“দীর্ঘ সূর্যাস্ত”: বুড়ো কুকুর ও বয়স্ক বিড়ালকে কীভাবে সাহায্য করবেন
Zooinform-এর পোষা প্রাণীর বয়স নিয়ে একটি দীর্ঘ লেখা পড়তে গিয়ে কয়েকটি সংখ্যা আমার চোখে পড়ল। লেখা অনুযায়ী রাশিয়ায় প্রায় প্রতি চারটি পোষা প্রাণীর একটির বয়স সাত বছরের বেশি। সাত বছর পরিসংখ্যান ও পণ্য পরিকল্পনার জন্য একটি প্রচলিত সীমা, বার্ধক্য ঠিক কখন শুরু হয় তার সঠিক মুহূর্ত নয়: বড় কুকুর আগে বুড়ো হয়, ছোটগুলো পরে হয় এবং বেশি দিন বাঁচে। ভালো পুষ্টি, সহজলভ্য পশু চিকিৎসা, নিয়মিত পরীক্ষা ও টিকাদানের কারণে পোষা প্রাণীরা সাধারণভাবে এখন বেশি দিন বাঁচে।
লেখায় Center for the Study of Animal Nutrition and Well-being-এর IPSOS-এর সঙ্গে ২০২৩ সালের একটি জনগণনার কথাও উল্লেখ আছে: রাশিয়ায় ৪ কোটি ৯২ লাখ বিড়াল ও ২ কোটি ৫৫ লাখ কুকুর আছে, আর সাত বছরের বেশি বয়সী বিড়ালের হার ২৩% এবং কুকুরের ২৫%।
খাদ্যের বিষয়ে লেখক লিখেছেন যে সার্বজনীন “বৃদ্ধদের খাদ্যতালিকা” বলে কিছু নেই। বার্ধক্যের প্রাথমিক পর্যায়ের কুকুর কর্মক্ষমতা হারায় এবং সহজে ওজন বাড়ায়, আর অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহ বাড়ায়, তাই প্রায়ই কম ক্যালরির খাবার দরকার হয়। শেষ পর্যায়ে উল্টোটা হতে পারে: ওজন ও পেশির ক্ষয়, দুর্বল ঘ্রাণশক্তি, এবং বেশি সুগন্ধি ও শক্তিসমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন। বিড়ালের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগই প্রধান সমস্যা, তাই নিয়মিত পরীক্ষা ও নজরদারি জরুরি। একটি কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য: Royal Canin-এর একটি গবেষণায় বয়স্ক বিড়ালেরা (গড়ে ১১ বছর) প্রায় ৩৭ °C-এ গরম করা ভেজা খাবার বেশি পছন্দ করেছিল, সম্ভবত গন্ধ তীব্র হওয়ার কারণে।
সাপ্লিমেন্ট নিয়ে লেখাটি স্পষ্টভাবে বলে: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (EPA ও DHA) সবচেয়ে বেশি গবেষিত, অন্য অনেক পণ্যের পক্ষে প্রমাণ অপর্যাপ্ত, আর এগুলো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার বিকল্প নয়। বাড়ির জন্য ব্যবহারিক পরামর্শের মধ্যে আছে র্যাম্প ও সিঁড়ি, অর্থোপেডিক বিছানা, পিছলে না যাওয়া মাদুর এবং বাটির স্ট্যান্ড।
লেখার শেষের প্রশ্নোত্তর অংশে বলা হয়েছে, সুস্থ তরুণ পোষা প্রাণীর সাধারণত বছরে একবার পশু চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই যথেষ্ট, আর বয়স্কদের প্রায় প্রতি ছয় মাসে যাওয়া উচিত। হাঁটা ছোট হওয়া উচিত, কিন্তু বেশি বার। আমার কাছে এই লেখা মনে করিয়ে দেয় যে পোষা প্রাণীর বার্ধক্য কোনো রোগ নয়, বরং এমন একটি সময় যার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
লেখায় Center for the Study of Animal Nutrition and Well-being-এর IPSOS-এর সঙ্গে ২০২৩ সালের একটি জনগণনার কথাও উল্লেখ আছে: রাশিয়ায় ৪ কোটি ৯২ লাখ বিড়াল ও ২ কোটি ৫৫ লাখ কুকুর আছে, আর সাত বছরের বেশি বয়সী বিড়ালের হার ২৩% এবং কুকুরের ২৫%।
খাদ্যের বিষয়ে লেখক লিখেছেন যে সার্বজনীন “বৃদ্ধদের খাদ্যতালিকা” বলে কিছু নেই। বার্ধক্যের প্রাথমিক পর্যায়ের কুকুর কর্মক্ষমতা হারায় এবং সহজে ওজন বাড়ায়, আর অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহ বাড়ায়, তাই প্রায়ই কম ক্যালরির খাবার দরকার হয়। শেষ পর্যায়ে উল্টোটা হতে পারে: ওজন ও পেশির ক্ষয়, দুর্বল ঘ্রাণশক্তি, এবং বেশি সুগন্ধি ও শক্তিসমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন। বিড়ালের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগই প্রধান সমস্যা, তাই নিয়মিত পরীক্ষা ও নজরদারি জরুরি। একটি কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য: Royal Canin-এর একটি গবেষণায় বয়স্ক বিড়ালেরা (গড়ে ১১ বছর) প্রায় ৩৭ °C-এ গরম করা ভেজা খাবার বেশি পছন্দ করেছিল, সম্ভবত গন্ধ তীব্র হওয়ার কারণে।
সাপ্লিমেন্ট নিয়ে লেখাটি স্পষ্টভাবে বলে: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (EPA ও DHA) সবচেয়ে বেশি গবেষিত, অন্য অনেক পণ্যের পক্ষে প্রমাণ অপর্যাপ্ত, আর এগুলো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার বিকল্প নয়। বাড়ির জন্য ব্যবহারিক পরামর্শের মধ্যে আছে র্যাম্প ও সিঁড়ি, অর্থোপেডিক বিছানা, পিছলে না যাওয়া মাদুর এবং বাটির স্ট্যান্ড।
লেখার শেষের প্রশ্নোত্তর অংশে বলা হয়েছে, সুস্থ তরুণ পোষা প্রাণীর সাধারণত বছরে একবার পশু চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই যথেষ্ট, আর বয়স্কদের প্রায় প্রতি ছয় মাসে যাওয়া উচিত। হাঁটা ছোট হওয়া উচিত, কিন্তু বেশি বার। আমার কাছে এই লেখা মনে করিয়ে দেয় যে পোষা প্রাণীর বার্ধক্য কোনো রোগ নয়, বরং এমন একটি সময় যার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন