দুর্লভ মুদ্রা ও নোট

১৯৪৩ সালের ব্রোঞ্জের তৈরি এক সেন্টের মুদ্রা, যার মূল্য ২৩৫,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

একদিন আমি প্রায় পুরোনো মুদ্রার একটি পাত্র ফেলে দেওয়ার কথা ভাবছিলাম, কিন্তু "গাজেটা নিউজ"-এ একটি নিবন্ধ পড়ার পর আমি প্রতিটি মুদ্রার দিকে দ্বিতীয়বার তাকালাম। নিবন্ধটি ছিল ১৯৪৩ সালের বিখ্যাত ১ সেন্টের মুদ্রার বিষয়ে, যা ব্রোঞ্জ দিয়ে তৈরি—এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি উৎপাদন ত্রুটি ছিল, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তামা (কপার) সাশ্রয়ের জন্য পেনিগুলো ইস্পাত (স্টিল) দিয়ে তৈরি করত, যার উপরে জিঙ্কের প্রলেপ দেওয়া হতো।

এই প্রক্রিয়ায় কিছু ব্রোঞ্জের মুদ্রা অবশিষ্ট ছিল এবং সেগুলোতে ১৯৪৩ সালের তারিখ খোদাই করা হয়েছিল। বর্তমানে প্রায় ২০টি এই ধরনের মুদ্রা জানা যায়, এবং এর মধ্যে একটি, যা টেক্সাসের একটি পরিবার ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করে রেখেছিল, সেটি "পিসিজিএস" দ্বারা যাচাই করা হয়েছে এবং এর মূল্য ২৩৫,০০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এটি পরীক্ষা করা সহজ: সাধারণ ইস্পাতের মুদ্রা চুম্বকের সাথে লেগে যায়, কিন্তু ব্রোঞ্জের মুদ্রা লাগে না; এছাড়াও, ওজনের পার্থক্যও নির্দেশ করে—এই বিরল মুদ্রার ওজন প্রায় ৩.১১ গ্রাম, যেখানে ইস্পাতের মুদ্রার ওজন ২.৭০ গ্রাম। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বাজারে অনেক নকল মুদ্রা রয়েছে, তাই কোনো যাচাইকরণ কেন্দ্রে নেওয়ার আগে মুদ্রাটিকে পরিষ্কার বা পরিবর্তন করা উচিত নয়।

এখন থেকে আমি "টুকরা" (মুদ্রা) খুঁজে বের করার কাজে লেগে গেছি। কে জানে, হয়তো আমার পকেটে কোনো গুপ্তধন লুকানো আছে!

উৎস: গাজেটা ব্রাজিলিয়ান নিউজ।

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন