Flashforge CJ270: সাতটি উপাদানের ডেস্কটপ ইঙ্কজেট ফটোপলিমার প্রিন্টার
Flashforge ডেস্কটপ-ধরনের ইঙ্কজেট ফটোপলিমার 3D প্রিন্টার CJ270 ঘোষণা করেছে। এটি MultiJet Printing (MJP) প্রযুক্তিতে কাজ করে এবং এক কোটির বেশি রঙের ছায়ায় উচ্চ-রেজোলিউশনের মডেল ছাপে। এ ধরনের যন্ত্র আগে থেকেই আছে, তবে সেগুলো বেশির ভাগ ছিল 3D Systems ও Mimaki-এর মতো কোম্পানির তৈরি দামি শিল্প-ব্যবস্থা। পর্যালোচকের মতে, এই নতুন যন্ত্র ছোট ব্যবসা এমনকি সচ্ছল উৎসাহীদের নাগালেও এসেছে, এবং এই কথাটাই আমার আগ্রহ টেনেছে।
স্টেরিওলিথোগ্রাফির মতো এখানেও আলোয় শক্ত হওয়া রেজিন ব্যবহার হয়, তবে মডেলটি কোনো ট্যাংকের ভেতরে বাড়ে না। এটি একটি প্ল্যাটফর্মের ওপর উপাদান ছিটিয়ে স্তরে স্তরে গড়ে ওঠে। প্রতিটি স্তর সমান করে UV আলোয় শক্ত করা হয়, তারপর পরের স্তর আসে। নীতিটি একটি সাধারণ অফিস ইঙ্কজেট প্রিন্টারের মতো; শুধু কাগজে কালির বদলে এখানে ফটোপলিমার ছাপা হয়।
হেড অ্যাসেম্বলির মাধ্যমে একসঙ্গে সাতটি উপাদান সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি একটি বর্ধিত CMYK সেট গঠন করে: সায়ান, ম্যাজেন্টা, হলুদ ও কালোর সঙ্গে রয়েছে সাদা ও স্বচ্ছ ফর্মুলেশন। সপ্তমটি পানিতে দ্রবণীয় সহায়ক রেজিন, যা পোস্ট-প্রসেসিং অনেক সহজ করে। দরকার হলে সাতটি হেডের যেকোনোটি আলাদাভাবে বদলানো যায়।
সর্বনিম্ন স্তর-পুরুত্ব মাত্র সাত মাইক্রোমিটার হওয়ায় সাধারণত যান্ত্রিক ফিনিশিংয়ের প্রয়োজন হয় না। আমার এখন প্রধান প্রশ্ন দাম ও ভোগ্যপণ্যের খরচ। তবু পূর্ণ-রঙিন ইঙ্কজেট প্রিন্টার ডেস্কটপ আকারে আসা শখের মানুষ ও ছোট স্টুডিওর জন্য একটি বড় পদক্ষেপ বলে মনে হচ্ছে।
সূত্র: 3D Today
স্টেরিওলিথোগ্রাফির মতো এখানেও আলোয় শক্ত হওয়া রেজিন ব্যবহার হয়, তবে মডেলটি কোনো ট্যাংকের ভেতরে বাড়ে না। এটি একটি প্ল্যাটফর্মের ওপর উপাদান ছিটিয়ে স্তরে স্তরে গড়ে ওঠে। প্রতিটি স্তর সমান করে UV আলোয় শক্ত করা হয়, তারপর পরের স্তর আসে। নীতিটি একটি সাধারণ অফিস ইঙ্কজেট প্রিন্টারের মতো; শুধু কাগজে কালির বদলে এখানে ফটোপলিমার ছাপা হয়।
হেড অ্যাসেম্বলির মাধ্যমে একসঙ্গে সাতটি উপাদান সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি একটি বর্ধিত CMYK সেট গঠন করে: সায়ান, ম্যাজেন্টা, হলুদ ও কালোর সঙ্গে রয়েছে সাদা ও স্বচ্ছ ফর্মুলেশন। সপ্তমটি পানিতে দ্রবণীয় সহায়ক রেজিন, যা পোস্ট-প্রসেসিং অনেক সহজ করে। দরকার হলে সাতটি হেডের যেকোনোটি আলাদাভাবে বদলানো যায়।
সর্বনিম্ন স্তর-পুরুত্ব মাত্র সাত মাইক্রোমিটার হওয়ায় সাধারণত যান্ত্রিক ফিনিশিংয়ের প্রয়োজন হয় না। আমার এখন প্রধান প্রশ্ন দাম ও ভোগ্যপণ্যের খরচ। তবু পূর্ণ-রঙিন ইঙ্কজেট প্রিন্টার ডেস্কটপ আকারে আসা শখের মানুষ ও ছোট স্টুডিওর জন্য একটি বড় পদক্ষেপ বলে মনে হচ্ছে।
সূত্র: 3D Today
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন