সরীসৃপ ব্যবসায়ীরা কেন ওমানি কাঁটালেজ টিকটিকির পেছনে ছুটছেন? দাম প্রায় ১,০০০ ইউরো
ওমানি কাঁটালেজ টিকটিকি নিয়ে একটি দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পড়লাম, যা সরীসৃপ পালেন এমন প্রত্যেকের পড়া উচিত। আমার নজর কেড়েছে যে কাঁটাযুক্ত লেজ ও মরুভূমির উপযোগী দেহের এই প্রজাতিটি এখন ইউরোপের প্রাণী বিক্রির ওয়েবসাইটে প্রতিটির জন্য ৭০০ থেকে ১,০০০ ইউরোতে বিক্রি হচ্ছে।
ওমানি কাঁটালেজ টিকটিকি ওমানের একটি স্থানীয় (এন্ডেমিক) প্রজাতি, অর্থাৎ এটি স্বাভাবিকভাবে শুধু সেখানকার সীমিত এলাকায় পাওয়া যায়। এটি মাটিতে গর্ত খোঁড়ে এবং জীবনের বড় একটা অংশ সেখানেই কাটায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মান সরীসৃপ বিজ্ঞানী টমাস উইলমসের ২০০২ সালের এক গবেষণায় অনুমান করা হয়েছিল যে ১৯৯৮ সালের আগে বিজ্ঞানে ত্রিশটির কম নমুনা পরিচিত ছিল। তিনিই প্রথম এর বন্দি অবস্থায় প্রজননের নথি তৈরি করেন, আর সেখান থেকেই এর ব্যবসার গল্প শুরু হয়।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো যাকে "উৎস ধোয়ামোছা" (source laundering) বলা হয়। জার্মান সংস্থা Pro Wildlife-এর একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওমান সরকারিভাবে যে অল্প সংখ্যক রপ্তানির কথা জানিয়েছে, আর ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধনে "বন্দিতে প্রজনিত" হিসেবে যে অনেক বেশি সংখ্যা দেখানো হয়েছে, তার মধ্যে বড় ফারাক আছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১৮২টি, সুইজারল্যান্ডে ১৩০টি এবং নেদারল্যান্ডে ১২০টি প্রাণী রয়েছে। অর্থাৎ পাচার করা প্রাণী প্রজনন ভান্ডারে ঢুকে বন্দিতে জন্মানো বলে বিক্রি হতে পারে।
ওমানের পরিবেশ কর্তৃপক্ষ এই টিকটিকিকে বাস্তুসংস্থানগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানীয় প্রজাতি এবং শুষ্ক বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বর্ণনা করে। আমার মতে, শুধু দুষ্প্রাপ্যতা আর সৌন্দর্য কোনো কেনাকাটাকে ন্যায্য করে না। যে কেউ বিরল প্রজাতি চান, তাঁর আগে জানা উচিত প্রাণীটি কোথা থেকে এসেছে এবং তার আইনি ইতিহাস কী।
সূত্র: Al Jazeera Net
ওমানি কাঁটালেজ টিকটিকি ওমানের একটি স্থানীয় (এন্ডেমিক) প্রজাতি, অর্থাৎ এটি স্বাভাবিকভাবে শুধু সেখানকার সীমিত এলাকায় পাওয়া যায়। এটি মাটিতে গর্ত খোঁড়ে এবং জীবনের বড় একটা অংশ সেখানেই কাটায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মান সরীসৃপ বিজ্ঞানী টমাস উইলমসের ২০০২ সালের এক গবেষণায় অনুমান করা হয়েছিল যে ১৯৯৮ সালের আগে বিজ্ঞানে ত্রিশটির কম নমুনা পরিচিত ছিল। তিনিই প্রথম এর বন্দি অবস্থায় প্রজননের নথি তৈরি করেন, আর সেখান থেকেই এর ব্যবসার গল্প শুরু হয়।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো যাকে "উৎস ধোয়ামোছা" (source laundering) বলা হয়। জার্মান সংস্থা Pro Wildlife-এর একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওমান সরকারিভাবে যে অল্প সংখ্যক রপ্তানির কথা জানিয়েছে, আর ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধনে "বন্দিতে প্রজনিত" হিসেবে যে অনেক বেশি সংখ্যা দেখানো হয়েছে, তার মধ্যে বড় ফারাক আছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১৮২টি, সুইজারল্যান্ডে ১৩০টি এবং নেদারল্যান্ডে ১২০টি প্রাণী রয়েছে। অর্থাৎ পাচার করা প্রাণী প্রজনন ভান্ডারে ঢুকে বন্দিতে জন্মানো বলে বিক্রি হতে পারে।
ওমানের পরিবেশ কর্তৃপক্ষ এই টিকটিকিকে বাস্তুসংস্থানগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানীয় প্রজাতি এবং শুষ্ক বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বর্ণনা করে। আমার মতে, শুধু দুষ্প্রাপ্যতা আর সৌন্দর্য কোনো কেনাকাটাকে ন্যায্য করে না। যে কেউ বিরল প্রজাতি চান, তাঁর আগে জানা উচিত প্রাণীটি কোথা থেকে এসেছে এবং তার আইনি ইতিহাস কী।
সূত্র: Al Jazeera Net
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন