Uma tendência que achei linda: cada vez mais gente leva câmera analógica para o estádio de futebol. Numa época em que todo torcedor tem um celular no bolso, por que escolher filme?
Tudo começou com a vontade de reproduzir a estética das fotos antigas, mas virou coisa séria. Alguns fotógrafos passaram a publicar esse trabalho nas redes e ganharam reputação dentro das próprias torcidas.
Gabriel Wisniewski, de 25 anos, registra a torcida do Coritiba no perfil Coxa Analógico. Com 24 ou 36 poses por rolo e sem ver o resultado na hora, ele diz que precisa realmente pensar no que está fazendo. O filme também o obriga a chegar perto, conversar e ficar no meio da torcida, entre bandeiras e bateria. No estádio, virou "o analógico". Para ele, faltava quem mostrasse o dia a dia da arquibancada, e não só os jogadores e os lances.
Júnior César, de 35 anos, do Grêmio Analógico, vê no filme um jeito de desacelerar: "O filme é uma contracultura nesse mundo digital". Como cada clique tem custo, é preciso refletir antes de disparar.
E o custo pesa mesmo: um filme de 36 poses sai por cerca de R$ 50, e revelação e digitalização somam mais uns R$ 50. César calcula entre R$ 4 e R$ 5 por imagem; Wisniewski já usou de cinco a oito rolos numa única partida. Há riscos também: rolo inteiro perdido, erro de exposição, falta de luz à noite e até ficar sem filme justo quando começava o "Green Hell", a festa de sinalizadores verdes da torcida do Coritiba.
A espera faz parte da graça. Wisniewski aguarda uma semana ou uma semana e meia pelo laboratório e mexe pouco nas imagens para manter a estética do filme. César guarda rolos sem revelar e, ao receber as fotos, reencontra momentos que talvez tivesse esquecido.
O movimento vai além do Brasil: projetos como o AnalogFootball reúnem fotógrafos de países como Brasil, México, Estados Unidos e França que registram o futebol em filme.
Fonte: Portal Jornalismo ESPM
গত এক-দু বছর ধরে, ফিল্ম ক্যামেরার জগতে আবার ধীরে ধীরে প্রাণের সঞ্চার হচ্ছে। আগে যেখানে ব্যবহৃত ক্যামেরা খুঁজে বের করাই স্বাভাবিক ছিল, এখন "নতুন অবস্থায় পাওয়া যায় এমন ফিল্ম ক্যামেরা"-র সংখ্যা বাড়ছে। ফিল্ম ভালোবাসার মানুষের জন্য এটা সত্যিই একটি আনন্দের পরিবর্তন।
২০২৪ সালে লেখা একটি লেখায় আমি ফিল্মের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির বিষয়টি অনুভব করেছিলাম, কিন্তু আমার মনে হয় ২০২৩ সাল ছিল যখন এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট রূপ নিল। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, যে নতুন মডেলগুলো মনোযোগ আকর্ষণ করছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই বিদেশি কোম্পানির তৈরি। জাপানের ফিল্ম সংস্কৃতির থেকে ভিন্ন উৎপাদন প্রযুক্তি এবং উদ্যম অনুভব করা যায়, শুধু দেখলেই উত্তেজনা লাগে। নতুন ক্যামেরা কেনার সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়া, যারা নতুন শুরু করতে চান তাদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা।
আমি নিজে আমার বাবার পুরনো সিঙ্গেল-লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা শুরু করেছিলাম। ৩৬টি ছবি তোলার সীমাবদ্ধতা এবং ডেভেলপ করার পরে রঙের যে নিখুঁত প্রকাশ, সেই অনুভূতি ডিজিটাল ক্যামেরায় পাওয়া যায় না। প্রতিটি ছবিকে মূল্যবান মনে করে তোলার সংস্কৃতি, এটি দেখে নতুন প্রজন্মের মধ্যে যে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে, তা সত্যিই আনন্দের।
ফিল্ম এবং ডেভেলপ করার খরচ বেড়েছে, কিন্তু তবুও নতুন নতুন ক্যামেরা বাজারে আসছে, যার মানে এই সংস্কৃতি এখনও টিকে আছে। আপনার পরবর্তী ছবি তোলার জন্য উপযুক্ত ক্যামেরা, সম্ভবত এইগুলোর মধ্যেেই আছে।
উৎস: সানরাইজ ক্যামেরা।
২০২৫ সালের অক্টোবরের শুরুতে Kodak দুটি নতুন রঙিন নেগেটিভ ফিল্ম ঘোষণা করেছে: Kodacolor 100 ও Kodacolor 200। The Verge-এর উদ্ধৃতি দিয়ে 3DNews এই খবর দিয়েছে, এবং আমার কাছে এটি ফিল্ম ফটোগ্রাফারদের জন্য অনেকদিন পরের সবচেয়ে ভালো খবরগুলোর একটি মনে হয়েছে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: কোম্পানি এই ফিল্মগুলো নিজেই বিক্রি করতে চায়। এতদিন বিতরণের দায়িত্বে ছিল Kodak Alaris, ২০১২ সালে দেউলিয়া হওয়ার পর কোম্পানি ভাগ হওয়ার সময় থেকে যারা এই কাজ করছে। Kodak নিজেই Kodacolor-কে "বিদ্যমান ফিল্মের সাব-ব্র্যান্ড" বলে, অর্থাৎ এগুলো পুরোপুরি নতুন ইমালশন নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, Kodacolor 100 ProImage 100-এর ওপর ভিত্তি করে এবং Kodacolor 200 Color Plus 200-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
দুটো ফিল্মই রঙিন নেগেটিভ এবং C-41 প্রক্রিয়ায় ডেভেলপ করা হয়। Kodacolor 100-এর ISO ১০০, দানা সূক্ষ্ম এবং রং উষ্ণ; উজ্জ্বল আলোয় ভালো কাজ করে এবং পরিষ্কার, বিস্তারিত ছবি দেয়। Kodacolor 200 মাঝারি আলোয় বেশি বহুমুখী, এর রং আরও নিরপেক্ষ এবং দানা একটু মোটা; এটি প্রতিদিনের ছবির জন্য ফিল্ম।
প্রতিবেদনে আরও আছে যে রচেস্টার কারখানার আধুনিকীকরণে উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে, এবং মধ্যস্থতাকারী বাদ দিলে সরবরাহ দ্রুত হবে। ২০২০ সাল থেকে রঙিন ফিল্মের দাম কমপক্ষে ৫০% বেড়েছে, কিছু ধরনের দাম দ্বিগুণ হয়েছে; প্রকাশনাটি আশা করে, সরবরাহ বাড়লে দাম স্থিতিশীল হতে সাহায্য হবে। নতুন ফিল্মের একটি রোল প্রায় ৯ ডলার। ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই, এটি আরও সাশ্রয়ী ফিল্মের দিকে আরেকটি পদক্ষেপ হোক।
সূত্র: 3DNews
এই শরতে Lomography বেশ সক্রিয় ছিল। Sprocket Rocket-এর দুটি নতুন রঙ এসেছে। এটি একটি প্যানোরামিক 35mm ক্যামেরা, যা ফিল্মের স্প্রকেট ছিদ্রের ওপর পর্যন্ত এক্সপোজ করে। Starlight হলো ক্রোম-জাতীয় চকচকে রুপালি প্লাস্টিকের, আর Ultra Violet গভীর বেগুনি। দুটিই এখন যুক্তরাজ্যে ৪৫ পাউন্ডে বিক্রি হচ্ছে।
Sprocket Rocket প্রথম এসেছিল ২০১০ সালে, এবং তার পর থেকে স্পেসিফিকেশন বদলায়নি: ৩০mm লেন্স, f10.8 ও f16 অ্যাপারচার, ১/১০০ শাটার ও Bulb মোড, ফ্ল্যাশের জন্য হট শু, ট্রাইপড মাউন্ট এবং একাধিক এক্সপোজারের সাপোর্ট। এটি খুবই সরল একটি ক্যামেরা, আর এর অনেকটা আকর্ষণ এই সরলতাতেই।
আরেকটি খবর হলো Lomomatic 110 Ladybug, যা 110 ফরম্যাটের ক্যামেরার লাল, লেডিবার্ড-শৈলীর সংস্করণ। Lomography ২০২৪ সালে এটি নীরবে বাজারে এনেছিল। এতে আছে ২৩mm লেন্স, f2.8 ও f5.6 অ্যাপারচার, ৩০ সেকেন্ড থেকে ১/২৫০ পর্যন্ত অটো মোড এবং একটি আলাদা ফ্ল্যাশ। Ladybug-এর দাম বা প্রকাশের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
আমি খুশি যে 110 ফরম্যাট এখনও মনোযোগ পাচ্ছে। বহু বছর আগে অনেকে একে বাতিল করেছিলেন, তাই এর জন্য নতুন ক্যামেরা আসা, সেটি খেলাচ্ছলে নকশার হলেও, যাঁরা এখনও 110 কার্টিজ খোঁজেন তাঁদের জন্য ভালো লক্ষণ। আপনি যদি এই ক্যামেরাগুলোর কোনোটি ব্যবহার করে থাকেন, আমাদের জানান প্যানোরামিক ফ্রেম বা ছোট 110 নেগেটিভগুলো কেমন হয়েছিল।
সূত্র: Kosmo Foto
২০২৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কোলন-মুলহাইমের Carlswerk-এর BASE-এ Analog Art Affair অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা অ্যানালগ ফটোগ্রাফিকে ঘিরে একটি মেলা ও কমিউনিটি অনুষ্ঠান। Dirk Trampedach fotowissen-এ একটি বিস্তারিত পর্যালোচনা লিখেছেন, এবং আমি তা পড়ে আনন্দ পেয়েছি, কারণ এতে এখনকার এই পরিমণ্ডল কতটা প্রাণবন্ত তা ভালোভাবে ফুটে উঠেছে।
এই অনুষ্ঠানটি শুধু ২০২৫ সাল থেকে হচ্ছে। প্রায় ১,৫০০ বর্গমিটার জায়গায় ৫০-এর বেশি প্রদর্শক একত্র হয়েছিলেন: শিল্পী, ল্যাব, প্রকাশক, ব্র্যান্ড ও সংগ্রাহকরা। প্রবেশ ছিল বিনামূল্যে, এবং ছিল বিনামূল্যের ফটো ওয়াক, লাইভ পডকাস্ট, আর সন্ধ্যায় লাইভ ভিনাইল সেটসহ একটি গেট-টুগেদার। এর আয়োজন মূলত করেছেন Ben Hammer ও তাঁর দল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দরজা খোলার আগেই ভবনের বাইরে ফটোগ্রাফাররা দাঁড়িয়ে ছিলেন, যাঁদের ক্যামেরার মধ্যে Leica M3 ও Pentax, Canon, Minolta, Olympus থেকে শুরু করে Plaubel ও Zeiss-এর মতো বিরল মডেলও ছিল। লেখক নিজে একটি Nikon F3 HP, একটি Nikkor 50mm 1:1.4 লেন্স এবং Wolfen NP 100 ফিল্ম নিয়ে এসেছিলেন। ভেতরে একটি উজ্জ্বল ও একটি অন্ধকার অংশ ছিল; অন্ধকার অংশে বক্তৃতা চলছিল, যার মধ্যে একটি ছিল Ilford-এর নিজেদের ফিল্ম নিয়ে।
তিনি যে সাক্ষাৎগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন, সেগুলো আমার কাছে বিশেষভাবে ভালো লেগেছে। Dan Hummel ব্রাশ ও রং দিয়ে সাদা-কালো ছবিতে হাতে রং করেন। Hannah Sophie Huber দৈনন্দিন সাক্ষাতের ছবি দেখান। একটি স্টলে ৬৫×২৪ ফরম্যাটের ছবি ঝুলছিল, যেগুলো একটি ছোট ৩৫ মিমি ক্যামেরায় তোলা, যা নেগেটিভের মাঝখানের শুধু একটি সরু ফালি এক্সপোজ করে। বার্লিনের Filmriss ফটো ক্লাবের ফটো ওয়াক ছিল এমন রেখা নিয়ে, যা অন্য রেখার ভেতরে বিস্তৃত হয়। লেখক নিজেই লিখেছেন, এই পদ্ধতিটি বুঝতেই তাঁর ৯০ মিনিটের অর্ধেক সময় লেগেছে।
তাঁর সিদ্ধান্ত খুব ইতিবাচক: ভালো সংগঠন ও অবকাঠামো, অনেক নতুন ধারণা, এবং পেশাদার প্রতিষ্ঠানের সুষম উপস্থিতি। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে এত বড় একটি মেলা বিনামূল্যে। এমন প্রতিবেদন পড়ে পরের আসরের জন্য কৌতূহল জাগে।
সূত্র: fotowissen
খুব সরল একটি ফিল্ম ক্যামেরায় Praktica নামটি আবার ফিরে এসেছে: VF212, যা Phototrend ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শুরুতে উপস্থাপন করেছে। এটি সম্পূর্ণ প্লাস্টিকের পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট কমপ্যাক্ট, যা ডিসপোজেবল ক্যামেরার মতোই কাজ করে, তবে একটি বড় পার্থক্য আছে: রোল শেষ হলে ফিল্ম বদলানো যায়।
স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী, এর মাপ ১১৯ x ৬৭ x ৪১ মিমি এবং ওজন ৯৮ গ্রাম। এটি ২৪ বা ৩৬ ফ্রেমের ৩৫ মিমি ফিল্ম নেয়, এতে f/9 থেকে f/11 অ্যাপারচারের ৩১ মিমি স্থির ফোকাস লেন্স এবং একটি টানেল-টাইপ ভিউফাইন্ডার আছে। ফিল্ম টানা ও রিওয়াইন্ড করা ম্যানুয়াল, এবং বিল্ট-ইন ফ্ল্যাশ একটি AAA ব্যাটারিতে চলে। ঘোষিত দাম ৩৭ ইউরো, ক্রিম সাদা বা ধূসর রঙে, Amazon.fr-এ বিক্রি হচ্ছে।
এই নামের সঙ্গে জড়িত ইতিহাসটি আমাকে মজা দেয়। Praktica প্রথমে ১৯৪৯ সাল থেকে ড্রেসডেনে তৈরি ক্যামেরা ছিল: M42 মাউন্টের ধাতব বডির SLR, যা শীতল যুদ্ধের সময় জাপানি ক্যামেরার বিপরীতে পূর্ব জার্মানির জবাব ছিল। শেষ জার্মান মডেল BX20s বেরিয়েছিল ২০০১ সালের জুনে। তখন থেকে ব্র্যান্ড নামটি চীনে তৈরি ফিল্ম ও ডিজিটাল ক্যামেরায় লাইসেন্সে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং VF212 তাদের সর্বশেষ।
লেখাটি একে ফিল্ম ফটোগ্রাফির প্রবেশপথ হিসেবে উপস্থাপন করে, বিশেষ করে তরুণ ফটোগ্রাফারদের জন্য, এবং এর রেট্রো ডিজাইন, হালকা ওজন ও সরলতাকে তুলে ধরে। এটি এও মনে করিয়ে দেয় যে প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত, বিশেষ করে Lomography-র Simple Use সিরিজ। এই দামে বিকল্প আসা আমার কাছে ভালো খবর: বড় বিনিয়োগ ছাড়া ফিল্ম চেষ্টা করার জন্য ঠিক এমন ক্যামেরারই অভাব ছিল।
সূত্র: Phototrend
সেপ্টেম্বরের শেষে ফিল্ম ক্যামেরার ভক্তদের জন্য একটি নতুন রেফারেন্স সাইট চালু হয়েছে। PPP Cameras-এর Pierro Pozella-র শুরু করা Camera Index একটি বিনামূল্যের ওয়েবসাইট, যার লক্ষ্য এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া প্রতিটি ফিল্ম ক্যামেরার তালিকা তৈরি করা।
২৯ সেপ্টেম্বর এটি চালু হয় এবং এতে ১,৪০০-এরও বেশি ক্যামেরা ছিল। সবগুলো এমন নির্মাতাদের, যাদের নাম A দিয়ে শুরু, যেমন Agfa, Ansco, Alpa ও Argus। Pozella একে কয়েক বছর ধরে চলা দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আগে আসবে বড় নির্মাতা ও জনপ্রিয় মডেল, আর কম পরিচিত তথ্য পরে যুক্ত হবে। পরিকল্পনাটি শুধু ক্যামেরার বডি নয়, লেন্স, আনুষঙ্গিক জিনিস এবং আলোকচিত্র ইতিহাসের অন্যান্য অংশও ছুঁয়ে যায়।
কয়েকটি বিষয় আমার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে। এটি ছাপানো বই নয়, চলমান একটি ডেটাবেস, তাই তথ্য সংশোধন ও বাড়ানো যায়। প্রতিটি ক্যামেরায় বই ও ওয়েব থেকে নেওয়া একটি সংক্ষিপ্ত, পরিষ্কার সারসংক্ষেপ আছে, সঙ্গে Pozella-র নিজের লেখা সফটওয়্যারে তৈরি একটি থাম্বনেইল ছবি। আর্কাইভ সম্পূর্ণ হলে তিনি কয়েক হাজার ছবির আশা করছেন। ব্লগ, মেরামতের উপকরণ এবং নির্ভরযোগ্য দোকানের তালিকাও ইচ্ছার তালিকায় আছে।
কিছু তথ্য এখনও অল্প, যা এত প্রাথমিক পর্যায়ে প্রত্যাশিতই। তবু যিনি ফ্লি মার্কেট বা কোনো আত্মীয়ের আলমারিতে পাওয়া ক্যামেরা চিনতে চান, তাঁর জন্য এমন একটি বিনামূল্যের সূচক খুব কাজের প্রথম ঠিকানা হতে পারে। A-এর পরের অক্ষরগুলো কত দ্রুত যোগ হয়, সেদিকে আমি নজর রাখব।
সূত্র: Kosmo Foto
এই গল্পটা আমাকে খুব ছুঁয়ে গেছে, কারণ এতে অ্যানালগ ফটোগ্রাফি, হস্তশিল্প আর পারিবারিক স্মৃতি মিলেমিশে আছে। কর্দোবার রিও কুয়ার্তো শহরে আলোকচিত্রী হেরার্দো গনসালেস এক বছর ধরে নিজের মিনিট ক্যামেরা বানিয়েছেন, যার নাম দিয়েছেন "La Petro", আর সেটি দিয়েই তিনি এই কৌশলকে আবার শহরের চত্বরগুলোতে ফিরিয়ে আনছেন।
