ভাষা বিনিময়

২০৪৫ সালের লক্ষ্য: জাতিসংঘের ফোরামে বাহাসা ইন্দোনেশিয়া

যারা ভাষার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবেন, তাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় খবর আছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় (Kemendikdasmen) ২০৪৫ সালের মধ্যে বাহাসা ইন্দোনেশিয়াকে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামের ভাষা করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই সময়সীমা Indonesia Emas ও স্বাধীনতার শতবর্ষের সঙ্গে মিলে যায়। ভাষা উন্নয়ন ও প্রসার সংস্থার প্রধান Hafidz Muksin ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জাকার্তায় Festival Handai Indonesia 2026-এর স্বীকৃতি অনুষ্ঠানের পর এই লক্ষ্যের কথা জানান।

আশাবাদের ভিত্তি হিসেবে তিনি BIPA কর্মসূচির (বিদেশি ভাষাভাষীদের জন্য বাহাসা ইন্দোনেশিয়া) কথা বলেন, যা এখন ৬২টি দেশে চলছে। কূটনীতিকদের জন্য আলাদা একটি BIPA ক্লাসও ছিল, যা ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত সশরীরে ও অনলাইনে চলে, ৫০ ঘণ্টা ও ১০০ ঘণ্টার দুটি কর্মসূচিতে। অংশগ্রহণকারীরা ছিলেন জাকার্তার রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি।

সংখ্যাগুলো বেশ বিস্তারিত: ৬৭টি বন্ধুরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ১৮১ জন নিবন্ধন করেন। তাদের মধ্যে ৬৩ জন ৫০ ঘণ্টার এবং ৪২ জন ১০০ ঘণ্টার কর্মসূচি শেষ করেন। Hafidz-এর মতে, বাহাসা ইন্দোনেশিয়া ইতিমধ্যেই UNESCO-এর সরকারি ভাষাগুলোর একটি, এবং এ ধরনের ক্লাস ভাষা-কূটনীতিকে শক্তিশালী করবে।

খবরটি পড়ে ভালো লাগল, কারণ ভাষা শেখা প্রায়ই কোনো দেশের সংস্কৃতির প্রতি কৌতূহল থেকে শুরু হয়। ২০৪৫ এখনো অনেক দূরে এবং লক্ষ্যটি উচ্চাভিলাষী, তবে BIPA ক্লাস খোলা দেশের সংখ্যা বাড়া প্রকৃত আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

এখানে যারা বাহাসা ইন্দোনেশিয়া শিখছেন তাদের কাছে জানতে চাই: কোন অংশটি সবচেয়ে কঠিন, প্রত্যয় (imbuhan) নাকি দৈনন্দিন শব্দভাণ্ডার?

সূত্র: ANTARA

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন