Ik las laatst een stuk in De Telegraaf over hoe een zeldzame en dure plant het nieuwe statussymbool is geworden, en ik moest meteen aan mijn eigen vensterbank denken. Mijn eerste zeldzame Monstera was ooit een impulsaankoop, maar inmiddels kijk ik elke ochtend of er geen nieuw blad aan komt.
Het is gek hoe snel dit is gegaan. Waar een paar jaar geleden bijna niemand meer dan twintig euro voor een stekje betaalde, gaan er nu exemplaren voor honderden of zelfs duizenden euro's van de hand. Voor verzamelaars is het een mix van jacht, geduld en een beetje gekte — je grens verleggen hoort er nu eenmaal bij.
Wat ik er zelf zo mooi aan vind, is dat het geen passieve hobby is. Je leert echt over vochtigheid, licht en wortelrot, en je moet geduld hebben als een stekje wekenlang niets doet. Maar als er dan eindelijk een blad opent met die bijzondere tekening, is dat pure beloning.
Stiekem check ik nu ook regelmatig veilingen en plantenmarkten. Het is verslavend, maar wel een groene verslaving waar je huis alleen maar mooier van wordt.
Bron: De Telegraaf
প্রতি সেপ্টেম্বরে ছত্রাক মশা ঘরের গাছের মাটিতে ফিরে আসে। Gardening Know How হলুদ আঠালো ফাঁদের চেয়ে আকর্ষণীয় একটি সমাধান প্রস্তাব করে: বাটারওয়ার্ট চাষ করা, যাকে ল্যাটিন নাম Pinguicula থেকে ping-ও বলা হয়।
বাটারওয়ার্ট ছোট মাংসাশী গাছ। এর পাতা সুসজ্জিত রোজেট আকারে বাড়ে এবং আঠালো শিশিরে ঢাকা থাকে, যা এগুলিকে রূপালি ও ঝিকমিক করা চেহারা দেয়, আর মশা সহজেই আটকে যায়। বসন্ত বা গ্রীষ্মে সরু ডাঁটায় ছোট ফুল ফোটে। নিবন্ধ অনুযায়ী বড় গাছ এমনকি মশাও ধরে।
সব বাটারওয়ার্ট এ কাজে সমান ভালো নয়। মেক্সিকান বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বাটারওয়ার্টের পাতা চওড়া ও সমতল, যা পোকাদের বসার জায়গা বেশি দেয়, আর উত্তর আমেরিকান জাতের চেয়ে এগুলো চাষ করা সহজ, কারণ সেগুলোর আর্দ্র পরিবেশ দরকার এবং সহজে পচে যায়। মেক্সিকান বাটারওয়ার্ট বেশি ঝামেলা ছাড়াই জানালার সিলে টিকে থাকতে পারে যথেষ্ট শক্তপোক্ত।
নিবন্ধে দুটি প্রজাতির কথা বলা হয়েছে: Pinguicula cyclosecta, বেগুনি-পাতার বাটারওয়ার্ট, যার গাঢ় বেগুনি ফুল এবং পাতা ল্যাভেন্ডার আভা নিতে পারে, আর Pinguicula esseriana, যার ফিকে সবুজ পাতায় গোলাপি ছোঁয়া এবং ফিকে লিলাক ফুল। দুটোই প্রায় ১০ সেন্টিমিটার উচ্চতা ও প্রস্থে বাড়ে।
আমার ভালো লাগে যে এটি একটি বিরক্তিকে সংগ্রহে অসাধারণ কিছু যোগ করার কারণে পরিণত করে। এটি একটি ছোট, পরিপাটি গাছ, যা তাকে নিজের জায়গার যোগ্য।
কোমো হ্রদের তীরে ভিলা এরবায় অর্টিকোলারিওর ষোড়শ সংস্করণ শেষ হয়েছে, আর যাঁরা অস্বাভাবিক গাছপালা ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এই প্রতিবেদনটি পড়া উচিত। মেলাটি ১ থেকে ৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলে, ত্রিশ হাজারের বেশি দর্শক এসেছিলেন, এবং এর থিম ছিল «En rêverie» — স্বপ্ন ও কল্পনার হাতে নিজেকে ছেড়ে দেওয়ার আমন্ত্রণ।
স্থাপনাগুলোর মধ্যে কেন্দ্রীয় প্যাভিলিয়নের «হিপনোস» আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে: বালি, মাটি, শিকড়, কাঠ ও অস্বাভাবিক গাছপালায় গড়া ষোলোটি উদ্ভিদ-দৃশ্যের একটি দ্বিগুণ সর্পিল, যার সঙ্গে এই কাজের জন্য বিশেষভাবে রচিত আলো ও শব্দ ছিল। বাইরে, ঐতিহাসিক উদ্যানে «ফ্যান্টাসোস» প্রায় অজানা উদ্ভিদ-প্রজাতি প্রদর্শন করেছে। প্রধান পুরস্কার, লেক কোমোর «ফোইয়া দোরো», গেছে যেসুস সান্স-কাস্ত্রো ও দানিয়েলা জিরাউদোর বাগান «রোজা ভেলাতা»-কে।
সংগ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রদর্শকদের পুরস্কারগুলো। দানিয়েলে রিগেত্তির «স্ট্রেঞ্জার প্ল্যান্টস» ভেনেজুয়েলার তেপুই পর্বতের দুর্লভ Stegolepis hitchcockii দিয়ে নতুনত্ব পুরস্কার জিতেছে। «Cactusmania by Manera» একটি Cyphostemma laza-এর জন্য সুপার নমুনা পুরস্কার পেয়েছে, «Meriania» Acacia ও Vachellia-র সংগ্রহ এনেছে, আর «Mondocactus» রসালো উদ্ভিদ ও নার্সারিতে চারা শনাক্তকরণের কাজের জন্য সম্মানিত হয়েছে।
«Per un Giardinaggio Evoluto 2026» পুরস্কার পেয়েছেন Codex Seraphinianus-এর লেখক লুইজি সেরাফিনি। অর্টিকোলারিও সংগৃহীত অর্থ স্থানীয় সামাজিক সংস্থাগুলোকে দান করে, এবং পরবর্তী সংস্করণ ইতিমধ্যেই ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর ২০২৭-এ নির্ধারিত হয়েছে। আমি তারিখটি ইতিমধ্যে চিহ্নিত করে রেখেছি। এটি সেই কয়েকটি অনুষ্ঠানের একটি, যেখানে দুর্লভ উদ্ভিদবিদ্যা সত্যিই শিল্পের সঙ্গে মিলিত হয়।
সূত্র: Greenme
আমি এইমাত্র detikJatim-এর টিল্যান্ডসিয়া নিয়ে প্রতিবেদনটি পড়লাম। এটি এয়ার প্ল্যান্ট নামেও পরিচিত একটি শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ। লাতিন আমেরিকার এই উদ্ভিদের বাঁচতে মাটি বা পানি লাগে না, আর অদ্ভুত আকৃতি ও তুলনামূলকভাবে সহজ পরিচর্যার কারণে উদ্ভিদপ্রেমীরা একে পছন্দ করেন। প্রতিবেদনে পূর্ব জাভার কোটা বাতু শহরের চাষি ওপিকের কথা আছে।
ওপিকের মতে, পরিচর্যার চাবিকাঠি সঠিক পানি দেওয়া ও ভালো বাতাস চলাচল। প্রতিদিন পানি দিলে উদ্ভিদ ভালোভাবে বাড়ে না এবং পাতা উপরের দিকে ঝুঁকে থাকে। সঠিক মাত্রায় পানি দিলে পাতা সমানভাবে নিচের দিকে বাড়ে এবং পাতার কুঞ্চন আরও সুন্দর দেখায়। তিনি এটি বাইরে রাখার পরামর্শও দেন, যেখানে বাতাস লাগে, কারণ এতে শিকড় দ্রুত বাড়ে, যদিও পুরোনো পাতা আগে শুকিয়ে যেতে পারে।
দাম বেশ আকর্ষণীয়। নতুনদের জন্য ঝাড় আকারের Lonantha প্রায় ১৫০ হাজার রুপিয়া, আর কাণ্ডযুক্ত Cotton Candy ২৫ থেকে ৩০ হাজার রুপিয়া। সংগ্রাহকদের জন্য Xerographica-র চারা বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ৬০০ হাজার রুপিয়ায়। ফুল না আসা বড় Xerographica Long Hair ৩৫ থেকে ৪০ লাখ রুপিয়া, আর খুব লম্বা নমুনা ৮০ লাখ রুপিয়া পর্যন্ত যেতে পারে। Streptophylla-কে সংগ্রাহকদের খোঁজা একটি জাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের যে অংশটি আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে তা হলো জীবনচক্রের ব্যাখ্যা। ফুল ফোটার পর উদ্ভিদ বড় হওয়া বন্ধ করে দেয় এবং তার শক্তি নতুন চারা তৈরিতে ব্যয় করে, প্রায় ১৫টি পর্যন্ত, তারপর তার জীবন শেষ হয়। তাই উঁচু দাম যুক্তিসংগত, কারণ এমন একটি উদ্ভিদ বড় করতে অনেক সময় লাগে।
সূত্র: detikJatim
কিছুদিন আগে Garden Media Group-এর Garden Trends Report 2026-এর ভিত্তিতে লেখা একটি Homes & Gardens প্রবন্ধ আমার চোখে পড়ে। তার একটি দাবি আমার মনে আটকে গেছে: ঘরের গাছকে এখন সংগ্রহযোগ্য জিনিসের মতো দেখা হচ্ছে, ঠিক যেভাবে মানুষ পুরনো ক্যামেরা বা ডিজাইনারের পুতুল সংগ্রহ করে।
রিপোর্টে একে "ইচ্ছাকৃত এলোমেলোপনা" বলা হয়েছে। মানুষ, বিশেষ করে জেন জেড ও মিলেনিয়ালরা, গাছের একটি ব্যক্তিগত জাদুঘর গড়ে তুলছে এবং দুর্লভ জাত, নতুন পাতার রং ও ছিটছিটে পাতার পেছনে ছুটছে। প্রবন্ধে উদ্ধৃত একটি বাক্য বলে, গাছ সংগ্রহ করা নতুন Pokémon, কারণ এটি গেমের মতোই অর্জন, অগ্রগতি ও নিয়ন্ত্রণের অনুভূতিতে নাড়া দেয়। আরেকটি বাক্য একে ধীর আনন্দ বলেছে, এবং আমার মনে হয় এই শখের এর চেয়ে ভালো সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আমি পড়িনি।
লেখক এরপর একটি শুরুর সংগ্রহের জন্য ছয়টি গাছের নাম দিয়েছেন: চিরুনির মতো Euphorbia lactea 'Mermaid Tail', গোলাপি কিনারার Aglaonema 'Khanza Pink', করাতের মতো পাতার Philodendron 'Jungle Boogie', জেব্রা প্ল্যান্ট, ক্রিম ও সবুজ রঙের Monstera 'Thai Constellation' এবং ছোট পাতার String of Turtles। তিনি আরও বলেছেন, বন্ধুদের উপহার ও কাটিং প্রতিটি গাছকে একটি গল্প দেয়।
এই লেখার যে দিকটি আমার ভালো লেগেছে, তা হলো এটি একটি জীবন্ত সংগ্রহকে বহু বছর ধরে বাড়তে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি, ক্ষণস্থায়ী ফ্যাশন হিসেবে নয়। প্রবন্ধটি ২০২৬-এর রিপোর্টের আগে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত, তাই একে পূর্বাভাসের মতো পড়া যায়। এটি আরও মনে করিয়ে দেয় যে ছিটছিটে ও অস্বাভাবিক গাছের জন্য টাকার চেয়ে ধৈর্য বেশি লাগে।
সূত্র: Homes & Gardens
সাদা পাতা বা পাতার সাদা অংশওয়ালা গাছ এখন সর্বত্র দেখা যাচ্ছে, এবং কিছু নমুনার দামও সেই অনুযায়ী বেশি। ZDF-এর বাগান বিশেষজ্ঞ এলমার মাই ব্যাখ্যা করেছেন এর পেছনের কারণ এবং কী কী সস্তা বিকল্প আছে।
গাছের সাদা অংশের সমস্যা হলো, সেখানে ক্লোরোফিল নেই, যা সালোকসংশ্লেষের জন্য প্রয়োজন। তাই বৈচিত্র্যময় গাছ প্রায়ই কম সতেজ হয় এবং বেশি আলো ও যত্ন দরকার হয়। সম্পূর্ণ সাদা গাছ নিজে থেকে বাঁচতে পারে না, একই প্রজাতির সুস্থ গাছে কলম করতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলো জেনেটিক ত্রুটিসহ পাশের কুঁড়ি, তাই এগুলো খুব বিরল।
মনস্টেরা সম্পর্কে দুটি বিষয় জানা দরকার। প্রবন্ধ অনুযায়ী থাই মনস্টেরার মতো বিশেষ রূপ ল্যাবরেটরি থেকে আসে, যেখানে টিস্যু কালচারে কোষ বংশবৃদ্ধি করা হয়। এছাড়া বৈচিত্র্য প্রায়ই জেনেটিকভাবে অস্থিতিশীল হয়, তাই সাদা অংশ কমে যেতে বা পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে। গার্ডেন সেন্টারে বিক্রি হওয়া বৈচিত্র্যময় জাত, যেমন মানিপ্ল্যান্ট, সস্তা এবং সাধারণত বেশি স্থিতিশীল।
যত্নের জন্য ২০ থেকে ২৫ ডিগ্রি এবং উচ্চ আর্দ্রতা আদর্শ। সাদা অংশের পরিমাণ অনুযায়ী গাছের বেশি আলো লাগে, কিন্তু সরাসরি রোদ সহ্য করতে পারে না। মাটি ঝুরঝুরে ও ভালো বায়ু চলাচলযুক্ত হওয়া উচিত, এবং জলাবদ্ধতা এড়ানো দরকার। সস্তা বিকল্প হিসেবে Fittonia ও Maranta-র কথা বলা হয়েছে। দামি দুর্লভ গাছ কেনার আগে ডোরাকাটা বা নকশার স্থিতিশীলতা নিয়ে ভাবা উচিত, এই পরামর্শটি আমার কাছে কাজের মনে হয়েছে।
সূত্র: ZDFheute
বহু বছর ধরে মনস্টেরা ডেলিসিওসা অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার রানি ছিল, কিন্তু ক্রমশ ছোট হয়ে আসা বাড়িতে এর আকারই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। Meteored Chile এর উত্তরসূরি হিসেবে ফিলোডেনড্রন বার্কিনের কথা বলেছে, যা আরও কমপ্যাক্ট এবং যত্ন নেওয়া সহজ একটি গাছ।
বার্কিন ফিলোডেনড্রন গণের একটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সংকর, যার গঠন সুশৃঙ্খল এবং সাদা ডোরাকাটা উজ্জ্বল গাঢ় সবুজ পাতা। প্রতিটি পাতার নকশা আলাদা। এটি ধীরে বাড়ে, তাই প্রায় ছাঁটাইয়ের প্রয়োজন হয় না, আর বড় টব বা সরাসরি রোদও দরকার হয় না। কম আলো ও নিয়ন্ত্রিত আর্দ্রতা সহ্য করতে পারে, তাই অফিস ও ফ্ল্যাটের জন্য এটি উপযুক্ত।
যত্নের বিষয়ে নিবন্ধটি উজ্জ্বল পরোক্ষ আলোর কথা বলে, যেমন পর্দাঘেরা জানালার কাছে, এবং সরাসরি রোদ এড়ানোর কথা বলে। পানি মাঝারি মাত্রায় দিতে হবে, কেবল মাটির উপরের কয়েক সেন্টিমিটার শুকিয়ে গেলে, আর শীতকালে তা অর্ধেক করে দিতে হবে। আদর্শ মাটি হলো পিট, পার্লাইট ও সূক্ষ্ম বাকলের হালকা মিশ্রণ। নিবন্ধে আরও কিছু জনপ্রিয় গাছের কথা আছে: ফিলোডেনড্রন পিংক প্রিন্সেস, হোয়াইট প্রিন্সেস ও ব্রাজিল, ক্যালাথিয়া অর্বিফোলিয়া এবং অ্যালোক্যাসিয়া পলি।
আমার মনে হয় এটি একটি যুক্তিসঙ্গত রুচির পরিবর্তন। বহু বছরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রাচুর্যের পর, যেসব গাছের পাতা আকর্ষণীয় অথচ পুরো বসার ঘর দখল করে না, তেমন গাছ খোঁজা স্বাভাবিক।
সূত্র: Meteored Chile
মাঝ গ্রীষ্মে একটি মনস্টেরার বৃদ্ধি থাকে তুঙ্গে, আর পাতা কয়েক দিনের মধ্যেই খুলে যায়। আপনার গাছটি যদি তিন-চার সপ্তাহ ধরে নতুন কুঁড়ি বা স্প্যাথ ছাড়া আটকে থাকে, তবে Jardiner Malin ব্যাখ্যা করেন যে কারণটি প্রায়ই সেটি নয় যা আপনি ভাবছেন। নিবন্ধটি ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত হয় এবং সেপ্টেম্বরের শেষে হালনাগাদ করা হয়।
প্রথম দোষী, এবং সবচেয়ে সাধারণও, হলো টব যা ছোট হয়ে গেছে। শিকড় যখন পুরো জায়গা দখল করে নেয়, তখন গাছটি নতুন পাতা তৈরির বদলে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে শক্তি খরচ করে। পরীক্ষাটি সহজ: টবটি উল্টে দেখুন। ড্রেনেজ ছিদ্র দিয়ে শিকড় বেরিয়ে থাকলে বা ঘন জট পাকালে উত্তরটি পেয়ে গেছেন। দ্বিতীয় বিষয়টি আলো, কারণ উত্তরমুখী জানালা থেকে তিন মিটার দূরে উজ্জ্বলতা মানুষের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি কমে যায়। মনস্টেরা ছায়া সহ্য করে, কিন্তু সেখানে ভালো বাড়ে না।
তৃতীয়টি হলো ভুলভাবে পানি দেওয়া। পরামর্শ হলো উপরের পাঁচ সেন্টিমিটার মাটি শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করা, তারপর ড্রেনেজ ছিদ্র দিয়ে পানি বের না হওয়া পর্যন্ত প্রচুর পানি দেওয়া। গ্রীষ্মে সপ্তাহে একবার সাধারণত যথেষ্ট।
টব বদলের জন্য নিবন্ধটি মাত্র চার থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার বড় ব্যাসের টব সুপারিশ করে, কখনো তার বেশি নয়, আর এমন মাটি যা ভালো নিষ্কাশন হয় এবং যাতে এক-তৃতীয়াংশ পার্লাইট মেশানো। সার দিতে হবে তার পরে, আগস্টের শেষ পর্যন্ত প্রতি দুই-তিন সপ্তাহে। যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে বেশি মনে ধরেছে: ছোট, ফ্যাকাশে এবং ফাটলহীন পাতা আলোর অভাবের লক্ষণ। সুন্দর ছিদ্রযুক্ত পাতা খুঁজছেন এমন সংগ্রাহকদের জন্য কাজের তথ্য।
সূত্র: Jardiner Malin
অ্যালোকেসিয়ার বিশাল তীরের মতো পাতা, প্রায় কালো পত্রফলকে রুপালি শিরা এবং পেটানো চামড়ার মতো দেখতে পৃষ্ঠ থাকে। চাষের ক্ষেত্রেও এই বৈচিত্র্য দেখা যায়: কিছু প্রজাতি ছোটখাটো ভুল ক্ষমা করে, আবার কিছু অতিরিক্ত পানি, ঠান্ডা বা কম আলোতে দ্রুত সাড়া দেয়। Jardineiro.net সবচেয়ে সহজ থেকে সবচেয়ে কঠিন পর্যন্ত ১২টি প্রজাতি সাজিয়েছে।
অ্যারেসি পরিবারের অ্যালোকেসিয়া গণে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপগ্রীষ্মমণ্ডলীয় এশিয়া এবং ওশিয়ানিয়ার কিছু অংশের প্রায় একশো প্রজাতি রয়েছে। নিবন্ধটি উল্লেখ করে যে বাণিজ্যে প্রজাতি, জাত ও সংকর মিশে যায়: Alocasia melo, longiloba ও sanderiana প্রজাতি, আর Polly হলো longiloba ও sanderiana-র সংকরের সঙ্গে যুক্ত একটি জাত। এটি এও সতর্ক করে যে হাতির কান অ্যালোকেসিয়ার সমার্থক নয়, কারণ এই নামটি বড় পাতাযুক্ত অন্য অ্যারয়েডের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়।
তালিকা শুরু হয় Alocasia macrorrhizos দিয়ে, একটি শক্তিশালী দৈত্যাকার গাছ যা ভালো পুনরুদ্ধার করে, কিন্তু ছোট ঘরের জন্য অনেক বড় হয়ে যায়। মাঝখানে আছে wentii, longiloba, sinuata ও Jacklyn-এর মতো প্রজাতি, আর শেষের দিকে আছে Black Velvet ও melo-এর মতো আরও সূক্ষ্ম প্রজাতি, এবং সর্বশেষ স্থানে Alocasia nebula, যার ভুল সহ্য করার সীমা খুব সংকীর্ণ।
একটি পরামর্শ আমার মনে গেঁথে গেছে: নতুন আনা গাছ পাতা ঝরালে একসঙ্গে অনেক কিছু বদলানো উচিত নয়। টব বদলানো, সার দেওয়া ও বেশি পানি দেওয়ার বদলে আগে শিকড়ের মাটির দলাটি দেখে নিন। কঠিনতার ক্রমে সাজানোটি আমার ভালো লেগেছে, কারণ এটি হতাশা ছাড়া প্রথম অ্যালোকেসিয়া বেছে নিতে সাহায্য করে।
অনেকে মনে করেন দক্ষিণমুখী জানালার চৌকাঠ ঘরের গাছের জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা। «Botanichka»-এর একটি নিবন্ধে লেখক আনাস্তাসিয়া ভিসোৎস্কায়া ব্যাখ্যা করেছেন, সমস্যা জানালা নিজে নয়, বরং কয়েকটি বিষয়ের মিলিত প্রভাব: চৌকাঠের নিচের রেডিয়েটর, পাতার কাছের ঠান্ডা কাচ আর শরতের নিচু রোদ। তাঁর সহজ পরীক্ষাটি আমার ভালো লেগেছে: হিটিং চালু থাকলে হাতের তালু পাতার কাছে ধরুন এবং ভোরে কাচে হাত দিন।
ঝুঁকিতে থাকা গাছ চারটি। স্প্যাথিফাইলাম কাচের কাছের পাতায় প্রথমে হালকা, পরে বাদামি ছোপ পায়, আর ঝুলে পড়া পাতা সবসময় তৃষ্ণার লক্ষণ নয়, তাই আগে আঙুল দিয়ে মাটি পরীক্ষা করুন। ক্যালাথিয়া (গেপার্টিয়া) শুকনো কিনারা ও ফ্যাকাশে নকশায় প্রতিক্রিয়া দেখায়; তার নরম, থিতানো পানি দরকার এবং জানালা থেকে এক থেকে দেড় মিটার দূরে জায়গা চাই। নেফ্রোলেপিস পাতার ছোট অংশ হারায়, বিশেষ করে রেডিয়েটরের ওপরে ঝোলানো টবে। বেনজামিন ডুমুর ঠান্ডা, খসড়া বাতাস ও গরম হাওয়ায় পাতা ঝরায়।
সাধারণ পরামর্শ হলো, আলো বজায় রেখে গাছকে তাপ থেকে সরিয়ে রাখা। সাধারণত ৩০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার যথেষ্ট, কখনো এক মিটার লাগে। টবগুলো সরাসরি রেডিয়েটরের ওপর রাখবেন না; নিচে কর্ক বা কাঠের তক্তা দিন। লেখকের মতে, স্প্রে করলে তেমন কাজ হয় না, তবে হিউমিডিফায়ার স্পষ্টভাবে ভালো কাজ করে।
নিবন্ধে একটি সৎ সতর্কতাও আছে: রেডিয়েটর না থাকলে, পাতা সুস্থ থাকলে এবং আলো যথেষ্ট হলে গাছ সরানোর দরকার নেই। শুকনো কিনারা ও পোড়া দাগ আর ভালো হয় না, সাবধানে ছেঁটে দেওয়া যায়, আর দাগহীন নতুন পাতা প্রমাণ দেবে জায়গাটি ঠিক। ক্যালাথিয়ার মতো খামখেয়ালি প্রজাতি যাঁরা লালন করেন, তাঁদের জন্য হিটিং মৌসুমের আগে এটি ভালো মনে করিয়ে দেওয়া।
সূত্র: Botanichka
দুর্লভ গাছের জগৎ যারা অনুসরণ করেন, তাঁরা সাদা ছোপযুক্ত পাতার জন্য অবিশ্বাস্য দাম দেখেছেন। এই বিশৃঙ্খলা গুছিয়ে দেওয়া একটি গাইড পড়লাম, যেটি কাজের মনে হয়েছে, কারণ এটি সঠিক প্রশ্ন দিয়ে শুরু হয়: বর্ণবৈচিত্র্য আসলে কী? লেখক মনে করিয়েছেন, ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের একটি অনলাইন নিলামে একটি বর্ণময় মনস্টেরা ডেলিসিওসার একটি আলগা পাতা ২০ হাজার রিয়ালেরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। তবে বর্ণময় গাছের দাম সবসময় একই বক্ররেখা অনুসরণ করে: দুষ্প্রাপ্যতা, সামাজিক মাধ্যমে শীর্ষ, ব্যাপক বংশবিস্তার, তারপর পতন।
লেখাটি ধরনগুলো আলাদা করে। মনস্টেরা অ্যালবো ও পিঙ্ক প্রিন্সেসের মতো কাইমেরিক বর্ণবৈচিত্র্য অস্থিতিশীল। থাইল্যান্ডে টিস্যু কালচার থেকে আসা মনস্টেরা 'Thai Constellation'-এর মতো মোজাইক বর্ণবৈচিত্র্য অনেক বেশি অনুমেয়, আর সেজন্যই সেটি সস্তা হয়েছে। স্কিন্ড্যাপসাস পিক্টাসের প্রতিফলিত বর্ণবৈচিত্র্য এবং পুরনো ফিলোডেনড্রন পিঙ্ক কঙ্গোর মতো রাসায়নিকভাবে প্ররোচিত রং নিয়েও কথা আছে, যার পাতা কয়েক মাসের মধ্যে আবার সবুজ হয়ে যেত।
তালিকাটি সবচেয়ে সহজলভ্য থেকে সবচেয়ে দাবিদার পর্যন্ত যায়: জিবোয়া N'Joy, বর্ণময় জামিওকুলকাস, সিনগোনিয়াম অ্যালবো ভেরিগাটাম, মনস্টেরা 'Thai Constellation', ফিলোডেনড্রন 'Pink Princess', ক্যালাথিয়া 'White Fusion' এবং মনস্টেরা অ্যাডানসোনি 'Variegata'। পিঙ্ক প্রিন্সেস সম্পর্কে পরামর্শটি আমার ভালো লেগেছে: পাতা দেখে নয়, কাণ্ড দেখে কিনুন, কারণ পর্বের মাঝে গোলাপি দাগ থাকলে রং ধরে রাখার সম্ভাবনা বেশি।
প্রতারণার সতর্কতাটিও মূল্যবান: মনস্টেরা অ্যালবোর বীজ, রং করা গাছ (পরীক্ষা হলো একটি গোপন জায়গায় ভেজা আঙুল ঘষা) এবং একটিও বর্ণময় গিঁট নেই এমন কাটিং। সিদ্ধান্তটি আমার পরিণত মনে হয়েছে: গাছ আর্থিক সম্পদ নয়, এবং কেনার সেরা সময় সাধারণত দাম পড়ার পর। নতুনদের জন্য বিবেচনাপ্রসূত পছন্দ N'Joy বা সিনগোনিয়াম।
সূত্র: Jardineiro.net