দুর্লভ মুদ্রা ও নোট

২০২৬ বিশ্বকাপ এবং মুদ্রাহীন ব্রাজিল: ব্রাজিলীয় মুদ্রাবিজ্ঞান সমিতির একটি কলাম

২০২৬ সালের জুলাই মাসে InfoMoney-তে প্রকাশিত একটি কলাম পড়েছি, যা লিখেছেন Sociedade Numismática Brasileira-এর Mariana Campos ও Bruno Pellizzari। বিষয়টি আমার নজর কেড়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, এবং তিনটি দেশই টুর্নামেন্টের স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করছে। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মুদ্রাশালাগুলোও থিমভিত্তিক মুদ্রা ছাড়ছে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল এবং একমাত্র পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের এই বিশ্বকাপের জন্য কোনো মুদ্রাবিজ্ঞানভিত্তিক কর্মসূচি নেই।

লেখাটি দেশটি আগে কী করেছে তার দিকে ফিরে তাকায়। ১৯৯৪ সালে চতুর্থ শিরোপার সময় রূপা ও সোনার মুদ্রা বের হয়েছিল। ২০০২ সালে পঞ্চম শিরোপার সময় নতুন স্মারক মুদ্রা প্রকাশিত হয়। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৫ রিয়ালের একটি রৌপ্য মুদ্রা ছাড়া হয়। ২০১৪ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ উপলক্ষে ছয়টি কপার-নিকেল মুদ্রা, একটি রৌপ্য ও একটি সোনার মুদ্রার একটি সিরিজ বের হয়।

কলামে ২০১৬ সালের অলিম্পিকের কথাও মনে করানো হয়েছে: প্রচলনের জন্য ১ রিয়ালের ১৭টি মুদ্রা, সংগ্রাহকদের জন্য ১৭টি রূপার ও ৪টি সোনার মুদ্রা বের হয়েছিল। ১ রিয়ালের মুদ্রাগুলো এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে অনেকে খুচরো টাকার মধ্যে সেগুলো খুঁজতে শুরু করেন।

এটি একটি মতামত-কলাম, তাই এর সুর অনুশোচনার। এই সুযোগ হারানো যে দুঃখজনক, সে ব্যাপারে আমি একমত, কারণ এমন মুদ্রা সাধারণ মানুষকে মুদ্রাবিজ্ঞানের কাছাকাছি নিয়ে আসে। ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতায় ব্রাজিলের মুদ্রাশালা পথ বদলায় কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

সূত্র: InfoMoney

মন্তব্য 0

যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন