خبر جميل لمحبي السفر والمغامرة: انطلقت في وادي رم جنوب الأردن فعالية دولية تجمع بين القفز الحر من المناطيد والرياضات الجوية والتصوير من الجو.
يشارك فيها نحو 16 قافزاً وطيار باراموتور ومصوراً ومتخصصاً من عدد من الدول الأوروبية، واستمرت حتى 10 أكتوبر/تشرين الأول. وهي الأولى من نوعها في المنطقة، مستفيدة من الطبيعة الصحراوية والتكوينات الصخرية المميزة لوادي رم، أحد أبرز مواقع السياحة الطبيعية والمغامرات في جنوب الأردن.
نظّمت الفعالية سلطة منطقة العقبة الاقتصادية الخاصة بالتعاون مع شركة "Balloons Over Rum" وعدد من الأندية الأوروبية المتخصصة في الرياضات الجوية والقفز المظلي. البرنامج شمل القفز الحر من المناطيد ورياضة الباراموتور، إلى جانب التصوير الفوتوغرافي والمرئي من الجو.
ما أعجبني في الفكرة أنها لا تتوقف عند الصحراء: الزيارة تهدف أيضاً إلى تعريف المشاركين بمقومات العقبة السياحية، وربط تجربة وادي رم الصحراوية والجوية بالعقبة، ضمن ما يُعرف في جنوب الأردن بـ"المثلث الذهبي" الذي يضم العقبة ووادي رم ومدينة البتراء الأثرية.
لمن يخطط لرحلة إلى الأردن، يبدو أن الجمع بين الثلاثة في مسار واحد هو الطريقة الأذكى لرؤية الجنوب: البحر في العقبة، والصحراء في وادي رم، والتاريخ في البتراء.
المصدر: CNN بالعربية
বিদেশী দেশে বসবাস করা একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা, যা আপনাকে নিজের সম্পর্কে অনেক কিছু শেখায়, কিন্তু এটা সহজ নয়। আমি বিভিন্ন দেশে থেকেছি: স্পেন, আমেরিকা এবং ফ্রান্স, এবং আট মাস ভিয়েতনামে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছি। এই অভিজ্ঞতা থেকে আমি কিছু পরামর্শ পেয়েছি, যা আগে জানতে পারলে আমার জন্য ভালো হতো।
প্রথমত, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্ত প্রশাসনিক কাজ শেষ করে ফেলুন। প্রথম কয়েক সপ্তাহ অফিসে, ভিসা এবং ব্যাংক সংক্রান্ত কাজে কাটে, এবং যতক্ষণ না আপনি এই পর্ব শেষ করেন, ততক্ষণ আপনি কিছুই উপভোগ করতে পারবেন না। এরপর, মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং দেখুন: কোনো কিছু বিচার করবেন না বা আপনার দেশের সাথে তুলনা করবেন না, কারণ পরিবর্তন আপনার মধ্যে হওয়া উচিত, পরিবেশের নয়।
অনেকের একটি ভুল হয়, সেটি হলো শুধুমাত্র নিজেদের দেশের মানুষের সাথে থাকা। এটা হয়তো আরামদায়ক, কিন্তু এটি আপনাকে আপনার নিজস্ব জগতে আবদ্ধ করে রাখে এবং আপনি সেই জায়গাটি বুঝতে বেশি সময় নেন। স্থানীয়দের সাথে সময় কাটানোর পরিকল্পনা করুন, Meetup বা Couchsurfing-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করুন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভাষা শিখুন: এটি এমন একটি চাবি যা মানুষের আপনার প্রতি মনোভাব পরিবর্তন করে দেয়।
সবকিছু সুন্দর নয়—সাংস্কৃতিক ধাক্কা একসময় না একসময় আসে—কিন্তু ধৈর্য এবং নতুন বন্ধুদের সাথে, এই অনুভূতি ধীরে ধীরে কমে যায়। শেষ পর্যন্ত, আপনার স্বাচ্ছন্দ্য зону থেকে বেরিয়ে আসা আপনার নেওয়া সেরা সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে।
উৎস: এল ভিয়াজে দে মি ভিদা (আমার জীবনের যাত্রা)।
ভ্রমণের কিছু তথ্য অনেকক্ষণ মাথায় ঘোরে, আর Diario del Viajero-র এই খবরটি তেমনই একটি: ফারো দ্বীপপুঞ্জে সমুদ্রতলের একটি সুড়ঙ্গের ভেতরে একটি রাউন্ডঅ্যাবাউট আছে। সুড়ঙ্গটির নাম Eysturoyartunnilin, যা Streymoy দ্বীপের Tórshavn-কে Eysturoy দ্বীপের Runavík ও Strendur-এর সঙ্গে যুক্ত করে।
সংখ্যাগুলো চমকপ্রদ। সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ১১,২৪০ মিটার এবং এটি তিনটি শাখায় ভাগ হয়েছে: Hvítanes থেকে রাউন্ডঅ্যাবাউট পর্যন্ত ৭,৪৬০ মিটার, Saltnes-এর দিকে ২,১৫৩ মিটার এবং Strendur-এর দিকে ১,৬২৫ মিটার। সবচেয়ে গভীর বিন্দু সমুদ্রপৃষ্ঠের ১৮৭ মিটার নিচে, আর রাউন্ডঅ্যাবাউটটি ফিয়র্ডের পৃষ্ঠের ৭২.৬ মিটার নিচে। প্রস্থচ্ছেদের প্রস্থ ১০.৫ মিটার, দুই লেনের সড়ক ৭ মিটার চওড়া, আর কোনো ঢাল ৫ শতাংশের বেশি নয়।
প্রকল্পটির খরচ ১.৩ বিলিয়ন ডেনিশ ক্রোনার, প্রায় ১৭ কোটি ৪০ লক্ষ ইউরো, যা ফারোর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামো বিনিয়োগ। সুইডিশ নির্মাতা NCC-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, সমুদ্রতলের নিচে দুই দিকের খননকারী দল মেলে ৭ জুন ২০১৯, আর সুড়ঙ্গটি উদ্বোধন হয় ১৯ ডিসেম্বর ২০২০। মাঝখানে Tróndur Patursson-এর প্রায় ৮০ মিটার উঁচু একটি ইস্পাতের ভাস্কর্য সেই প্রাকৃতিক পাথরের স্তম্ভটিকে ঘিরে রেখেছে, যার নামেই রাউন্ডঅ্যাবাউটের নাম।
ভ্রমণকারীর জন্য ব্যবহারিক কথা হলো, এটি চালু থাকা সড়ক, তাই ছবি তোলার জন্য থামা যায় না। নিবন্ধ অনুযায়ী প্রতি যাত্রায় টোল প্রায় ২৩ ইউরো। এর বদলে Tórshavn থেকে Runavík বা Strendur যাওয়ার পথ ৫৫ কিলোমিটার থেকে ১৭ কিলোমিটারে এবং ৬৪ মিনিট থেকে ১৬ মিনিটে নেমে এসেছে, আর Tórshavn থেকে Klaksvík যাওয়ার সময় ৬৮ মিনিট থেকে ৩৬ মিনিট হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিদিন প্রায় ৬,৪০০টি গাড়ি এখান দিয়ে গেছে।
লেখায় একটি মজার তথ্যও আছে: নরওয়ের ২৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ Rogfast সুড়ঙ্গ, যা ২০৩৩ সালের গ্রীষ্মে খোলার পরিকল্পনা রয়েছে, সেটি না খোলা পর্যন্ত এটিই হবে বিশ্বের একমাত্র সমুদ্রতলের সুড়ঙ্গের রাউন্ডঅ্যাবাউট। প্রায় ৫৫ হাজার মানুষের একটি দেশ একটি প্রকল্পে দৈনন্দিন জীবন কতটা বদলে দিয়েছে, সেটি আমার ভালো লাগে।
সূত্র: Diario del Viajero
ছুটিতে বিদেশে বা বাড়ি যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে, বুক বোতাম চাপার আগে The Points Guy-এর সর্বশেষ লেখাটি পড়ে নেওয়া ভালো। সিনিয়র অ্যাভিয়েশন রিপোর্টার Sean Cudahy জানাচ্ছেন, ইরানের যুদ্ধ বিশ্বের তেলের দাম বাড়ানোর পর থেকে বিমান ভাড়া গড়ে ২৩% বেড়েছে। Hopper-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩১% দামি, আর বড়দিন ও নববর্ষের ভাড়া আগের ছুটির মৌসুমের তুলনায় গড়ে প্রায় ২৩% বেশি।
পরামর্শটি সরল। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বুক করুন, তবে ভাড়া কমলে যাতে পুনরায় বুক করা যায়, সেই সুযোগ রাখুন। বেশিরভাগ বড় এয়ারলাইন পরিবর্তন বা বাতিলের সুযোগ দেয়, তাই যেসব বেসিক ভাড়া এসব সীমিত করে সেগুলো এড়ানোই ভালো। কিছু AI-চালিত ভাড়া-ট্র্যাকিং টুল কেনার পর দাম কমলে সাশ্রয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত আনতে পারে। TPG-এর Points Path-এর সঙ্গে করা ট্র্যাকিং অনুযায়ী আগস্ট থেকে দাম উঁচু কিন্তু মোটামুটি স্থির রয়েছে, অথচ গত বছর ছুটির আগের শেষ কয়েক সপ্তাহে নগদ ও মাইল দুই ধরনের ভাড়াই হঠাৎ বেড়েছিল।
