বুশক্র্যাফট

স্কটস পাইন: কীভাবে চিনবেন এবং একজন বুশক্র্যাফটারের জন্য এটি কী দেয়

Paul Kirtley-র সর্বশেষ গাছের প্রোফাইলে স্কটস পাইনের কথা আছে, একটি বন্য, সুন্দর প্রজাতি যা ইউরেশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে আছে। প্রথমে শেখার জন্য এটি একটি ভালো গাছ।

চেনার জন্য লম্বা, সোজা কাণ্ড দেখুন যার নিচের দিকে কোনো ডাল নেই এবং খোলা মাথা আছে। পাতা জোড়ায় জোড়ায় বেরোয়, নীল-সবুজ ও পাকানো, প্রায় ৫ থেকে ৭ সেমি লম্বা, এবং চূর্ণ করলে মিষ্টি রজনের গন্ধ দেয়। নতুন ছাল কমলা-গোলাপি ও কাগজের মতো পাতলা; পুরনো গাছে নিচের কাণ্ড ধূসর-বাদামি ও ফাটলযুক্ত, আর উপরের কাণ্ড ও ডালগুলো কমলা-বাদামি থেকে যায় এবং খোসা ওঠে, দূর থেকে এটাই সবচেয়ে ভালো লক্ষণ। শঙ্কু ৫ থেকে ৮ সেমি লম্বা, মোটা ও ভোঁতা শঙ্কু আকৃতির। যেসব গাছের সঙ্গে বিভ্রম হতে পারে: ব্ল্যাক পাইন (গাঢ় ছাল, লম্বা পাতা), লজপোল পাইন (শঙ্কুর আঁশে কাঁটা) এবং রেড পাইন (১২ থেকে ১৮ সেমি পাতা)।

বুশক্র্যাফটের দিক থেকে কাঠ রজনে ভরপুর, দ্রুত জ্বলে এবং উজ্জ্বল শিখা দেয়। সোজা, গিঁটবিহীন চেলা ফেদার স্টিক ও আগুন ধরানোর জন্য ভালো, আর রজন-সমৃদ্ধ টুকরো চমৎকার টিন্ডার হয়। ডালে লেগে থাকা শুকনো পাতার গুচ্ছ দিয়ে দ্রুত চা ফোটানো যায়। শিকড় বাঁধার কাজে লাগে, পানিতে ভেজানো পাতা ভিটামিন C-সমৃদ্ধ চা দেয়, আর ভেতরের ছাল ঐতিহাসিকভাবে সামি জনগোষ্ঠী খেত, শুকিয়ে গুঁড়ো করে আটা বানিয়ে। ধনুক-ড্রিল তখনই কাজ করে যখন কাঠ পুরোপুরি শুকনো এবং খুব বেশি রজনযুক্ত না হয়।

খাওয়ার উপযোগী ব্যবহারের জন্য লেখক মাত্রা বা নিরাপত্তা নির্দেশনা দেননি, তাই চেষ্টা করার আগে আলাদাভাবে খুঁজে নিন। একাধিক বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে দেখার যে অনুস্মারক আছে তা আমার ভালো লেগেছে, কারণ শেওলা ছালের রং ঢেকে দিতে পারে।

সূত্র: Paul Kirtley

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন