যুদ্ধ ও সংকটের মধ্যেও বেইরুত আরব আন্তর্জাতিক বইমেলা ৬৭তম আসরে
এ বছর বেইরুত আরব আন্তর্জাতিক বইমেলা ৬৭তম আসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ২০২৬ সালের ৯ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। খবরটি আমি Al Jazeera Net-এ পড়েছি, এবং বই ও প্রকাশনায় আগ্রহী যাঁরা আছেন তাঁদের জন্য সংক্ষেপে লিখতে চেয়েছি। মেলাটি প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৬ সালে।
এ বছর ১৬৩টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে এবং প্রায় ১০০টি সেমিনার হবে (অনুষ্ঠানের শিরোনামে ৯০-এর বেশি বলা হয়েছে), যেখানে প্রায় ২৫০ জন বক্তা ইতিহাস, ভূগোল, রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য, কবিতা, নাটক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চশিক্ষা নিয়ে কথা বলবেন।
আমার কাছে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো এর প্রেক্ষাপট। মেলাটি ইসরায়েলি যুদ্ধ দক্ষিণ লেবাননে যে ধ্বংস রেখে গেছে তার পরে, ২০১৯ সালের শরৎ থেকে চলমান অর্থনৈতিক সংকটের পরে, এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধের প্রভাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলার আয়োজক আরব সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি সালওয়া আল-সেনিওরা বাআসিরি বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে মেলা আয়োজন করা বিদ্যমান অবস্থার প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ, সংকটের সময় সংস্কৃতি অপরিহার্য, এবং এই অঞ্চলের যুদ্ধ নয়, যোগাযোগ দরকার।
কিছু সেমিনার দক্ষিণ লেবানন যে ঐতিহ্য হারাচ্ছে তা নিয়ে, যার মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থানও রয়েছে। লেবাননের সংস্কৃতিমন্ত্রী গাসান সালামেহ বলেছেন, ইউনেস্কোর বিপন্ন ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা পাঁচটি দুর্গের মধ্যে তিনটি ইসরায়েলি দখলে চলে গেছে এবং চতুর্থটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মেলায় বই তৈরির বিষয়ে আলাদা অংশও আছে, মুদ্রণের ইতিহাস, রঙ পৃথকীকরণ ও বাঁধাই থেকে শুরু করে হরফ ও প্রচ্ছদের নকশা পর্যন্ত, এবং সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের তৈরি বইয়ের প্রচ্ছদ প্রদর্শন করছে।
বিক্ষোভ, বেইরুত বন্দরের বিস্ফোরণ ও সংস্কারকাজসহ নানা কারণে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে মেলা হয়নি, এবং ২০২২ সালের মার্চে আবার শুরু হয়। আমার কাছে এর ধারাবাহিকতা একটি সহজ বার্তা বহন করে: সবচেয়ে কঠিন সময়েও বই এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ মিলিত হয়।
সূত্র: Al Jazeera Net
এ বছর ১৬৩টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে এবং প্রায় ১০০টি সেমিনার হবে (অনুষ্ঠানের শিরোনামে ৯০-এর বেশি বলা হয়েছে), যেখানে প্রায় ২৫০ জন বক্তা ইতিহাস, ভূগোল, রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য, কবিতা, নাটক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চশিক্ষা নিয়ে কথা বলবেন।
আমার কাছে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো এর প্রেক্ষাপট। মেলাটি ইসরায়েলি যুদ্ধ দক্ষিণ লেবাননে যে ধ্বংস রেখে গেছে তার পরে, ২০১৯ সালের শরৎ থেকে চলমান অর্থনৈতিক সংকটের পরে, এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধের প্রভাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলার আয়োজক আরব সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি সালওয়া আল-সেনিওরা বাআসিরি বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে মেলা আয়োজন করা বিদ্যমান অবস্থার প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ, সংকটের সময় সংস্কৃতি অপরিহার্য, এবং এই অঞ্চলের যুদ্ধ নয়, যোগাযোগ দরকার।
কিছু সেমিনার দক্ষিণ লেবানন যে ঐতিহ্য হারাচ্ছে তা নিয়ে, যার মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থানও রয়েছে। লেবাননের সংস্কৃতিমন্ত্রী গাসান সালামেহ বলেছেন, ইউনেস্কোর বিপন্ন ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা পাঁচটি দুর্গের মধ্যে তিনটি ইসরায়েলি দখলে চলে গেছে এবং চতুর্থটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মেলায় বই তৈরির বিষয়ে আলাদা অংশও আছে, মুদ্রণের ইতিহাস, রঙ পৃথকীকরণ ও বাঁধাই থেকে শুরু করে হরফ ও প্রচ্ছদের নকশা পর্যন্ত, এবং সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের তৈরি বইয়ের প্রচ্ছদ প্রদর্শন করছে।
বিক্ষোভ, বেইরুত বন্দরের বিস্ফোরণ ও সংস্কারকাজসহ নানা কারণে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে মেলা হয়নি, এবং ২০২২ সালের মার্চে আবার শুরু হয়। আমার কাছে এর ধারাবাহিকতা একটি সহজ বার্তা বহন করে: সবচেয়ে কঠিন সময়েও বই এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ মিলিত হয়।
সূত্র: Al Jazeera Net
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন