোনার, প্রায় ১৭ কোটি ৪০ লক্ষ ইউরো, যা ফারোর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামো বিনিয়োগ। সুইডিশ নির্মাতা NCC-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, সমুদ্রতলের নিচে দুই দিকের খননকারী দল মেলে ৭ জুন ২০১৯, আর সুড়ঙ্গটি উদ্বোধন হয় ১৯ ডিসেম্বর ২০২০। মাঝখানে Tróndur Patursson-এর প্রায় ৮০ মিটার উঁচু একটি ইস্পাতের ভাস্কর্য সেই প্রাকৃতিক পাথরের স্তম্ভটিকে ঘিরে রেখেছে, যার নামেই রাউন্ডঅ্যাবাউটের নাম।
ভ্রমণকারীর জন্য ব্যবহারিক কথা হলো, এটি চালু থাকা সড়ক, তাই ছবি তোলার জন্য থামা যায় না। নিবন্ধ অনুযায়ী প্রতি যাত্রায় টোল প্রায় ২৩ ইউরো। এর বদলে Tórshavn থেকে Runavík বা Strendur যাওয়ার পথ ৫৫ কিলোমিটার থেকে ১৭ কিলোমিটারে এবং ৬৪ মিনিট থেকে ১৬ মিনিটে নেমে এসেছে, আর Tórshavn থেকে Klaksvík যাওয়ার সময় ৬৮ মিনিট থেকে ৩৬ মিনিট হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিদিন প্রায় ৬,৪০০টি গাড়ি এখান দিয়ে গেছে।
লেখায় একটি মজার তথ্যও আছে: নরওয়ের ২৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ Rogfast সুড়ঙ্গ, যা ২০৩৩ সালের গ্রীষ্মে খোলার পরিকল্পনা রয়েছে, সেটি না খোলা পর্যন্ত এটিই হবে বিশ্বের একমাত্র সমুদ্রতলের সুড়ঙ্গের রাউন্ডঅ্যাবাউট। প্রায় ৫৫ হাজার মানুষের একটি দেশ একটি প্রকল্পে দৈনন্দিন জীবন কতটা বদলে দিয়েছে, সেটি আমার ভালো লাগে।
সূত্র: Diario del Viajero
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন