ছুরি ও ফলার সংস্কার

মালাংয়ের কেদুংকান্দাংয়ে শেষ দুই কামার এখনও কাস্তে ও ম্যাচেট পেটান

মালাং শহরের কেদুংকান্দাং এলাকায় এখনও একটি ঐতিহ্যবাহী কামারশালা চালু আছে, যার চুল্লি জ্বলে। TIMES Indonesia-এর মতে, Sunar ও তাঁর ভাইপো Yono পুলিশ থানা Polsek Kedungkandang-এর অফিসের পাশের কারখানায় এখনও হাতে লোহা পেটান। আগে সেখানে প্রায় দশজন কাজ করতেন; এখন মাত্র দুজন আছেন।

কারখানা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার কোনো লিখিত নথি নেই; গল্পের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এর ইতিহাস বয়ে এসেছে। এখন কয়লার আগুন জ্বলন্ত রাখতে বৈদ্যুতিক ব্লোয়ার সাহায্য করে, তবু যন্ত্রপাতির আকার দেওয়ার কাজ বেশিরভাগই হাতে হয়। লোহা আসে পুরোনো জিনিস সংগ্রাহকদের কাছ থেকে, আর ইস্পাতের একটি অংশ আসে পুরোনো যানবাহনের লিফ স্প্রিং থেকে, যেমন বাসের।

উপাদানটি গরম করে বারবার পিটিয়ে কাস্তে (arit) ও ম্যাচেট (parang) বানানো হয়। হাতল তৈরি হয় lamtoro কাঠ দিয়ে এবং হাতে চালানো লেদে কেটে আরামদায়ক করা হয়। দাম প্রায় ১.৫ থেকে ২.৫ লাখ রুপিয়া, আর উৎপাদন হয় অর্ডার অনুযায়ী, দৈনিক লক্ষ্য অনুযায়ী নয়।

Sunar-এর মনোভাব আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি এই পেশায় আছেন সম্পদ বা মর্যাদার জন্য নয়, বরং ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। উত্তরসূরি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমন পেটানো ও হাতল বসানোর দক্ষতা যেন হারিয়ে না যায়, এই আশা করি।

সূত্র: TIMES Indonesia

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন