স্মার্ট কফি মেশিন ১০ দিনে ১ টেরাবাইট ট্রাফিক তৈরি করে ওয়াই-ফাই অচল করে দিল
ছোট একটি ঘটনা, কিন্তু নিজের হোম নেটওয়ার্ক যিনি নিজে সামলান, তাঁর ভাবার মতো। GenK-এর খবর অনুযায়ী, @NomadsGalaxy নামের একজন X ব্যবহারকারী বাবা-মায়ের ওয়াই-ফাই দেখছিলেন, তখন তিনি দেখতে পান একটি Keurig কফি মেশিন মাত্র ১০ দিনে প্রায় ১ টেরাবাইট আপলোড আর প্রায় ১০ গিগাবাইট ডাউনলোড তৈরি করেছে।
বাবা-মায়ের বাড়ির UniFi নেটওয়ার্ক সিস্টেম দেখতে গিয়েই তিনি বিষয়টি টের পান। এই অস্বাভাবিক ডেটার পরিমাণ একটি ওয়াই-ফাই অ্যাক্সেস পয়েন্টকে অতিরিক্ত চাপে ফেলে দেয়। কারণ খুঁজে না দেখে তিনি মেশিনের প্লাগ খুলে দেন এবং বাবা-মায়ের জন্য অন্য একটি পণ্য কিনে দেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশির ভাগ ট্রাফিক ইন্টারনেটে না গিয়ে অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের ভেতরেই ঘুরেছে, তাই মেশিনটি পারিবারিক ডেটা বাইরের সার্ভারে পাঠিয়েছে, এমন প্রমাণ এখনো নেই। সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ সফটওয়্যারের ত্রুটি বা নেটওয়ার্কে যোগাযোগের সমস্যা, আর রিস্টার্ট দিলে হয়তো সমস্যাটি মিটে গেছে।
প্রতিবেদনটি স্মার্ট হোমের বৃহত্তর চিত্রের দিকেও ইঙ্গিত করে: নেটওয়ার্কে যত বেশি ডিভাইস যুক্ত, ত্রুটি, নিরাপত্তা দুর্বলতা বা সেবা বন্ধের ঝুঁকি তত বেশি। নির্মাতা নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট না দিলে IoT ডিভাইস আক্রমণের প্রবেশপথ হয়ে উঠতে পারে, আর কোম্পানি সার্ভার বন্ধ করে দিলে কিছু পণ্য তাদের বেশির ভাগ কার্যক্ষমতা হারায়।
আমার কাছে ব্যবহারিক শিক্ষা হলো, হোম নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের ট্রাফিক দেখানো একটি টুল রাখা, এবং IoT ডিভাইসগুলোকে আলাদা নেটওয়ার্কে রাখার কথা ভাবা। সংখ্যা ছাড়া একটি কফি মেশিন আসলে কী করছে, তা টের পাওয়া খুবই কঠিন।
সূত্র: GenK
বাবা-মায়ের বাড়ির UniFi নেটওয়ার্ক সিস্টেম দেখতে গিয়েই তিনি বিষয়টি টের পান। এই অস্বাভাবিক ডেটার পরিমাণ একটি ওয়াই-ফাই অ্যাক্সেস পয়েন্টকে অতিরিক্ত চাপে ফেলে দেয়। কারণ খুঁজে না দেখে তিনি মেশিনের প্লাগ খুলে দেন এবং বাবা-মায়ের জন্য অন্য একটি পণ্য কিনে দেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশির ভাগ ট্রাফিক ইন্টারনেটে না গিয়ে অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের ভেতরেই ঘুরেছে, তাই মেশিনটি পারিবারিক ডেটা বাইরের সার্ভারে পাঠিয়েছে, এমন প্রমাণ এখনো নেই। সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ সফটওয়্যারের ত্রুটি বা নেটওয়ার্কে যোগাযোগের সমস্যা, আর রিস্টার্ট দিলে হয়তো সমস্যাটি মিটে গেছে।
প্রতিবেদনটি স্মার্ট হোমের বৃহত্তর চিত্রের দিকেও ইঙ্গিত করে: নেটওয়ার্কে যত বেশি ডিভাইস যুক্ত, ত্রুটি, নিরাপত্তা দুর্বলতা বা সেবা বন্ধের ঝুঁকি তত বেশি। নির্মাতা নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট না দিলে IoT ডিভাইস আক্রমণের প্রবেশপথ হয়ে উঠতে পারে, আর কোম্পানি সার্ভার বন্ধ করে দিলে কিছু পণ্য তাদের বেশির ভাগ কার্যক্ষমতা হারায়।
আমার কাছে ব্যবহারিক শিক্ষা হলো, হোম নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের ট্রাফিক দেখানো একটি টুল রাখা, এবং IoT ডিভাইসগুলোকে আলাদা নেটওয়ার্কে রাখার কথা ভাবা। সংখ্যা ছাড়া একটি কফি মেশিন আসলে কী করছে, তা টের পাওয়া খুবই কঠিন।
সূত্র: GenK
মন্তব্য 0
যেকোনো ভাষায় প্রথম মন্তব্যটি করুন।
মন্তব্য করতে লগ ইন করুন