পোষা প্রাণী

বিড়ালের বমি: লোমের গোলা নাকি পশু চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময়?

অনেকেই বিড়ালের বমিকে বিড়ালের জীবনের স্বাভাবিক অংশ মনে করেন, এমনকি মজার ভিডিওর বিষয় বানিয়ে ফেলেন। আমি CNN Brasil-এর একটি লেখা পড়েছি, যেখানে বলা হয়েছে এই ধারণা কীভাবে গুরুতর সমস্যা চেনায় দেরি করিয়ে দিতে পারে, তাই এখানে সংক্ষেপে লিখছি।

লেখাটি মনে করিয়ে দেয় যে এই দৃষ্টিভঙ্গি গুরুতর রোগ নির্ণয়ে দেরি ঘটাতে পারে। আসল লোমের গোলা (ট্রাইকোবেজোআর) হলো জমাট বাঁধা লোমের কালো, নলাকার পিণ্ড, যা লম্বা লোমওয়ালা বিড়াল বা পেটের সমস্যা থাকা বিড়াল ছাড়া সাধারণত বের হয় না। খাবার, পিত্ত বা কয়েকটি আলগা লোম বমি করা আলাদা ব্যাপার। বিড়াল যা বমি করেছে তার ছবি বা ভিডিও পশু চিকিৎসকের জন্য অনেক সাহায্য করে।

একটি বিষয় আমার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে: Med. Felina-র পশু চিকিৎসক ব্রুনা অলিভেইরা ব্যাখ্যা করেন, মালিকরা যাকে বমি মনে করেন তা কখনো কখনো আসলে কাশি, যা বিড়ালের হাঁপানির একটি লক্ষণ। বিড়াল শুকনো বা শ্লেষ্মাসহ কাশতে পারে, আর মালিক প্রায়ই শুধু লক্ষ্য করেন বিড়ালটি কফ গিলছে। তাঁর পরামর্শ সরাসরি: বিড়াল কাশলে কারণ খুঁজে বের করুন, কারণ যত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা হবে, জীবনের মান তত ভালো হবে।

লেখাটি বমি এবং রিগার্জিটেশনের (খাবার উগরে আসা) পার্থক্যও বোঝায়। বিড়ালবিশেষজ্ঞ পাটি বাস্তোসের মতে, রিগার্জিটেশন নিষ্ক্রিয়, কোনো স্পষ্ট চাপ ছাড়াই ঘটে, এবং খাবার পিত্ত ছাড়া তার আসল আকারে ফিরে আসে। বমির আগে সাধারণত ঠোঁট চাটা, অস্থিরতা এবং অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ হয়, সঙ্গে পেটের সংকোচন। ঘন ঘন উগরে ওঠা স্বাভাবিক নয়, এবং ধীরে, ছোট ভাগে খেলে সাহায্য হতে পারে।

কখন চিন্তা করা উচিত? অসুস্থ বিড়াল অল্প সময়ে কয়েকবার বমি করলে মূল রোগের চিকিৎসা দিয়েই সমস্যা মিটে যেতে পারে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে কয়েক দিন বমি হলে পরীক্ষা দরকার, যদিও বিড়ালটিকে সুস্থ দেখায় এবং মালিক তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। আমি এখান থেকে এই শিক্ষাটি নিয়েছি: কোনো কিছুতে অভ্যস্ত হওয়া মানেই তা স্বাভাবিক নয়।

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন