সংগীত ও বাদ্যযন্ত্র

AI দিয়ে গান ও ভুয়া শ্রোতা তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড

সংগীত শিল্পের একটি অস্বাভাবিক প্রতারণার মামলায় রায় হয়েছে, এবং আমার মনে হয় এটি বলার মতো। VnExpress-এর খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলাইনার বাসিন্দা ৫৪ বছর বয়সী Michael Smith-কে রয়্যালটি হাতিয়ে নিতে অনলাইন সংগীত প্ল্যাটফর্মকে প্রতারণা করার দায়ে ১৮ মাসের কারাদণ্ড, দুই বছরের তদারকি এবং ৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি জরিমানা দেওয়ার আদেশ হয়েছে।

নিউ ইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার প্রসিকিউটর Jamie McDonald বলেন, Smith প্রতারণার জন্য AI ব্যবহার করেছেন। FBI তাঁকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রেপ্তার করে, এবং তিনি এই বছরের মার্চে দোষ স্বীকার করেন। ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনটি ধাপে এই কাণ্ড চলে: Spotify, YouTube Music, Apple Music ও Amazon Music-এ হাজার হাজার বট অ্যাকাউন্ট খোলা; সেই অ্যাকাউন্টে AI-তৈরি গান অবিরাম চালানো, যেগুলোকে তিনি নিজের কাজ বলে দাবি করতেন; এবং সবশেষে ভুয়া শোনার সংখ্যার ভিত্তিতে রয়্যালটি আদায় করা।

একটি সংখ্যা আমার চোখে পড়েছে। Tom's Hardware-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের এপ্রিলে Smith-এর বট অ্যাকাউন্টগুলো ফ্যামিলি প্ল্যানের মাধ্যমে AI সংগীত ৮ কোটি ৯০ লক্ষ বার বাজিয়েছে, অথচ একই সময়ে Taylor Swift-এর পুরো ক্যাটালগ YouTube Music-এ ফ্যামিলি প্ল্যানে মাত্র ৯৩ লক্ষ বার চলেছে। ধরা পড়া এড়াতে তিনি বাজানোর সংখ্যা হাজার হাজার গানে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, ফলে কোনো একটি গানও অস্বাভাবিক শোনার সংখ্যা দেখায়নি, এবং একসময় একসঙ্গে ১০ হাজার বট অ্যাকাউন্ট চালাতেন।

প্রতিবেদনে X-এর একটি মন্তব্যও উদ্ধৃত হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে Smith AI দিয়ে সংগীত ও শ্রোতা দুটোই তৈরি করেছেন, আর বাস্তবে যে গান কেউ শোনেনি তা থেকে লাখ লাখ ডলার আয় করেছেন। আমার কাছে এই গল্পটি মনে করিয়ে দেয় যে শিল্পী ও সংগীত শিল্পকে ক্রমেই আসল শ্রোতা ও ভুয়া শ্রোতাকে আলাদা করতে হবে।

সূত্র: VnExpress

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন