বিশ্ব নির্মাণের নোট: আর্থার রাজার কাহিনি থেকে স্থান ও শত্রুদের নাম রাখা
note-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত “Genno-র ডেস্ক উঁকি দিয়ে দেখা” সিরিজের বিশ্ব-সেটিংয়ের দ্বিতীয় পর্বটি পড়লাম। লেখক কীভাবে ধাপে ধাপে তাঁর উপন্যাসের জগৎ গড়ে তুলছেন, সিরিজটি সেটাই দেখায়, আর এই পর্বে জোর দেওয়া হয়েছে স্থান ও শত্রুদের নাম রাখার ওপর।
যা আমার চোখে সবচেয়ে বেশি পড়েছে তা হলো, লেখক কিং আর্থারের কাহিনিকে আদর্শ হিসেবে নিয়ে বাস্তব স্থান ও চরিত্রগুলোকে সামান্য বদলে নতুন নাম দিয়েছেন। ব্রিটেন হয়েছে গারিবুয়ানা, কর্নওয়াল হয়েছে হালভানা, লোগ্রেস রাজ্য হয়েছে রোরেগুসাস রাজ্য যার রাজধানী রন্দিওরিস, আর রোমান সাম্রাজ্য হয়েছে ইরুসুরোম সাম্রাজ্য। নতুন একটি মঞ্চও যোগ হয়েছে, ইউসুস্তাশিয়া মহাদেশ।
শত্রুদের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি। স্যাক্সনরা হয়েছে ড্যাগাডরা, ক্যাথ প্যালুগ হয়েছে কিটি জাবিস্তা, কালো বিড়ালছানার আকৃতির এক ভূত-বিড়াল, আর ট্রুচ ট্রুইথ হয়েছে টোরুকু তুরুক, এক দানবীয় বুনো শূকর। মূল উৎস যাঁরা জানেন তাঁরা মুচকি হাসবেন, আর যাঁরা জানেন না তাঁরাও নিজস্ব ধ্বনির নামগুলো উপভোগ করবেন।
আরেকটি বিষয় মনে থাকার মতো, তা হলো খেলার উপাদানগুলোর উপস্থাপন। সিস্টেমের স্ক্রিন সরাসরি না দেখিয়ে লেখক সরাইখানার গ্যাচা যন্ত্র, আহ্বানের পাথর, দুই মুদ্রা, স্ট্যামিনা এবং ধনের বাক্সওয়ালা কোয়েস্টগুলোকে “গল্পের জগতের সাধারণ জ্ঞান” হিসেবে তুলে ধরতে চান। এগুলো উদ্ভট কমেডিতে ব্যবহার হবে, আর প্রথম অধ্যায়টিকে “টিউটোরিয়াল অধ্যায়” করার পরিকল্পনা।
লেখাটি মনে করিয়ে দিল যে বিশ্ব নির্মাণে আসল শিল্প হলো মূল উপাদানকে কীভাবে রূপান্তর করা হয়। পরবর্তী পর্ব, পঞ্চম পর্বে চরিত্র নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে, আর আমি পড়া চালিয়ে যেতে চাই।
সূত্র: note
যা আমার চোখে সবচেয়ে বেশি পড়েছে তা হলো, লেখক কিং আর্থারের কাহিনিকে আদর্শ হিসেবে নিয়ে বাস্তব স্থান ও চরিত্রগুলোকে সামান্য বদলে নতুন নাম দিয়েছেন। ব্রিটেন হয়েছে গারিবুয়ানা, কর্নওয়াল হয়েছে হালভানা, লোগ্রেস রাজ্য হয়েছে রোরেগুসাস রাজ্য যার রাজধানী রন্দিওরিস, আর রোমান সাম্রাজ্য হয়েছে ইরুসুরোম সাম্রাজ্য। নতুন একটি মঞ্চও যোগ হয়েছে, ইউসুস্তাশিয়া মহাদেশ।
শত্রুদের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি। স্যাক্সনরা হয়েছে ড্যাগাডরা, ক্যাথ প্যালুগ হয়েছে কিটি জাবিস্তা, কালো বিড়ালছানার আকৃতির এক ভূত-বিড়াল, আর ট্রুচ ট্রুইথ হয়েছে টোরুকু তুরুক, এক দানবীয় বুনো শূকর। মূল উৎস যাঁরা জানেন তাঁরা মুচকি হাসবেন, আর যাঁরা জানেন না তাঁরাও নিজস্ব ধ্বনির নামগুলো উপভোগ করবেন।
আরেকটি বিষয় মনে থাকার মতো, তা হলো খেলার উপাদানগুলোর উপস্থাপন। সিস্টেমের স্ক্রিন সরাসরি না দেখিয়ে লেখক সরাইখানার গ্যাচা যন্ত্র, আহ্বানের পাথর, দুই মুদ্রা, স্ট্যামিনা এবং ধনের বাক্সওয়ালা কোয়েস্টগুলোকে “গল্পের জগতের সাধারণ জ্ঞান” হিসেবে তুলে ধরতে চান। এগুলো উদ্ভট কমেডিতে ব্যবহার হবে, আর প্রথম অধ্যায়টিকে “টিউটোরিয়াল অধ্যায়” করার পরিকল্পনা।
লেখাটি মনে করিয়ে দিল যে বিশ্ব নির্মাণে আসল শিল্প হলো মূল উপাদানকে কীভাবে রূপান্তর করা হয়। পরবর্তী পর্ব, পঞ্চম পর্বে চরিত্র নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে, আর আমি পড়া চালিয়ে যেতে চাই।
সূত্র: note
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন