Portare il cane al lavoro: a Verona diventa realtà per i dipendenti comunali. Dal 1° novembre 2026 entra in vigore la pet policy che permetterà ai lavoratori di Palazzo Barbieri di condividere la giornata con il proprio quattro zampe.
La giunta l'ha approvata dopo una sperimentazione partita nel 2023 nei Musei Civici e nel Museo di Storia Naturale, accolta bene sia dai dipendenti sia dai visitatori.
Le regole sono piuttosto precise. I cani potranno stare negli uffici individuali e in quelli condivisi, ma solo se tutti i colleghi hanno dato il consenso formale. Restano esclusi gli spazi a contatto diretto e continuo con il pubblico, le sale riunioni, le aule, i laboratori, i bagni e le aree pausa caffè. Servono almeno tre mesi di età, iscrizione all'anagrafe degli animali d'affezione, microchip, libretto sanitario, vaccinazioni e trattamenti antiparassitari in regola, più un'assicurazione per danni a terzi. Il guinzaglio non deve superare i 150 centimetri e per i cani oltre i 25 chili è richiesta una valutazione comportamentale a carico del proprietario.
Il consigliere delegato al benessere animale Giuseppe Rea sottolinea i vantaggi psicologici per i lavoratori e per i rapporti tra colleghi. E per alcuni cani avere vicino il proprietario è meglio che restare soli a casa per tante ore.
Però il punto che condivido di più è un altro: ogni cane è diverso. Un ufficio è fatto di rumori, telefonate, movimento continuo e persone sconosciute, e non tutti i cani lo vivono con serenità. Anche la convivenza tra più cani non è scontata. Inoltre il peso non dice nulla sull'equilibrio emotivo: anche un cane piccolo può mostrare stress con abbai insistenti, ringhi o irrequietezza. Una valutazione individuale, indipendente dalla taglia, sarebbe forse più sensata.
Insomma, bella iniziativa, a patto che la domanda giusta resti sempre: il mio cane, lì, sta bene?
Fonte: Amoreaquattrozampe.it
একজন গর্বিত কুকুর মালিক হিসেবে, আমি সবসময় এই ধরনের সমীক্ষাগুলো আগ্রহের সাথে দেখি, এবং নতুন "পোষা প্রাণী বিষয়ক গবেষণা ২০২৪/২০২৫" আমাকে অনেক কিছু ভাবতে বাধ্য করেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: ৯৬ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন যে তাদের পোষা প্রাণী তাদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা বাড়ায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটি নিশ্চিত করতে পারি—আমার কুকুর আমার কাছে কেবল একটি পোষা প্রাণী নয়, সে আমার পরিবারের সদস্য।
আমার কাছে একটি বিষয় বিশেষভাবে আগ্রহজনক লেগেছে যে, ৮৩ শতাংশ মানুষ তাদের পোষা প্রাণীকে স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখেন। ঠিক এই কারণেই আমি এখন বিশেষভাবে খেয়াল রাখি যে আমি তাকে কী খাবার দিচ্ছি। প্রায় অর্ধেক পোষা প্রাণী মালিক বিকল্প প্রোটিনের উৎস, যেমন পোকামাকড়ের প্রোটিন, গ্রহণ করতে ইচ্ছুক, বিশেষ করে যদি দাম সঠিক থাকে। তবে, অনেক মানুষের জন্য দাম এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যে বিষয়টি আমাকে উদ্বিগ্ন করে: শুধুমাত্র ৭২ শতাংশ মানুষ এখন তাদের পোষা প্রাণীকে সুস্থ মনে করে, যেখানে ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮০ শতাংশ। পশুচিকিৎসার ক্রমবর্ধমান খরচ পোষা প্রাণী মালিকদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের উপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে, এবং অনেকে এর জন্য আলাদা সঞ্চয় তৈরি করছেন। একই সময়ে, ৪৭ শতাংশ মানুষ পশুদের জন্য ডিজিটাল সমাধান, যেমন একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাপ, চান।
সবশেষে, এই গবেষণা মূলত একটি বিষয় তুলে ধরে: আমাদের পোষা প্রাণীরা আমাদের সাথে আবেগগতভাবে জড়িত, কিন্তু আমরা নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছি—খরচ থেকে শুরু করে পরিবেশগত স্থায়িত্ব পর্যন্ত। আমি আশা করি এই ফলাফলগুলো শিল্পখাত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।
উৎস: ইন্টারজু।
Agria ও সুইডিশ কেনেল ক্লাব একটি নতুন পোষা প্রাণী জরিপ প্রকাশ করেছে, এবং প্রাণীপ্রেমীদের জন্য এর সংখ্যাগুলো বেশ আগ্রহজনক। জরিপটি পরিচালনা করেছে Novus, আর এটি ১৮ থেকে ৮৯ বছর বয়সী ১০,২৮৪ জন কুকুর ও বিড়াল মালিকের উত্তরের ভিত্তিতে তৈরি। আগের জরিপটি হয়েছিল ২০২৪ সালে।
সবচেয়ে বড় খবর হলো, কুকুর বা বিড়াল আছে এমন সুইডিশ পরিবারের হার এক শতাংশ বিন্দুর সামান্য বেশি বেড়েছে। এখন ৩১ শতাংশ পরিবারে, অর্থাৎ প্রায় প্রতি তিনটির একটিতে, অন্তত একটি পোষা প্রাণী আছে।
কুকুর বাড়ছে। এদের সংখ্যা ২.৭ শতাংশ বেড়ে ৯,৫১,০০০-এ পৌঁছেছে, আর ১৫ শতাংশ পরিবারে কুকুর আছে। স্টকহোম, পূর্ব-মধ্য সুইডেন, স্মালান্ড ও দক্ষিণ সুইডেনে বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি। আকর্ষণীয় বিষয় হলো, ৭,৪১,০০০ কুকুর এমন পরিবারে থাকে যেখানে অন্তত একজন প্রাপ্তবয়স্ক আছে কিন্তু কোনো শিশু নেই; প্রেস বিজ্ঞপ্তি এটিকে জীবনধারা বদলের লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।
অন্যদিকে ২০২৪ সাল থেকে বিড়াল ৩.৫ শতাংশ কমে আনুমানিক ১৫,৮২,০০০-এ নেমেছে। তবু বিড়ালই সুইডেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পোষা প্রাণী: ২০ শতাংশ পরিবারে অন্তত একটি বিড়াল আছে। ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের পরিবারে এরা বিশেষ জনপ্রিয়, যেখানে ৩০ শতাংশ পরিবারে বিড়াল আছে।
Agria-র সুইডেনের কান্ট্রি ম্যানেজার মনিকা টুভেলিড কুকুরের বৃদ্ধিকে এই বছরের সুখবর বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে বিশেষ করে শিশুদের পরিবারে বিড়াল এখনও শীর্ষে। আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো, পোষা প্রাণী আমাদের জীবনযাত্রাকে কতটা নিবিড়ভাবে অনুসরণ করে। যত বেশি মানুষ বাড়িতে শিশু ছাড়া থাকে, তত বেশি মানুষ প্রতিদিনের জীবন ভাগ করে নিতে কুকুর বেছে নিচ্ছে বলে মনে হয়।
সূত্র: Agria, TT-এর মাধ্যমে
Bezprawnik-এর এক সম্পাদকের লেখা পড়লাম, যাতে বলা হয়েছে একটি কুকুরের চিকিৎসায় কত খরচ হয়। প্রতিটি পোষা প্রাণীর মালিকের এই সংখ্যাগুলো জানা উচিত, তাই সেগুলো এখানে ভাগ করে নিচ্ছি।
লেখকের একটি কুকুর আর দুটি বিড়াল আছে। তিনি যে অযত্নে বড় হওয়া একটি কুকুরকে দত্তক নিয়েছিলেন, তার দাঁতের পাথর তোলাতে ২০২২ সালে মানুষের দাঁতের ডাক্তারের কাছে প্রায় ২০০ জ্লোটি লেগেছিল (অবেশ ছাড়া), এবং পরের বছর পশু চিকিৎসকের কাছে ৪০০ থেকে ৫০০ জ্লোটি। এদিকে প্রায় ১০ জ্লোটির একটি খাবারের টুকরো কুকুরের পেট খারাপ করে দেয়, এবং রবিবার জরুরি ভিত্তিতে যেতে হয়: এক্স-রে ও বমি বন্ধের ইনজেকশন মিলিয়ে প্রায় ৭০০ জ্লোটি, তার মধ্যে ৩০০ জ্লোটি ছিল ছুটির দিনে কাজের অতিরিক্ত ফি। লেখক বিমা করাননি, কারণ কুকুরের পুরো চিকিৎসার ইতিহাস তিনি জানতেন না, এবং সাধারণ শর্তের বাদ দেওয়া বিষয়গুলো তাঁকে নিরুৎসাহিত করেছিল।
লেখায় ২০২৬ সালের কুকুরের আনুমানিক দামও দেওয়া আছে। পাকস্থলী মোচড়ানোর চিকিৎসা সাধারণত ৫,০০০ জ্লোটি পর্যন্ত। ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ছিঁড়লে প্রায় ২,০০০ থেকে ৬,০০০ জ্লোটি। পা ভাঙলে ১,০০০ থেকে ৬,০০০ জ্লোটি, প্লাস্টার যথেষ্ট কি না, নাকি প্লেট ও স্ক্রু লাগবে তার ওপর নির্ভর করে। কেমোথেরাপি এক সেশনে ২,০০০ জ্লোটি পর্যন্ত, এক্স-রে বা আল্ট্রাসাউন্ড ৪০০ পর্যন্ত, দাঁতের পাথর তোলা ৫০০ পর্যন্ত, খাসি করানো ৩০০ থেকে ১,০০০, এবং হাসপাতালে একদিন ৪০০ জ্লোটি পর্যন্ত।
লেখক বলেন, দাম নির্ভর করে শহর, ক্লিনিকের সুনাম এবং কুকুরের আকারের ওপর, কারণ বড় কুকুরের বেশি ওষুধ ও ব্যান্ডেজ লাগে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কুকুর বা বিড়ালের রক্ত পরীক্ষা মানুষের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামি হতে পারে, এবং প্রাণীদের জন্য কোনো সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা নেই।
আমার কাছে সিদ্ধান্তটা সহজ: পোষা প্রাণীর জন্য একটি আর্থিক জরুরি তহবিল রাখুন, আর বিমা কেনার বা প্রত্যাখ্যান করার আগে তার শর্তগুলো মন দিয়ে পড়ুন।
সূত্র: Bezprawnik
অনেকেই বিড়ালের বমিকে বিড়ালের জীবনের স্বাভাবিক অংশ মনে করেন, এমনকি মজার ভিডিওর বিষয় বানিয়ে ফেলেন। আমি CNN Brasil-এর একটি লেখা পড়েছি, যেখানে বলা হয়েছে এই ধারণা কীভাবে গুরুতর সমস্যা চেনায় দেরি করিয়ে দিতে পারে, তাই এখানে সংক্ষেপে লিখছি।
লেখাটি মনে করিয়ে দেয় যে এই দৃষ্টিভঙ্গি গুরুতর রোগ নির্ণয়ে দেরি ঘটাতে পারে। আসল লোমের গোলা (ট্রাইকোবেজোআর) হলো জমাট বাঁধা লোমের কালো, নলাকার পিণ্ড, যা লম্বা লোমওয়ালা বিড়াল বা পেটের সমস্যা থাকা বিড়াল ছাড়া সাধারণত বের হয় না। খাবার, পিত্ত বা কয়েকটি আলগা লোম বমি করা আলাদা ব্যাপার। বিড়াল যা বমি করেছে তার ছবি বা ভিডিও পশু চিকিৎসকের জন্য অনেক সাহায্য করে।
একটি বিষয় আমার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে: Med. Felina-র পশু চিকিৎসক ব্রুনা অলিভেইরা ব্যাখ্যা করেন, মালিকরা যাকে বমি মনে করেন তা কখনো কখনো আসলে কাশি, যা বিড়ালের হাঁপানির একটি লক্ষণ। বিড়াল শুকনো বা শ্লেষ্মাসহ কাশতে পারে, আর মালিক প্রায়ই শুধু লক্ষ্য করেন বিড়ালটি কফ গিলছে। তাঁর পরামর্শ সরাসরি: বিড়াল কাশলে কারণ খুঁজে বের করুন, কারণ যত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা হবে, জীবনের মান তত ভালো হবে।
লেখাটি বমি এবং রিগার্জিটেশনের (খাবার উগরে আসা) পার্থক্যও বোঝায়। বিড়ালবিশেষজ্ঞ পাটি বাস্তোসের মতে, রিগার্জিটেশন নিষ্ক্রিয়, কোনো স্পষ্ট চাপ ছাড়াই ঘটে, এবং খাবার পিত্ত ছাড়া তার আসল আকারে ফিরে আসে। বমির আগে সাধারণত ঠোঁট চাটা, অস্থিরতা এবং অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ হয়, সঙ্গে পেটের সংকোচন। ঘন ঘন উগরে ওঠা স্বাভাবিক নয়, এবং ধীরে, ছোট ভাগে খেলে সাহায্য হতে পারে।
কখন চিন্তা করা উচিত? অসুস্থ বিড়াল অল্প সময়ে কয়েকবার বমি করলে মূল রোগের চিকিৎসা দিয়েই সমস্যা মিটে যেতে পারে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে কয়েক দিন বমি হলে পরীক্ষা দরকার, যদিও বিড়ালটিকে সুস্থ দেখায় এবং মালিক তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। আমি এখান থেকে এই শিক্ষাটি নিয়েছি: কোনো কিছুতে অভ্যস্ত হওয়া মানেই তা স্বাভাবিক নয়।
Al Jazeera Net-এর একটি প্রতিবেদন পড়লাম, ওমানি স্পাইনি-টেইলড টিকটিকি নিয়ে। বিদেশি পোষা প্রাণীর বাজারে এটি এখন অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন একটি সরীসৃপে পরিণত হয়েছে। প্রতিবেদনে এমন কিছু তথ্য আছে যা কোনো দুর্লভ প্রাণী কিনতে ভাবছেন এমন প্রত্যেকের জানা উচিত।
প্রতিবেদনটি শুরু হয় প্রেক্ষাপট দিয়ে। কয়েক মাস আগে ওমানের পুলিশ মাসকাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে এই টিকটিকি পাচারের একটি চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। ২০১২ সালে ওমান থেকে আসা এক যাত্রীকে মিউনিখ বিমানবন্দরে কয়েক ডজন টিকটিকিসহ আটক করা হয়েছিল। লেখক সাম্প্রতিক বিক্রয়ের বিজ্ঞাপন খুঁজে দেখেছেন, যেখানে প্রতিটি প্রাণীর দাম ৭০০ থেকে ১,০০০ ইউরোর মধ্যে: জার্মানিতে ৯৯৯ ইউরো, অস্ট্রিয়ায় ৭০০, ফ্রান্সে ৮০০ এবং গ্রিসে ১,০০০ ইউরো।
এই টিকটিকি ওমানের সীমিত উপকূলীয় ও মরু অঞ্চলেই বাস করে। এটি স্থানীয় প্রজাতি, মাটিতে গর্ত খোঁড়ে এবং জীবনের বেশিরভাগ সময় সেখানেই কাটায়। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীদের এর সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য ছিল না। জার্মান সরীসৃপ বিজ্ঞানী টমাস উইলম্স ২০০২ সালের এক গবেষণায় অনুমান করেন, ১৯৯৮ সালে গবেষণা শুরুর আগে বিজ্ঞানের কাছে পরিচিত নমুনার সংখ্যা ত্রিশের বেশি ছিল না। এরপর একটি বৈজ্ঞানিক প্রজনন কর্মসূচি শুরু হয় এবং বন্দী অবস্থায় প্রথম সফল প্রজনন নথিভুক্ত হয়। উৎসাহীরা একে এই বাজারের সূচনা হিসেবে দেখেন।
সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো "উৎস ধোয়ামোছা"। বাগদাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর ওমর আল-শেখলি মনে করেন, বন্দী অবস্থায় সফল প্রজনন বন্য প্রাণী পাচারের আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, যেগুলোকে বন্দী প্রজননে জন্ম বলে দেখানো হয়। Pro Wildlife সংগঠনের প্রতিবেদন "চুরি হওয়া বন্যপ্রাণী ২" ওমানের ঘোষিত রপ্তানি এবং অন্য দেশের নথিতে বন্দী-প্রজনিত হিসেবে দেখানো বড় সংখ্যার মধ্যে ব্যবধান তুলে ধরেছে: যুক্তরাষ্ট্রে ১৮২টি, সুইজারল্যান্ডে ১৩০টি এবং নেদারল্যান্ডসে ১২০টি।
ওমানের পরিবেশ কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই টিকটিকিকে বাস্তুসংস্থানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি এবং শুষ্ক বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের একটি অত্যাবশ্যক নির্দেশক হিসেবে বর্ণনা করেছে। আমার উপসংহার সহজ: দুষ্প্রাপ্যতা দাম বাড়ায়, আর বেশি দাম প্রকৃতিতে এই প্রাণীর ঝুঁকি বাড়ায়। তাই কোনো বিদেশি প্রাণী কেনার আগে জিজ্ঞেস করা উচিত, এটি কোথা থেকে এসেছে।
সূত্র: Al Jazeera Net
Zooinform-এর পোষা প্রাণীর বয়স নিয়ে একটি দীর্ঘ লেখা পড়তে গিয়ে কয়েকটি সংখ্যা আমার চোখে পড়ল। লেখা অনুযায়ী রাশিয়ায় প্রায় প্রতি চারটি পোষা প্রাণীর একটির বয়স সাত বছরের বেশি। সাত বছর পরিসংখ্যান ও পণ্য পরিকল্পনার জন্য একটি প্রচলিত সীমা, বার্ধক্য ঠিক কখন শুরু হয় তার সঠিক মুহূর্ত নয়: বড় কুকুর আগে বুড়ো হয়, ছোটগুলো পরে হয় এবং বেশি দিন বাঁচে। ভালো পুষ্টি, সহজলভ্য পশু চিকিৎসা, নিয়মিত পরীক্ষা ও টিকাদানের কারণে পোষা প্রাণীরা সাধারণভাবে এখন বেশি দিন বাঁচে।
লেখায় Center for the Study of Animal Nutrition and Well-being-এর IPSOS-এর সঙ্গে ২০২৩ সালের একটি জনগণনার কথাও উল্লেখ আছে: রাশিয়ায় ৪ কোটি ৯২ লাখ বিড়াল ও ২ কোটি ৫৫ লাখ কুকুর আছে, আর সাত বছরের বেশি বয়সী বিড়ালের হার ২৩% এবং কুকুরের ২৫%।
খাদ্যের বিষয়ে লেখক লিখেছেন যে সার্বজনীন “বৃদ্ধদের খাদ্যতালিকা” বলে কিছু নেই। বার্ধক্যের প্রাথমিক পর্যায়ের কুকুর কর্মক্ষমতা হারায় এবং সহজে ওজন বাড়ায়, আর অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহ বাড়ায়, তাই প্রায়ই কম ক্যালরির খাবার দরকার হয়। শেষ পর্যায়ে উল্টোটা হতে পারে: ওজন ও পেশির ক্ষয়, দুর্বল ঘ্রাণশক্তি, এবং বেশি সুগন্ধি ও শক্তিসমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন। বিড়ালের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগই প্রধান সমস্যা, তাই নিয়মিত পরীক্ষা ও নজরদারি জরুরি। একটি কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য: Royal Canin-এর একটি গবেষণায় বয়স্ক বিড়ালেরা (গড়ে ১১ বছর) প্রায় ৩৭ °C-এ গরম করা ভেজা খাবার বেশি পছন্দ করেছিল, সম্ভবত গন্ধ তীব্র হওয়ার কারণে।
সাপ্লিমেন্ট নিয়ে লেখাটি স্পষ্টভাবে বলে: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (EPA ও DHA) সবচেয়ে বেশি গবেষিত, অন্য অনেক পণ্যের পক্ষে প্রমাণ অপর্যাপ্ত, আর এগুলো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার বিকল্প নয়। বাড়ির জন্য ব্যবহারিক পরামর্শের মধ্যে আছে র্যাম্প ও সিঁড়ি, অর্থোপেডিক বিছানা, পিছলে না যাওয়া মাদুর এবং বাটির স্ট্যান্ড।
লেখার শেষের প্রশ্নোত্তর অংশে বলা হয়েছে, সুস্থ তরুণ পোষা প্রাণীর সাধারণত বছরে একবার পশু চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই যথেষ্ট, আর বয়স্কদের প্রায় প্রতি ছয় মাসে যাওয়া উচিত। হাঁটা ছোট হওয়া উচিত, কিন্তু বেশি বার। আমার কাছে এই লেখা মনে করিয়ে দেয় যে পোষা প্রাণীর বার্ধক্য কোনো রোগ নয়, বরং এমন একটি সময় যার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
Posta-য় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে পোষা প্রাণীর মালিকদের দৈনন্দিন খরচ নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় পরিসংখ্যান রয়েছে, যা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।
প্রতিবেদন অনুযায়ী তুরস্কের পোষা প্রাণী শিল্প প্রায় ৭০ বিলিয়ন লিরায় পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাপী ২০২৫ সালে এই শিল্পের মূল্য ছিল প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে শুধু পোষা প্রাণীর খাবারের বাজারই প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার। তুরস্কে বিক্রির অর্ধেকের বেশি আসে খাবার থেকে, আর বিড়াল ও কুকুরের খাবার মিলিয়ে মোটের ৬০ শতাংশের বেশি। যেসব পরিবারে পোষা প্রাণী আছে, তার প্রায় ৭০ শতাংশে অন্তত একটি বিড়াল রয়েছে।
Anadolu Pet Group-এর মহাব্যবস্থাপক এরেন উইউঞ্চু বলেন, গত কয়েক বছরে এই শিল্প দুই অঙ্কের হারে বেড়েছে, এবং তিনি আশা করেন প্রিমিয়াম ও সুপার-প্রিমিয়াম খাবার সামগ্রিক বাজারের চেয়ে দ্রুত বাড়বে। তাঁর মতে, ক্রেতারা এখন উপাদানের মান, প্রোটিনের উৎস এবং উৎপাদনের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ভাবেন। নগরায়ণ, একক মানুষের পরিবার বৃদ্ধি, মহামারীর পর জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং পশুদের পরিবারের সদস্য হিসেবে দেখার মানসিকতাকে প্রবৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ছোট জাতের কুকুরও জনপ্রিয়, কারণ ফ্ল্যাটে থাকার জন্য এগুলো উপযুক্ত।
মাসিক খরচের হিসাবও চোখে পড়ার মতো। একটি প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ালের খাবারের জন্য মাসে ৫০০ থেকে ২,০০০ লিরা, প্রিমিয়াম শ্রেণিতে ২,৫০০ থেকে ৪,৫০০ লিরা। ছোট জাতের কুকুরের জন্য ৫০০ থেকে ২,৫০০ লিরা, আর বড় জাতের জন্য ১,০০০ লিরা থেকে শুরু করে কখনও ৫,০০০ লিরারও বেশি। আসল অঙ্ক নির্ভর করে খাবারের ধরন, প্রাণীটির বয়স ও ওজন এবং কোনো বিশেষ খাদ্যাভ্যাসের প্রয়োজনের ওপর।
প্রতিবেদনে Effeffe Pet Türkiye-র কথাও আছে, যা ২০১৬ সালে Anadolu Pet Group ও ইতালির Effeffe-এর যৌথ উদ্যোগে গড়ে ওঠে। মানিসা প্রদেশের সালিহলি-তে এর কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ হাজার টন, এটি ৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে, এবং রপ্তানির অংশ মোট বিক্রয়ের ২৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে তোলার লক্ষ্য রাখে।
আমার মনে যা থেকে গেল তা হলো: একটি সুন্দর বিড়াল ঘরে আনলে একটি নিয়মিত খরচের দায়িত্বও নিতে হয়, যা আগে থেকে পরিকল্পনা করা দরকার।
সূত্র: Posta
আপনি যদি কুকুর বা বিড়াল পোষেন, তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই খবরটি মনোযোগ দেওয়ার মতো। ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার, মন্ত্রণালয় জাকার্তায় একটি ফোকাস গ্রুপ আলোচনা (FGD) করেছে, যাতে কুকুর ও বিড়াল প্রজনন ব্যবসায় প্রাণী কল্যাণ প্রয়োগের নির্দেশিকা তৈরি করা যায়।
পশুসম্পদ ও প্রাণী স্বাস্থ্য মহাপরিদপ্তরের গণ-পশুস্বাস্থ্য পরিচালক I Ketut Wirata কারণটি ব্যাখ্যা করেছেন: পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর ও বিড়ালের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে, এবং প্রজনন এখন শুধু ব্যবসায়ীরাই করছেন না, সম্প্রদায় ও ব্যক্তিরাও করছেন। মন্ত্রণালয় চায় এই বৃদ্ধি প্রাণীর স্বাস্থ্য ও কল্যাণের নীতি মেনে হোক।
Wirata-র মতে, দায়িত্বশীল প্রজননে মা প্রাণীর অবস্থা, বাচ্চাদের স্বাস্থ্য, মৌলিক চাহিদা, পুষ্টি এবং প্রাকৃতিক আচরণের দিকে নজর রাখতে হবে। যেসব ঝুঁকির কথা তুলে ধরা হয়েছে তার মধ্যে আছে প্রজননকারী মাদির অতিরিক্ত ব্যবহার, অনুপযুক্ত প্রজনন ব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত সুবিধা, এবং ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত নয় এমন রক্তসম্পর্কীয় প্রজনন, যা সন্তানদের জেনেটিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। মন্ত্রণালয় আরও জোর দিয়েছে যে কল্যাণ উপেক্ষা করে গণহারে প্রজনন ঠেকাতে হবে, যেখানে স্থান, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রাকৃতিক আচরণের সুযোগ সহজেই বাদ পড়ে যায়।
আইনি ভিত্তি হলো ২০২৫ সালের ৩২ নম্বর কৃষিমন্ত্রী বিধিমালা (প্রাণী কল্যাণ বাস্তবায়ন) এবং ২০২৫ সালের ৩৪ নম্বর বিধিমালা (কৃষি খাতে ঝুঁকিভিত্তিক ব্যবসায়িক লাইসেন্স)। প্রস্তুতাধীন কারিগরি নির্দেশিকায় ভালো প্রজনন চর্চা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি শনাক্তকরণ, প্রাণী কল্যাণ ও জুনোসিস, এবং তদারকি ও পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। Wirata অংশগ্রহণকারীদের মাঠ-অভিজ্ঞতা থেকে বিস্তারিত মতামত দিতেও বলেছেন, যাতে নির্দেশিকা বাস্তবসম্মত হয়।
আমি এটিকে একটি উৎসাহজনক পদক্ষেপ হিসেবে দেখি। কুকুরছানা বা বিড়ালছানা কেনার পরিকল্পনা থাকলে আগে জিজ্ঞেস করা ভালো, তার মাকে কীভাবে যত্ন করা হয়।
সূত্র: ANTARA News
Thanh Niên-এর একটি প্রতিবেদনে পোষা প্রাণীর গায়ের টিক ও উকুনের সমস্যা নিয়ে পড়লাম। অনেকেই এখনও মনে করেন এটি শুধু কুকুর-বিড়ালের সমস্যা, তাই এটি ভাগ করে নিতে চাই।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুয়ের একটি পশু হাসপাতালে টিক ও উকুনের মাধ্যমে ছড়ানো রক্তের পরজীবী রোগের রোগী ক্রমাগত আসছে। MB Vet Huế পশু হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার Trần Công Bằng বলেন, মাত্র দুই সপ্তাহে হাসপাতালে এই রোগে আক্রান্ত ৩০টিরও বেশি কুকুর ভর্তি ও চিকিৎসা করা হয়েছে, এবং তিনি পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলেন। টিক ব্যাবেসিয়া ও এর্লিকিয়া নামের রক্তের পরজীবী ছড়ায়, যা কুকুরের উচ্চ জ্বর, নাক দিয়ে রক্তপাত ও প্রস্রাবে রক্ত ঘটায়, এবং সময়মতো চিকিৎসা না হলে মৃত্যু হতে পারে। অনেক কুকুর ক্লিনিকে আনার পর মারা গেছে, কারণ মালিকরা অবহেলা করেছিলেন।
মানুষের জন্য ঝুঁকিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মেঝেতে পড়া একটি টিক বিছানায় উঠে কোনো মানুষকে কামড়াতে পারে, যা স্পটেড ফিভার বা লাইম রোগ ঘটাতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে কুকুর ও বিড়ালের গোল কৃমি (Toxocara) দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের চুলকানি, মৌমাছি-কামড়ের মতো চাকা (আর্টিকারিয়া), কাশি, ঝাপসা দৃষ্টি এমনকি খিঁচুনিও ঘটাতে পারে। প্রাণীর মলযুক্ত মাটিতে খালি পায়ে হাঁটলে হুকওয়ার্ম ত্বক ভেদ করে শরীরে ঢোকে, আর কুকুরের ফিতাকৃমি (Echinococcus) লিভার ও ফুসফুসে সিস্ট তৈরি করতে পারে, যা সাধারণত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়।
ডাক্তার Bằng কয়েকটি সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেন: নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়ান (কুকুরছানা ও বিড়ালছানা তিন মাস বয়স পর্যন্ত প্রতি দুই সপ্তাহে, তারপর ছয় মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে, বড় কুকুর প্রতি তিন মাসে), কাঁচা মাংস খাওয়াবেন না, প্রাণীর মলযুক্ত জায়গায় ঘুরতে দেবেন না, পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন, প্রতিদিন মল পরিষ্কার করুন ও মেঝে জীবাণুমুক্ত করুন। টিক ও কৃমি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত পোষা প্রাণীকে মুখ চাটতে বা বিছানায় ঘুমাতে দেবেন না। পোষা প্রাণীর সংস্পর্শের পর কোনো শিশুর ত্বকে বারবার চুলকানি বা চাকা দেখা দিলে তার পরীক্ষা করানো উচিত।
আমার মতে, প্রতিবেদনের বার্তা সহজ: পোষা প্রাণীর যত্ন ভালোভাবে নেওয়া মানে পুরো পরিবারের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও।
সূত্র: Thanh Niên
যার কুকুর বা বিড়াল আছে, সে জানে পশু চিকিৎসকের কাছে একবার যাওয়া পকেটে বেশ চাপ ফেলতে পারে। Keuze.nl ২০২৬ সালের হিসাব একত্র করেছে, আমি সেগুলো এখানে ভাগ করে নিতে চাই।
সাধারণ পরামর্শের খরচ কুকুরের জন্য প্রায় ৩৩ থেকে ৮৬ ইউরো এবং বিড়ালের জন্য ৩৩ থেকে ৬০ ইউরো। সন্ধ্যা বা রাতের জরুরি পরামর্শে কুকুরের খরচ ১০৫ থেকে ৫৬০ ইউরো এবং বিড়ালের ১০০ থেকে ২২০ ইউরো হয়ে যায়। সহজ একটি অস্ত্রোপচারের খরচ কুকুরের জন্য ৫০০ থেকে ১,৫০০ ইউরো, আর বন্ধ্যাকরণ ৩৮৯ থেকে ৫২৫ ইউরো। ক্যানসারের চিকিৎসা দ্রুতই ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ ইউরোতে পৌঁছায়। ক্লিনিকভেদে দাম অনেক আলাদা। পশু চিকিৎসা পরিষেবায় আবার ২১ শতাংশের উচ্চ ভ্যাট প্রযোজ্য, আর গত কয়েক বছরে ফি মুদ্রাস্ফীতির তিনগুণ পর্যন্ত দ্রুত বেড়েছে।
সরকার উচ্চ খরচের সমাধান চায়। রাষ্ট্রসচিব Erkens পশু চিকিৎসকদের মুনাফা সীমিত করার নিয়ম, ফি সম্পর্কে বেশি স্বচ্ছতা, ভালো জরুরি সেবা এবং কর্মী সংকটের সমাধান চান। আপাতত সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ আসছে না, তাই স্বল্পমেয়াদে মালিকদের জন্য খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।
এখনই নিজে কী করতে পারেন? লেখাটিতে তিনটি বিষয় বলা হয়েছে: আপনার পশু চিকিৎসক কোনো চেইনের অন্তর্ভুক্ত কি না তা যাচাই করে মূল্য তালিকা চাওয়া, চিকিৎসার আগে লিখিত খরচের আনুমানিক হিসাব চাওয়া, এবং এমন পোষা প্রাণীর বিমা বিবেচনা করা যা খরচের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ফেরত দিতে পারে। লেখা অনুযায়ী কুকুরের মৌলিক বিমা মাসে প্রায় ১৫ ইউরো থেকে শুরু হয়, আর বিড়ালের ৯ ইউরো থেকে। বংশগত বা জন্মগত রোগ কভার হয় কি না তা দেখে নিন, কারণ সব বিমা কোম্পানি তা করে না। ফ্রেঞ্চ বুলডগের মতো শ্বাসকষ্টের পরিচিত সমস্যাযুক্ত জাতের ক্ষেত্রে বিমা দ্রুত খরচ উঠিয়ে দিতে পারে। চিকিৎসার খরচ বহন করতে না পারলে Stichting Sterk voor Dieren মাঝে মাঝে আর্থিক সাহায্য দেয়।
আমার কাছে এই সারসংক্ষেপটি উপযোগী মনে হয়েছে: মাঝরাতে হিসাব কষার চেয়ে আগে থেকেই একটি সঞ্চয় গড়ে তোলা ভালো।
বিশ্ব প্রাণী দিবস উপলক্ষে la Repubblica ইতালীয়দের সঙ্গে পোষা প্রাণীর সম্পর্ক নিয়ে Eurispes-এর তথ্য আবার প্রকাশ করেছে। আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে বৈপরীত্যটা: ভালোবাসা বাড়ছে, কিন্তু ব্যাংকের বিলও।
2026 সালে প্রায় প্রতি তিনজন ইতালীয়র একজন অন্তত একটি প্রাণীর সঙ্গে বসবাস করেন। 2025 সালের সমতার পর কুকুর আবার বিড়ালকে ছাড়িয়ে গেছে (41% বনাম 37.1%)। তবে যা সত্যিই বদলাচ্ছে তা হলো খরচ: 2015 সালে প্রায় অর্ধেক মানুষ মাসে 30 ইউরোর কম খরচ করতেন; আজ সেই অংশ নেমে এসেছে 16%-এ, বেশিরভাগই খরচ করেন 31 থেকে 100 ইউরোর মধ্যে, আর এক-চতুর্থাংশের বেশি 100 ছাড়িয়ে যান। অর্ধেকেরও বেশি মানুষ শুধু খাবারেই 50 ইউরোর বেশি খরচ করেন।
আমার মতে একটা ইতিবাচক দিকও আছে: দত্তক নেওয়ার ধরন বদলাচ্ছে। 2017 সালে দোকানই ছিল সবচেয়ে বেশি উল্লেখিত মাধ্যম; আজ প্রায় 40% প্রাণী আসে রাস্তা থেকে বা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে। যাঁদের আগে থেকেই পোষা প্রাণী আছে, তাঁদের 23% আর্থিক কারণে আর কোনো প্রাণী নেননি, আর যাঁদের নেই, তাঁদের 11.4% পুরোপুরি এই ইচ্ছা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
এটা পড়তে পড়তে আমার সেই বন্ধুদের কথা মনে পড়ল, যারা বিমা, কুকুরের নামে উত্তরাধিকার আর সামাজিক পশুচিকিৎসা নিয়ে কথা বলে। একটি প্রাণীকে ভালোবাসা কোনো বিশেষাধিকার হয়ে ওঠা উচিত নয়। সংখ্যাগুলো বলছে বন্ধনটা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দৃঢ় — এবং শুধু সদিচ্ছা নয়, যত্নের খরচ কমায় এমন নীতিও দরকার।
সূত্র: la Repubblica