ভ্রমণের তারিখও বুকিংয়ের তারিখের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের জন্য সোমবার ২৩ নভেম্বর সবচেয়ে সস্তা প্রস্থান দিন, এবং ফিরতি যাত্রা ব্ল্যাক ফ্রাইডে বা তার পরের মঙ্গলবারে রাখা যায়। রবিবার ২৯ নভেম্বর সম্ভবত সবচেয়ে দামি, ব্ল্যাক ফ্রাইডের চেয়ে প্রায় ৪০% বেশি। বড়দিন ও নববর্ষের জন্য বড়দিনের আগে ও পরের সপ্তাহান্ত এবং রবিবার ৩ জানুয়ারি সবচেয়ে দামি হওয়ার আশা করা হচ্ছে, আর বড়দিনের আশেপাশের কর্মদিবসগুলো সাধারণত সবচেয়ে সস্তা।
লেখায় আরও বলা হয়েছে, আবহাওয়াজনিত ব্যাঘাতে এয়ারলাইনগুলো প্রায়ই হোটেল, খাবার বা ট্যাক্সির খরচ বহন করে না, এবং এ মাসে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন ফেডারেল নিয়ম যান্ত্রিক বিলম্বের ক্ষতিপূরণ সীমিত করতে পারে। ২০২৬ সালে ফ্লাইট বাতিল চার বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাই ভ্রমণ সুরক্ষাযুক্ত ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বুক করা এবং বছর শেষ হওয়ার আগে মেয়াদ ফুরোতে থাকা এয়ারলাইন বা হোটেলের ক্রেডিট ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।
আমার কাছে সবচেয়ে কাজের কথা ছিল Google Flights বা Kayak-এর মতো টুলে তারিখ, বিমানবন্দর এমনকি গন্তব্যও তুলনা করার অনুস্মারক, আগে পরিকল্পনা পাকা করে পরে দামের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বদলে। আপনি যদি বিদেশে থাকেন এবং প্রতি বছর বাড়ি যান, তাহলে এই কয়েক দিনের বাড়তি নমনীয়তা যেকোনো কুপনের চেয়ে বেশি পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
সূত্র: The Points Guy
জাপানের শিকোকু দ্বীপের তোকুশিমা প্রিফেকচারের পাহাড়ে এমন একটি গ্রাম আছে, যা দূর থেকে যেকোনো সাধারণ গ্রামের মতোই লাগে: স্কুলের হলঘরে জড়ো হওয়া শিশুরা, বাগান দেখাশোনা করা মায়েরা, বাসস্টপে বাসের অপেক্ষায় থাকা বয়স্ক মানুষ। কাছে গেলে বোঝা যায়, এরা সবাই পুতুল। এটাই নাগোরো, যা VnExpress ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবর তাদের ভ্রমণ বিভাগে তুলে ধরেছিল।
গ্রামটিকে «খড়ের পুতুলের গ্রাম» বলা হয়, কারণ এখানে বাসিন্দার চেয়ে পুতুল বেশি। এখন মাত্র প্রায় ৩০ জন মানুষ বাস করেন, অথচ কাপড়ে তৈরি প্রায় ৩৫০টি মূর্তি আছে, নানা আকারের, যা প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের রোজকার কাজ দেখায়, যেমন ধানখেতে কাজ করা বা কুয়োর পাশে গল্প করা। এর কারণ শহরে স্থানান্তর আর জনসংখ্যার বয়স বাড়া। শিশু কম থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেছে, আর এখন পুতুলরা স্কুলের বেঞ্চে বসে আছে।
গল্পটা প্রায় ৩০ বছর আগে শুরু হয়, যখন বাসিন্দা সুকিমি আয়ানো পরিবারের ধানখেতের জন্য একটি খড়ের পুতুল বানান এবং খড়ের বদলে বাবার পুরনো জামাকাপড় ব্যবহার করেন। মূর্তিগুলোকে প্রায়ই আসল মানুষ ভেবে ভুল হতো বলে তিনি আরও বানান, আলাদা পোশাক ও ভঙ্গিতে, আর অন্য বাসিন্দারাও যোগ দেন। শিকোকু পর্যটন সংস্থার মতে, প্রতিটি মূর্তির নাম, ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব গল্প নিবন্ধিত আছে। মিসেস সুকিমি বলেন: «পুতুল বানানো ছিল আমার শখ। আমার শখ যে এমন কিছুতে পরিণত হবে, তা কখনো ভাবিনি।»
নাগোরোর গুগলে ১,০০০ এর বেশি রিভিউ আছে। অনেক দর্শক একে অনন্য গন্তব্য মনে করেন, আবার কেউ কেউ এর নিঃশব্দ পরিবেশকে, বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে, একটু ভুতুড়ে মনে করেন। কাছাকাছি আছে ওকু-ইয়ার দ্বিগুণ লতার সেতু, ১,৯০০ মিটারের বেশি উঁচু সুরুগি পর্বত, ওবোকে গিরিখাত এবং পুরনো ওচিয়াই গ্রাম।
আমার ব্যক্তিগত মনে হয়, জাপানের গ্রামাঞ্চল ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, এই বাস্তবতাকে দেখার এটি একটি বিশেষ উপায়।
সূত্র: VnExpress
কিছু ভ্রমণ-সংবাদ সকাল সকালই মুখে হাসি ফোটায়, এবং NiT-র এই গল্পটি তেমনই একটি। ৮৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ দাদি মানোলিতা সবসময় রোম দেখার স্বপ্ন দেখতেন, আর তাঁর নাতি জর্ডি রদ্রিগেস মোরেনো, যিনি তাঁর সঙ্গে বানানো ভিডিওর জন্য পরিচিত কনটেন্ট নির্মাতা, সেই ইচ্ছে পূরণের সিদ্ধান্ত নেন।
এই ভ্রমণের আলাদা গুরুত্ব আছে: এটি মানোলিতার প্রথম বিমানযাত্রা এবং স্পেনের বাইরে যাওয়ার প্রথম সুযোগ। স্বপ্নের মধ্যে ছিল শহরের রাস্তায় হাঁটা, স্থানীয় খাবার চাখা আর ভ্যাটিকান দেখা। লেখাটি প্রকাশের এক সপ্তাহ আগে জর্ডি আবেগপ্রবণ একটি ভিডিওতে ভ্রমণের ঘোষণা দেন।
এরপরের কয়েকদিন তিনি ছোট ছোট মুহূর্ত ভাগ করে নেন: বিমানে তাঁর ছবি, হোটেলে, রোমে প্রথমবার কার্বনারা খাওয়া এবং কলোসিয়াম ঘোরা। ভ্যাটিকান যাওয়া আর শহর ধীরেসুস্থে দেখার পরিকল্পনাও ছিল। লেখায় ভ্রমণের তারিখ, সময়কাল বা খরচের কথা নেই, তাই আমি গল্পের মূল কথাটুকুই তুলে ধরছি।
যা মন ছুঁয়ে যায় তা হলো এর সরলতা। এটি বিলাসবহুল সফর নয়, সঞ্চয়ের কৌশলের তালিকাও নয়; ৮৯ বছর বয়সে এক মানুষ দশকের পর দশক ধরে বুকে লালন করা একটি প্রথম অভিজ্ঞতা বাঁচছেন। যাঁরা বিদেশে থাকেন বা বাড়ি থেকে দূরে বয়স্ক আত্মীয় আছেন, তাঁদের জন্য এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে যে ভ্রমণ পিছিয়ে রেখেছেন, তা শুরু করতে কখনও দেরি হয় না।
আপনার দাদু-দিদা বা বাবা-মায়ের যদি কোনো স্বপ্নের গন্তব্য থাকে, তবে হয়তো এটাই জিজ্ঞেস করার সুযোগ যে তাঁরা কোথায় যেতে চান।
সূত্র: NiT
বার্সেলোনায় প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পর্যটক আসে, যা শহরের জনসংখ্যার প্রায় দশ গুণ। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে অতিষ্ঠ, এবং সাম্প্রতিক বছরের কিছু প্রতিবাদ ভিড়ের জায়গায় পর্যটকদের ওপর প্লাস্টিকের জলের পিস্তল দিয়ে জল ছোড়ার রূপ নিয়েছিল। detikTravel The Independent-এর উদ্ধৃতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দিয়েছে, তাতে জানা যায়, শহরটি এখন একটি নতুন পদ্ধতি পরীক্ষা করছে, যার অগ্রগতি অনুসরণ করা আমার কাছে আগ্রহজনক মনে হয়।
বিদ্যমান নিয়মগুলো বেশ কঠোর। ২০১৫ সাল থেকে শহরের কেন্দ্রে নতুন হোটেল নির্মাণ নিষিদ্ধ, ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় ১০,০০০ স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার লাইসেন্স বাতিল করার কথা, এবং ২০২৯ সালের মধ্যে ক্রুজ জাহাজের টার্মিনাল সাতটি থেকে কমিয়ে পাঁচটি করা হবে। পর্যটক কর বর্তমানে প্রতি রাতে ১২ ইউরো এবং ২০২৯ সালে তা ১৫ ইউরোতে বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে।
নতুন পদ্ধতিটি প্রচারের দিকে। পর্যটন পর্ষদ তাদের প্রচারাভিযানের নাম "Visit Barcelona" থেকে বদলে "This is Barcelona" করেছে। এই প্ল্যাটফর্ম ইতিহাস, স্থানীয় ঐতিহ্য, পরিবহন ও প্রবেশযোগ্যতা সম্পর্কে তথ্য দেয় এবং ব্যবহারকারীর আগ্রহ অনুযায়ী জায়গা সুপারিশ করে, ঠিক যেমন Netflix দেখার মতো কিছু সুপারিশ করে। পার্থক্যটি হলো, এই ব্যবস্থা ভিড়ও হিসাবে নেয়: কোনো জায়গা অতিরিক্ত ভরে গেলে পর্যটকদের আরও শান্ত জায়গায় পাঠানো হয়। যেমন সংস্কৃতিপ্রেমীদের জন্য গাউদির কাজ ও গথিক কোয়ার্টারের পাশাপাশি জাদুঘর, উৎসব, ধ্রুপদী সংগীতের কনসার্ট এবং শহরের অন্য অংশের অনন্য রেস্তোরাঁ ও বারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
Barcelona Turisme-এর সিইও Mateu Hernandez বলেন, গত ১৫-২০ বছর ধরে পর্যটন নিয়ে আলোচনা নেতিবাচক প্রভাবের ওপর বেশি জোর দিয়েছে, অথচ সামাজিক মাধ্যম মানুষকে একই ভাইরাল জায়গায় ভিড় করতে বাধ্য করে। দর্শনার্থীদের আরও বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা বেছে নিতে এবং বাসিন্দা ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান দেখাতে বলা হচ্ছে, যেমন উৎসবের সময় শান্ত থাকা।
যারা ভ্রমণ পছন্দ করেন, তাদের জন্য বার্তাটি স্পষ্ট: সবচেয়ে ভিড়ের জায়গাটিই যে সবচেয়ে স্মরণীয় হবে, তা নয়।
সূত্র: detikTravel
TABIZINE-এ একটি লেখা পড়লাম, যেখানে একজন নারী একা ভ্রমণে নায়াগ্রা জলপ্রপাতের একদিনের ট্যুরের অভিজ্ঞতা লিখেছেন। লেখক fumi ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুতে এই ভ্রমণ করেন, আর লেখাটি প্রকাশিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর। বিদেশের ট্যুর নেওয়া আর একা ঘোরার মধ্যে যাঁরা দ্বিধায় আছেন, তাঁদের কাজে আসতে পারে ভেবে এর সারমর্ম এখানে লিখছি।
তিনি ভ্রমণ সাইট VELTRA-তে "টরন্টো থেকে নায়াগ্রা একদিনের দর্শনীয় ট্যুর" বুক করেছিলেন, যার সঙ্গে ইংরেজিভাষী গাইড থাকেন। সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল ভালো রিভিউ, টরন্টো শহরের কেন্দ্র থেকে একই দিনে যাওয়া-আসা করা যাওয়া, আর পথে শহর ঘুরে ম্যাপল সিরাপ চেখে দেখার সুযোগ। সকালে ৮:০০ থেকে ৮:১৫-এর মধ্যে জড়ো হয়ে বাসে উঠতে হয়, আর ৮:৩০-এ রওনা। প্রথম স্টপেজে পৌঁছাতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাগে, তাই নাশতা আগে থেকে কিনে নেওয়া ভালো।
সূচি অনুযায়ী প্রথমে নায়াগ্রা-অন-দ্য-লেক, যেখানে ব্রিটিশ ধাঁচের রাস্তা আছে এবং প্রায় এক ঘণ্টা ইচ্ছেমতো ঘোরার সময় পাওয়া যায়। তারপর একটি স্মারকের দোকান, যেখানে ম্যাপল সিরাপ চেখে দেখা যায়, আর শেষে জলপ্রপাত। সেখানে প্রায় ৩০ মিনিট বাসে চড়ার পর খাওয়া ও হাঁটার জন্য খালি সময় থাকে; ছিটকে পড়া পানিতে ভিজে যেতে হয়, তাই হুডওয়ালা জ্যাকেট কাজে দেয়। সবশেষে প্রায় ৪০ মিনিট ক্লিফটন হিলে থামা হয়, যেখানে ভূতুড়ে বাড়ি আর গেম সেন্টারে ভরা, তারপর প্রায় দুই ঘণ্টা বাসে টরন্টো ফেরা।
প্রাপ্তবয়স্কদের (১২ থেকে ৬৪ বছর) মূল প্ল্যানের দাম মে থেকে অক্টোবর ৯,২৬৭ ইয়েন (২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৫% ছাড়সহ), আর নভেম্বর থেকে এপ্রিল ১৩,৬৬০ ইয়েন। ক্রুজ ও জলপ্রপাতের পেছন থেকে দেখার প্ল্যান আলাদা অভিজ্ঞতা, যার বিষয়বস্তু মৌসুম ও চালুর অবস্থার সঙ্গে বদলায়, তাই আগে থেকে যাচাই করে নেওয়া দরকার।
লেখক সারমর্মে বলেছেন, একদিনেই তিনি শুধু জলপ্রপাত নয়, কফি শপ আর স্মারকও উপভোগ করতে পেরেছেন; যাতায়াতের দায়িত্ব ট্যুরের ছিল, আর প্রতিটি জায়গায় কতটা সময় কাটাবেন তা তিনি নিজে ঠিক করতে পারতেন, যা একা ভ্রমণের জন্য একেবারে উপযুক্ত। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ফেরার বাসের স্টপেজ ম্যাপ অ্যাপে পিন করে রাখার ছোট্ট টিপসটি সবচেয়ে কাজের মনে হয়েছে।
সূত্র: TABIZINE
Gezimanya-য় Açelya Kirezci-র তৈরি একটি তালিকা আমার চোখে পড়ল: পৃথিবীর দশটি মনোরম ও আকর্ষণীয় সড়ক। লেখাটি আগস্টের শুরুতে প্রকাশিত, যা গ্রীষ্মের ছুটির পর রুট নিয়ে কৌতূহলকে আবার জাগিয়ে তোলে। যেগুলো আমার সবচেয়ে বেশি মনে আছে, সেগুলো বলছি।
চীনের আনহুই প্রদেশের চিজৌ সড়ক প্রায় ১২০ কিলোমিটার লম্বা, এবং মেঘের ওপর দিয়ে যাচ্ছে মনে হয় বলে একে "স্কাই রোড"ও বলা হয়। নরওয়ের আটলান্টিক রোড ছোট দ্বীপগুলোকে জুড়ে দেওয়া আটটি সেতু নিয়ে গঠিত; সবচেয়ে বিখ্যাত অংশ, স্টর্সেইসুন্ডেট সেতু, ২৬০ মিটার লম্বা। রোমানিয়ার Transfăgărășan প্রায় ৯০ কিলোমিটার, ১৯৭০-এর দশকে কৌশলগত কারণে তৈরি হয়েছিল এবং তুষারের কারণে সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্তই খোলা থাকে।
ইতালির আমালফি উপকূল সড়ক (SS163) প্রায় ৫০ কিলোমিটার, যা পোসিতানো, আমালফি ও রাভেলোকে যুক্ত করে। দক্ষিণ আফ্রিকার Chapman's Peak Drive মাত্র ৯ কিলোমিটার, কিন্তু সেখানে ১১৪টি বাঁক আছে। যুক্তরাষ্ট্রের Pacific Coast Highway প্রায় এক হাজার কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত, এবং সবচেয়ে বন্য অংশ বিগ সুর। আইসল্যান্ডের Ring Road ১,৩২২ কিলোমিটার লম্বা এবং পুরো দেশ ঘুরে আসে।
জাপানের নিক্কোতে ইরোহাজাকা সড়ক তার ৪৮টি খাড়া বাঁকের জন্য বিখ্যাত, যা জাপানি কানা বর্ণমালার ৪৮টি অক্ষরের প্রতিনিধিত্ব করে; প্রতিটি বাঁকে সংশ্লিষ্ট অক্ষরের সাইনবোর্ড রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ওশান রোড প্রায় ২৪০ কিলোমিটার, এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফেরা সৈন্যদের স্মরণে তৈরি হয়েছিল। তালিকার শেষে আছে চিলি ও আর্জেন্টিনার মাঝে লস কারাকোলেস গিরিপথ: প্রায় ৩,২০০ মিটার উচ্চতায় এটি চিলির দিকে ২৯টি খাড়া বাঁক নিয়ে আন্দিজ পর্বত পার হয়।
এ ধরনের তালিকার মূল্য হলো, এখনই যেতে না পারলেও পরের ভ্রমণের ধারণা পাওয়া যায়। বিদেশে বসবাসকারীদের জন্য এটি সপ্তাহান্তের রুট খোঁজার ভালো উপায়ও হতে পারে। আপনি কোনটিতে গাড়ি চালাতে চান?
সূত্র: Gezimanya
ছোট ভ্রমণের জন্য জিনিসপত্র গোছাতে গিয়ে সহজেই বেশি নেওয়া হয়ে যায়। তাই Podróże.pl-এ Anna Szubińska-র লেখা গাইডটি আগ্রহ নিয়ে পড়লাম, যেখানে একটি ছোট ব্যাকপ্যাকে তিন দিনের জিনিস কীভাবে গোছাতে হয় তা বলা হয়েছে। শর্ত সহজ: একজন মানুষ, হোটেল বা অ্যাপার্টমেন্টে দুই রাত আর সাধারণ দর্শনীয় স্থান ঘোরা। শীতের ভ্রমণ, ট্রেকিং বা অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা প্রস্তুতি দরকার।
প্রথম পরামর্শটি বিমান সংস্থা নিয়ে। অনুমোদিত ব্যাগের সংখ্যা, মাপ আর ওজনের সীমা আগে দেখে নিন, কারণ হাতের লাগেজ কী তা অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে। লেখায় উদাহরণ হিসেবে Ryanair-এর কথা আছে, যারা প্রতিটি ভাড়ায় আসনের নিচে ৪০ × ৩০ × ২০ সেমির একটি ছোট ব্যাগ অনুমোদন করে। শুধু "২০ লিটার" লেখা থাকলেই যথেষ্ট নয়, তাই গুছিয়ে নেওয়ার পর ব্যাগটি মেপে নিন।
সবচেয়ে ভারী জামাকাপড় পরেই যাওয়া ভালো: আরামদায়ক লম্বা প্যান্ট, প্রথম টি-শার্ট, সোয়েটশার্ট এবং আগে পরে দেখা জুতো। ব্যাগে থাকবে দুটি অতিরিক্ত টি-শার্ট, তিন সেট অন্তর্বাস, দুই-তিন জোড়া মোজা, হালকা রাতের পোশাক, একটি বাড়তি প্যান্ট, ছোট টয়লেট ব্যাগ, চার্জারসহ ফোন, নথিপত্র, কার্ড, ওষুধ আর ময়লা কাপড়ের জন্য একটি পাতলা ব্যাগ। কাপড় একে অন্যের সঙ্গে মানানসই হওয়া চাই, আর কাপড় ধোয়াকে শেষ মুহূর্তের উদ্ধার ভাবা উচিত নয়।
তরল জিনিসের নিরাপদ মাপকাঠি হলো ১০০ মিলি পর্যন্ত পাত্র, যা ১ লিটার পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যাগে থাকবে। গণনা হয় পাত্রের ধারণক্ষমতা দিয়ে, ভেতরে কতটুকু আছে তা দিয়ে নয়। ফেরার জন্যও জায়গা রাখুন, কারণ স্মারক আর ছোটখাটো কেনাকাটা জমতে থাকে।
লেখিকার নিয়ন্ত্রণ-প্রশ্নটিই আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে: "এটা কাজে লাগবে?" নয়, বরং "এটা আমি কখন ব্যবহার করব?"। পরিকল্পনায় যার জায়গা নেই, সেটি বাড়িতে থাকে। ওষুধ, নথিপত্র আর প্রত্যাশিত আবহাওয়া থেকে সুরক্ষা এর ব্যতিক্রম। যারা প্রতি বছর বিদেশ থেকে অতিরিক্ত ভারী সুটকেস নিয়ে ফেরেন, তাদের জন্যও এটি ভালো নিয়ম।
সূত্র: Podróże.pl
ম্যাগাজিন «Вокруг света»-য় কারিনা নাউমকিনার লেখা কম্বোডিয়ায় নয় দিনের ভ্রমণ-প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। লেখক থাইল্যান্ডে থাকেন, আর ভ্রমণটি হয়েছিল ২০২৫ সালের এপ্রিলে। এই রুট নিয়ে যারা ভাবছেন তাদের জন্য সবচেয়ে কাজের অংশগুলো আমি লেখা থেকে তুলে রেখেছি।
প্রথম দিনটি তিনি খালি রেখেছিলেন: হোটেলে ওঠা, একটু হাঁটাহাঁটি করা আর একটি স্থানীয় সিম কার্ড কেনা। বেশির ভাগ সময় কাটে সিয়েম রিপে। ইউনেস্কোর হিসাবে প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার আঙ্কোর পার্কে তারা রুশভাষী গাইডসহ ব্যক্তিগত ট্যুর বুক করেন। দুটি টিকিট ও একদিনের ড্রাইভারের খরচ পড়ে প্রায় ১৭০ ডলার। যেসব জায়গা তাঁর মনে দাগ কেটেছে তার মধ্যে আছে তা প্রোম, যেখানে গাছের শিকড় দেয়ালের ভেতর দিয়ে বেড়ে উঠেছে, Theam's Gallery (প্রবেশমূল্য ৫ ডলার) এবং APOPO কেন্দ্র, যেখানে আফ্রিকান বিশাল থলে-ইঁদুর বিস্ফোরক শনাক্ত করে। APOPO ট্যুর প্রায় এক ঘণ্টার এবং খরচ ১০ ডলার।
সন্ধ্যায় সিয়েম রিপে প্রাণীবিহীন Phare সার্কাসে যাওয়া যায় (টিকিট ১৮ থেকে ৩৮ ডলার, প্রতিদিন রাত ৮টায়; আয়ের একটি অংশ যায় অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের জন্য একটি শিল্প বিদ্যালয়ে), কিংবা রাতের খাবারসহ অপ্সরা শো, ৩০ থেকে ৩৫ ডলারে। এরপর প্রায় পাঁচ ঘণ্টার বাসযাত্রায় নম পেন, দুজনের টিকিটে খরচ প্রায় ৪৮ ডলার। রাজধানীতে তিনি স্বাধীনতা স্মারক ও টুওল স্লেং জাদুঘর দেখেছেন (প্রবেশ ৫ ডলার, অডিও গাইড আরও ৫ ডলার), আর তাঁর পরামর্শ হলো সেখানে অনেক সময় রাখা উচিত।
খাবারের মধ্যে আছে লোক লাক, ভাত ও সবজির সঙ্গে মেরিনেট করা গরুর মাংস, এবং আমক, কলাপাতার বাটিতে ভাপে রান্না করা মশলাদার মাছ বা সামুদ্রিক খাবার। দুপুরের খাবার ৫ থেকে ১০ ডলার খরচ হতো, আর তিনি এমন ছোট ক্যাফে বাছাই করতে বলেন যেখানে স্থানীয়রা বেশি খায়। সকালের নাশতাসহ শহরের কেন্দ্রের হোটেলগুলোর দাম ছিল প্রায় ৩০ হাজার রুবল, আর দুজনের মোট বাজেট ছিল প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার রুবল।
পরামর্শের মধ্যে দুটি আমার বিশেষভাবে ভালো লেগেছে: প্রায় ছয় মাস আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করা, আর ভিক্ষা করা শিশুদের টাকা না দিয়ে দাতব্য সংস্থাকে সহায়তা করা। বাস্তবসম্মত ও মানবিক দুটোই।
সূত্র: Вокруг света
আমি এখন অক্টোবরে একটা ছোট ভ্রমণের পরিকল্পনা করছি, আর হঠাৎ Lonely Planet-এর একটা তালিকা চোখে পড়ল, যেটা আমার কৌতূহল সত্যিই বাড়িয়ে দিয়েছে। চেনা সমুদ্রসৈকতের গন্তব্যের বদলে এখানে এমন সব জায়গার কথা, যেখানে শরৎ নিজেই ভ্রমণের কারণ।
সবচেয়ে বেশি মনে গেঁথে আছে তিনটি ছবি: লাটভিয়ার গাউয়া জাতীয় উদ্যান, সোনালি পাতার মাঝে দুর্গ আর নদী বরফমুক্ত থাকা পর্যন্ত ক্যানো ভ্রমণ; ইংল্যান্ডের এক্সমুর, যা রাতে ইউরোপের প্রথম ডার্ক স্কাই রিজার্ভ হয়ে ওঠে এবং অক্টোবরের মাঝামাঝি এমনকি একটি Dark Skies উৎসবও পালন করে; আর উমব্রিয়া, যেখানে গ্রীষ্মের পর্যটনের পর অবশেষে আবার জায়গা মেলে ট্রাফল, চেস্টনাট, সাগ্রান্তিনো ওয়াইন আর পেরুজার Eurochocolate উৎসবের জন্য।
এর সঙ্গে আছে খাবারদাবার আর কালচার নাইটের কোপেনহেগেন, এখনও উষ্ণ জলে ডাইভিংয়ের জন্য গোজো, শেষ হাইকিং আর প্রথম হিমবাহ-স্কির জন্য জারম্যাট, এবং বোহিনি ও উষ্ণ প্রস্রবণের মাঝে ফরেস্ট বাথিংয়ের জন্য স্লোভেনিয়া।
তালিকাটার যে দিকটা আমার ভালো লেগেছে: এটি শুধু দর্শনীয় স্থান নয়, ঋতু ধরে ভাবে। কম ভিড়, ভালো আলো, আর বোঝা যায় কেন ঠিক এখনই বেরিয়ে পড়া উচিত। আপাতত আমার বাজি উমব্রিয়া বা স্লোভেনিয়া – আর তারাভরা এক রাতের জন্য এক্সমুরকে মাথায় রেখে দিচ্ছি।
সূত্র: Lonely Planet