যাঁরা জানেন না তাঁদের জন্য বলি, মিনিট ফটোগ্রাফিতে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছবি তোলা, ডেভেলপ করা আর হাতে তুলে দেওয়া যায় — সবকিছুই একই ক্যামেরার ভেতরে, আর যাঁর ছবি তোলা হচ্ছে তাঁর চোখের সামনে। সোশ্যাল মিডিয়া আর সিনেমায় দেখা মিনিট ক্যামেরাগুলো গনসালেসের কৌতূহল জাগিয়ে তোলে, আর তিনি লা পাম্পার এক আলোকচিত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যিনি মূলত ফ্রান্স থেকে আনা একই ধরনের একটি ক্যামেরায় কাজ করেন। কিছু নকশা ধরে তিনি একে একে যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, কাঠ কাটার সময় খুব যত্ন নেন যাতে ভেতরে আলো না ঢোকে।
নামটি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি: তাঁর দাদু, যাঁর পদবি ছিল পেত্রোচেল্লি এবং যিনি "El Petro" নামে পরিচিত ছিলেন, ছিলেন একজন শখের আলোকচিত্রী এবং বাড়িতেই নিজের প্রিন্ট ডেভেলপ করতেন।
সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার হলো ক্যামেরাটি তাঁকে যে সব সাক্ষাৎ উপহার দিচ্ছে। অনেক প্রবীণ প্রতিবেশী এগিয়ে এসে বলেন, পার্ক সারমিয়েন্তোর পুরোনো মিনিট-ফটোগ্রাফারদের কথা তাঁদের মনে আছে। এক ভদ্রলোক তাঁর দুই নাতিকে নিয়ে এসে জানালেন, 5 বা 6 বছর বয়সে নিজের দাদুর সঙ্গে তোলা একটি ছবি তিনি সম্পদের মতো আগলে রেখেছেন; তিনি সেই দৃশ্যটা আবার তৈরি করে ওদের জন্যও একই স্মৃতি রেখে যেতে চেয়েছিলেন।
আমার মনে থেকে যায় মূল ভাবনাটা: মোবাইল ফোনের তাৎক্ষণিকতার বিপরীতে, এখানে অপেক্ষাটাই অভিজ্ঞতার অংশ। "La Petro"-র প্রদর্শনী দেখা যাবে রিও কুয়ার্তোর পৌর প্রাসাদে (Palacio Municipal) অবস্থিত Espacio Cultural Franklin Arregui Cano-তে।
সূত্র: Puntal
Lomography-র নতুন তিনটি বিশেষ সংস্করণের ফিল্ম ক্যামেরা দেখে আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল: দারুণ সুন্দর! এবারের মডেলগুলো হলো Sprocket Rocket Starlight, Sprocket Rocket Ultra Violet এবং Lomomatic 110 Ladybug। মূল পরিবর্তন বাইরের রঙে, ক্যামেরার স্পেসিফিকেশন মোটামুটি একই আছে।
Sprocket Rocket-এ 35mm ফিল্ম ব্যবহার হয়। এতে আছে 30mm লেন্স এবং f/10.8 ও f/16 দুটি অ্যাপারচার সেটিং। শাটার স্পিড 1/100 সেকেন্ড, সঙ্গে B মোড, আর মাল্টিপল এক্সপোজারও করা যায়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ফিল্মের স্প্রোকেট ছিদ্রগুলোও ছবিতে ধরা পড়ে, ফলে চওড়া ফরম্যাটের ছবিগুলো বেশ স্বতন্ত্র হয়।
Lomomatic 110 Ladybug লাল রঙের। এতে আছে 23mm কাচের লেন্স এবং f/2.8 ও f/5.6 দুটি অ্যাপারচার। ISO 100/200/400 বদলানো যায়, মাল্টিপল এক্সপোজারও আছে, আর এটি একটি CR2 ব্যাটারিতে চলে। এটি এখনো 110 ফিল্ম ব্যবহার করে, যা এখন বেশ দুর্লভ। 110 ক্যামেরা বানিয়ে যাওয়াটা আমার কাছে সত্যিই প্রশংসনীয় মনে হয়।
দুটি Sprocket Rocket মডেল এরই মধ্যে বাজারে এসেছে, যুক্তরাজ্যে দুটিরই দাম 45 পাউন্ড। Lomomatic 110 Ladybug-এর যুক্তরাজ্যের দাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। Lomography-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও এই নতুন পণ্যগুলো দেখা যাচ্ছে।
সত্যি বলতে, এই ক্যামেরাগুলো কখনোই ছবির মানের জন্য তৈরি নয়। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এগুলো মজার। বিশেষ করে Sprocket Rocket, স্প্রোকেট ছিদ্র সরাসরি ছবিতে তুলে আনে বলে এতে ফিল্মের আমেজ সত্যিই ভরপুর।
সূত্র: 摄影笔记(网易号)
রঙিন ফিল্মে দারুণ সাড়া ফেলা China Lucky Film এবার নিয়ে এসেছে নতুন সাদাকালো ফিল্ম। «Yingzhe (影哲) 100» আর «Yingzhe 400» — এই দুই ধরনের ফিল্ম, এবং Reddit-এর একটি পোস্ট অনুযায়ী চীনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে এগুলো ইতিমধ্যেই কেনা যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
যে বিষয়টি খেয়াল রাখা দরকার তা হলো, এটি 2024 সালে আবার বাজারে ফেরা বিদ্যমান SHD 100 / 400 থেকে আলাদা একটি পণ্য। শোনা যাচ্ছে, মুক্তির আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় টুকরো টুকরো টিজার ছড়িয়ে পড়েছিল, আর 6 সেপ্টেম্বর এক Reddit ব্যবহারকারী চীনের একটি বিক্রয় পাতার স্ক্রিনশট পোস্ট করে লেখেন, «সম্পূর্ণ নতুন পণ্য, ভিনটেজ (নতুন) SHD সিরিজ নয়»। দাম নাকি Ilford Pan 100-এর বেশ কাছাকাছি, আর এর ছবি দেখতে কেমন হয় তা জানতে আমিও কৌতূহলী।
চীনা ফিল্ম প্রায়ই দ্রুত পশ্চিমে পৌঁছে দেওয়া Reflx Lab-এর পণ্য তালিকায় এটি এখনও যোগ হয়নি। বিদেশে এটি পাওয়া যাবে কি না, তা নির্ভর করছে সামনের পরিস্থিতির ওপর।
গত এক বছরে China Lucky সত্যিই খুব সক্রিয় একটি নির্মাতা। 2025 সালের গ্রীষ্মে তারা Lucky C200 বাজারে আনে, যা এখন ইউরোপেও ব্যাপকভাবে পাওয়া যায় এবং দাম Kodak-এর সাধারণ ভোক্তাদের রঙিন ফিল্মের প্রায় সমান। এরপর ISO 400-এর C400-ও এসেছে এবং চীনের বাইরের দোকানগুলোতে দেখা দিতে শুরু করেছে।
জাপানে এখনও অফিসিয়াল বিতরণ ব্যবস্থা ঠিকমতো গড়ে উঠেছে বলা যায় না, তবে ফিল্মপ্রেমী হিসেবে বিকল্প বাড়াটা সত্যিই আনন্দের। আসল ছবির মান কেমন, তা বিদেশ থেকে যথেষ্ট নমুনা ছবি আসার পর বিচার করতে চাই।
সূত্র: FilmFocus
ফিল্ম স্ক্যান করতে গিয়ে বরাবরই ঝামেলায় পড়ি, তাই এই খবরটা দেখে সঙ্গে সঙ্গে আগ্রহ জাগল। শোনা যাচ্ছে, ব্রিটেনের Soke Engineering ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য 35 মিমি ফিল্ম স্ক্যানার “Knokke” বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জানানো হয়েছে, 36 এক্সপোজারের একটি রোল 3 মিনিটের কম সময়ে স্ক্যান করা যাবে, প্রতি ফ্রেম প্রায় 22 মেগাপিক্সেলে। যুক্তরাজ্যে সম্ভাব্য দাম £799। £200 অগ্রিম দিয়ে প্রি-অর্ডার নেওয়া হচ্ছে, আর ডিসেম্বরের শুরু থেকে ধাপে ধাপে ডেলিভারি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
কোনো হোল্ডার লাগে না। যন্ত্রটি নিজেই ফিল্ম এগিয়ে নেয়, ফ্রেমগুলোর মাঝের ফাঁক খুঁজে বের করে এবং প্রতিটি ফ্রেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলাদা করে কেটে নেয়। উচ্চতা 24 মিমি হলে অনুপাত যা-ই হোক সমস্যা নেই, তাই হাফ-ফ্রেম, প্যানোরামা আর XPan-এর চওড়া ফরম্যাটও সরাসরি স্ক্যান করা যায়। এটা বেশ আনন্দের ব্যাপার।
সবচেয়ে বেশি কৌতূহল জাগিয়েছে “ট্রাইক্রোম” পদ্ধতি। এতে লাল, সবুজ ও নীল LED দিয়ে পালাক্রমে আলো ফেলে প্রতিটি ফ্রেম তিনবার তোলা হয়। Bayer ইন্টারপোলেশন ব্যবহার না করায় কালার নেগেটিভের রঞ্জক স্তরগুলো পরিষ্কারভাবে আলাদা করে পড়া যায় বলে জানানো হয়েছে। ইনফ্রারেড দিয়ে ধুলো ও আঁচড় দূর করার সুবিধাটিও স্ক্যানের সময় প্রায় না বাড়িয়েই ব্যবহার করা যায়।
সঙ্গে দেওয়া সফটওয়্যার “Korova”-তে Fujifilm Frontier-এর আদলে D·C·M·Y সংশোধনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ল্যাবে কাজ করার অনুভূতি ঘরে বসেই দেওয়া। তবে কেউ কেউ বলছেন, ঘোষণার শুরুতে সফটওয়্যারটি ওপেন সোর্স করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি, আর ব্যবহারের শর্তে পরিবর্তন করাসহ বিভিন্ন কাজ নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে উন্নতির আশা রাখছি।
সূত্র: FilmFocus
প্রথম দেখায় ভেবেছিলাম এটা শুধু একটা নতুন বাক্স, কিন্তু Ilford আসলে ভেতরে কিছু একটা বদলেছে। Harman Technology 35mm ফরম্যাটে Ilford Delta 400 Professional-এর একটি ছোট ব্যাচ বাজারে এনেছে, যাতে ইমালশন আগের মতোই, তবে সেটি অ্যান্টি-হ্যালেশন সুরক্ষাসহ আরও স্বচ্ছ একটি রোল-ফিল্ম বেসের ওপর প্রলেপ দেওয়া। 35mm সাদা-কালো ফিল্মে Ilford এই ধরনের বেস এই প্রথম ব্যবহার করল।
Ilford-এর মতে, এর ফলে আরও ভালো ডায়নামিক রেঞ্জ, ছায়ায় বেশি ডিটেইল, বাড়তি শার্পনেস, সহজ স্ক্যানিং এবং উজ্জ্বল হাইলাইটের চারপাশে কম হ্যালেশন পাওয়া যায়। স্পিড ও ডেভেলপমেন্টের সময় একই থাকছে, তাই Delta 400-এর জন্য আপনি এখন যে পদ্ধতি ব্যবহার করেন সেটাই চলবে। এটি পুরো কালো ক্যাসেট ও বাক্সে আসে, আর স্বীকার করতেই হবে, দেখতে দারুণ লাগে।
মজার ব্যাপার হলো, Ilford এটাকে চাহিদা যাচাইয়ের পরীক্ষা হিসেবে দেখছে। মানুষ ফলাফল পছন্দ করলে এটি নিয়মিত উৎপাদনে যেতে পারে, তবে সম্ভবত বেশি দামে, কারণ অ্যান্টি-হ্যালেশন স্তর তৈরিতে খরচ বেশি।
স্টক খুবই সীমিত, দাম যুক্তরাজ্যে প্রতি রোল প্রায় £13.08 এবং যুক্তরাষ্ট্রে $15.19। যে পরামর্শটা আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে: Delta 400 যদি আপনার নিয়মিত ফিল্ম হয়, তাহলে একই দিনে একটি সাধারণ রোলের পাশাপাশি এর একটি দিয়ে ছবি তুলে তুলনা করুন। আমি ঠিক এটাই করতে চাইতাম।
সূত্র: Camera Jabber