ভাষা বিনিময়

আমি কীভাবে কোনো পরামর্শকের সাহায্য না নিয়ে, একেবারে শুরু থেকে আমার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের পরিকল্পনা করেছিলাম।

যখন আমি আমার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন আমি একটি সাধারণ ভুল করেছিলাম: প্রথমে গন্তব্য নির্বাচন করা। আসল কথা হলো, শুরুটা হওয়া উচিত লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে: আপনি কি কোনো ভাষা শিখতে চান, বিদেশে কাজ করতে চান, নাকি কোনো ডিগ্রি অর্জন করতে চান? প্রতিটি উত্তরের জন্য আলাদা ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে—ভাষা কোর্স, ওয়ার্ক অ্যান্ড ট্র্যাভেল, আউ পেয়ার, ওয়ার্কিং হলিডে অথবা স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ—এবং এদের নিজস্ব খরচ ও সময়সীমা থাকে।

লক্ষ্য নির্ধারণ হয়ে গেলে, গন্তব্য নির্বাচন করা সহজ হয়ে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং আয়ারল্যান্ডে বেশিরভাগ এক্সচেঞ্জ শিক্ষার্থীরা যায়, কিন্তু পর্তুগাল, মাল্টা, স্পেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকাতে খরচ অনেক কম। জীবনযাত্রার খরচ তুলনা করা উচিত: ডাবলিনের একটি শেয়ার্ড রুমের ভাড়া মাসে ৮০০ ইউরোর বেশি হতে পারে, যেখানে লিসবনে এটি ৫০০ থেকে ৭০০ ইউরোর মধ্যে থাকে।

এরপর আসে প্রশাসনিক কাজ এবং বাজেট তৈরি। কমপক্ষে ছয় মাসের মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট, গন্তব্য অনুযায়ী ভিসা, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বীমা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের থেকে গৃহীত ভর্তির চিঠি—এগুলো প্রয়োজন। আমি তিনটি অংশে একটি স্প্রেডশিট তৈরি করেছিলাম: যাত্রা করার আগে প্রয়োজনীয় খরচ, বিদেশে মাসিক খরচ এবং কমপক্ষে দুই মাসের জন্য একটি জরুরি তহবিল।

নিজের উদ্যোগে প্রোগ্রাম করা এখন বেশ প্রচলিত, এবং বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে সরাসরি ভর্তির সুযোগ দেয়। যদি কোনো এজেন্সির মাধ্যমে করতে চান, তাহলে কমপক্ষে তিনটি বাজেট তুলনা করুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আগে থেকে শুরু করা: যত আগে শুরু করবেন, তত ভালো।

সূত্র: "टुডো সোব্রে ইন্টারক্যামিও" (Tudo Sobre Intercâmbio)।

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন